ঢাকা সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৬ আশ্বিন ১৪২৭, ০৩ সফর ১৪৪২ হিজরী

অভ্যন্তরীণ

মাদকেই শেষ এক পরিবার

চান্দিনা থেকে মুন্সী কামাল আতাতুর্ক মিসেল | প্রকাশের সময় : ২৭ জুন, ২০১৮, ১২:০৫ এএম

কুমিল্লায় মাদকাসক্ত বড় ভাইকে গলা কেটে ও কুপিয়ে হত্যা করে ছোট ভাই। সাড়ে তিন বছর আগে এই বড় ছেলের হাতে একইভাবে খুন হন বাবা। প্রায় সাড়ে তিন বছর আগে নেশার টাকা না পেয়ে বাবা ইউনুস মিয়াকে কুপিয়ে হত্যা করেছিলেন সোহেল রানা (২৮)। এবার সোহেলকে কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে তারই ছোট ভাই মেহেদী হাসানের (২২) বিরুদ্ধে। কিছুদিন আগে মাদক সেবনের দায়ে তাদের আরেক সহোদর সুমন মিয়া (৩০) ভ্রাম্যমাণ আদালতের দেয়া ৬ মাসের সাজায় কারাগারে আছেন। গত শনিবার রাতে কুমিল্লার দেবীদ্বার পৌরসভার মরিচাকান্দা এলাকায় বাবার মতো একই কায়দায় ছেলে খুনের এ ঘটনা ঘটেছে। গত রোববার সকালে পুলিশ গিয়ে সোহেলদের বাড়ির পাশ থেকে তার লাশ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় তার ভাই হাফেজ এমরান দেবীদ্বার থানায় ভাই মেহেদী হাসানের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।
পুলিশ বলছে, ডেকোরেটর ব্যবসায়ী মেহেদী হাসানকে রোববার সকালে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি জিজ্ঞাসাবাদে বড় ভাইকে হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। তাকে আদালতের মাধ্যমে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে। হত্যাকাÐে ব্যবহৃত রড ও ছুরি তার দোকান থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, ২০১৫ সালের ১০ জানুয়ারি সোহেল নেশার টাকার জন্য তার বাবাকে হত্যা করেন বলে জবানবন্দিতে জানিয়েছেন মেহেদী। শনিবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে সোহেল বাড়ির পাশে পুকুরপাড়ে নেশা করছিলেন। তা দেখে তিনি (মেহেদী) বাড়ি থেকে রড ও ছুরি নিয়ে পুকুরপাড়ে গিয়ে তাকে রড দিয়ে মাথায় আঘাত করলে তিনি অচেতন হয়ে পড়েন। পরে গলায় ছুরি চালান। এরপর শরীরের বিভিন্ন অংশে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে মৃত্যু নিশ্চিত করেন। মামলার বাদী এমরান বলেন, সোহেল রানা মাদকাসক্ত ছিলেন। তিনি বাবাকেও নেশার টাকার জন্য হত্যা করেছেন। এখন মাদকের জন্য তিনিও খুন হলেন। দেবীদ্বার থানার ওসি মো. মিজানুর রহমান বলেন, পরিবারের কয়েকজন সদস্য আসক্ত। সোহেল এর আগে তার বাবাকে হত্যা করেছিলেন। গতকাল এই ঘটনার একমাত্র আসামি মেহেদীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

 

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন