বৃহস্পতিবার, ২৬ মে ২০২২, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯, ২৪ শাওয়াল ১৪৪৩ হিজরী

জাতীয় সংবাদ

মৈত্রীসেতু নির্মাণে চীনের ৪০০ কোটি টাকা অনুদান

প্রকাশের সময় : ৮ এপ্রিল, ২০১৬, ১২:০০ এএম

স্টাফ রিপোর্টার : অষ্টম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রীসেতু নির্মাণে প্রায় ৪০০ কোটি টাকা অনুদান দিচ্ছে চীন। এ লক্ষ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। গতকাল (বৃহস্পতিবার) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি২ সম্মেলন কক্ষে এ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব মোহাম্মদ মেজবাহ উদ্দিন এবং চীন সরকারের পক্ষে চীনা দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত মা মিংকুয়াং।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতুটি বরিশাল-ঝালকাঠি-ভা-ারিয়া-পিরোজপুর-বাগেরহাট-খুলনা সড়কের চারখালী ফেরিঘাটে অবস্থিত কঁচা নদীর ওপর নির্মিত হবে। সেতুটির দৈর্ঘ্য হবে ১ হাজার ৪০০ মিটার। সেতুটি নির্মাণ করবে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ।
সেতুটি নির্মিত হলে বরিশাল বিভাগের সাথে পিরোজপুর, বরগুনা, খুলনা অঞ্চলের যোগাযোগ সহজ হবে। এ ছাড়া এ সেতু মংলা এবং পায়রা সমুদ্র বন্দরের সাথে বরিশালের যোগাযোগ বৃদ্ধি করবে, যা এ অঞ্চলের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
বর্তমানে বরিশালে ও খুলনার মধ্যে কঁচা নদীতে ফেরির মাধ্যমে যোগাযোগ হচ্ছে যাতে নদী পারাপারে প্রায় ১ ঘণ্টা সময় লাগে। সেতুটি তৈরি হলে স্বল্প সময়ের মধ্যে নদী পার হওয়া যাবে।
মেজবাহ উদ্দিন বলেন, চীন সরকারের অনুদানে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের অধীন এ পর্যন্ত ৭টি সেতু নির্মিত হয়েছে। সর্বশেষ মাদারীপুর জেলার মাদারীপুর-শরীয়তপুর-চাঁদপুর সড়কে আড়িয়াল খাঁ নদীর ওপর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী (কাজীরটেক সেতু) নির্মিত হয়েছে যা ইতোমধ্যে জনসাধারণের ব্যবহারের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে।
প্রকল্প পরিচালক পরিমল সূত্রধর বলেন, এ সেতুটি নির্মাণে মোট ব্যয় হবে প্রায় ৬০৫ কোটি টাকা। চীনের ৪০০ কোটি টাকা অনুদানের পর বাকি অর্থায়ন সরকারি তহবিল থেকে করা হবে। তিনি বলেন, নির্মাণ শুরুর পর ৩ বছরে এই সেতু নির্মাণ শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে। তবে সেতুটির কাজ কবে নাগাদ শুরু হতে পারে তা এখনও নির্দিষ্ট করা হয়নি।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন