ঢাকা বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৮ আশ্বিন ১৪২৭, ০৫ সফর ১৪৪২ হিজরী

জাতীয় সংবাদ

বাংলাদেশে জলবায়ু অর্থায়ন অনিশ্চিত

প্রকাশের সময় : ২৯ মার্চ, ২০১৬, ১২:০০ এএম

অর্থনৈতিক রিপোর্টার : জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশ হলেও বাংলাদেশে জলবায়ু অর্থায়ন অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। বিশ্বের ৩৩টি প্রতিষ্ঠান, জাতিসংঘের সবুজ জলবায়ু তহবিল-জিসিএফ এর নিবন্ধন পেলেও নাম নেই বাংলাদেশি কোন প্রতিষ্ঠানের। তাই বাংলাদেশকে অনুদান চাইতে হয় ভিনদেশি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, অর্থ সদ্ব্যবহারের যোগ্যতা না থাকায় নিবন্ধন পাচ্ছে না বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান। ভবিষ্যতে প্রকল্প বাস্তবায়নে সক্ষমতা ও স্বচ্ছতা প্রমাণ করতে না পারলে জলবায়ু তহবিল থেকে প্রাপ্য অর্থ পাওয়ার পথও বন্ধ হয়ে যাবে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ঝুঁকিতে থাকা গরীব দেশগুলোকে আর্থিক সহায়তা ও কার্বন নি:শরণ কমাতে অর্থায়নের জন্য ২০১০ সালে গঠিত হয় সবুজ জলবায়ু তহবিল বা জিসিএফ।
প্যরিস জলবায়ু চুক্তি অনুযায়ী, ২০২০ সাল থেকে এই তহবিলে প্রতিবছর ১০০ বিলিয়ন ডলার দেবে উন্নত দেশগুলো। প্রাথমিকভাবে, প্রতিশ্রুত ১০ বিলিয়ন ডলার নিয়ে যাত্রা শুরু করেছে জিসিএফ। কোরিয়ার সংডোতে সচিবালয় স্থাপন হয় ২০১৩ সালে। এরই মধ্যে প্রথম দফায় ৮টি প্রকল্পে কিছু অর্থ ছাড় দেয়া হয়েছে। যার মধ্যে ৪০ মিলিয়ন ডলারের ছোট একটি প্রকল্প পেয়েছে বাংলাদেশ। তবে তা সরাসরি নয় জার্মানির কেএফডব্লিও নামের একটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে। বিশ্বের ৩৩টি প্রতিষ্ঠান জিসিএফ এর নিবন্ধন পেলেও সেই যোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি বাংলাদেশি কোন প্রতিষ্ঠান। এলজিইডি, পরিবেশ অধিদপ্তর, বাংলাদেশ ব্যাংক, বিসিসিটিএফ, পিকেএসএফ ও ইটকল-কে বাংলাদেশ অনুমোদন দিলেও আবেদন করতে পেরেছে শুধু, ইটকল ও পিকেএসফ। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, যোগ্যতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে না পারলে নিবন্ধন তো দূরের কথা ভাবিষ্যতে বাংলাদেশ তার ন্যায্য অধিকারও আদায় করতে পারবে না।
অন্যদিকে, সাময়িকভাবে নিজস্ব অর্থায়নে গড়া জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ডও ঠিকভাবে চলছে না। অর্থমন্ত্রীর ভাষায়, এই ট্রাস্ট ফান্ড পানি উন্নয়ন বোর্ডের কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য একটি নতুন জানালা হয়েছে।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন