ঢাকা, শুক্রবার, ২৯ মে ২০২০, ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ০৫ শাওয়াল ১৪৪১ হিজরী

সারা বাংলার খবর

নিউইয়র্কে টিবিএন ২৪ টেলিভিশনে যোগ দিলেন শামীম শাহেদ

বিনোদন রিপোর্ট: | প্রকাশের সময় : ১১ সেপ্টেম্বর, ২০১৮, ১২:০৫ এএম

বাংলাদেশের টেলিভিশন মিডিয়ায় সাফল্যের সঙ্গে যে কয়েকজন কাজ করেছেন তার মধ্যে শামীম শাহেদ অন্যতম। বাংলাভিশনের অনুষ্ঠান প্রধানের পাশাপাশি তিনি কাজ করেছেন একুশে টেলিভিশন, প্রথম আলো, ভোরের কাগজসহ বেশ কয়েকটি সংবাদ মাধ্যমে। সম্প্রতি তিনি নিউইয়র্কে টিবিএন ২৪ টেলিভিশনে ডিরেক্টর- প্রোগ্রাম অ্যান্ড মার্কেটিং পদে যোগ দিয়েছেন। সেখান থেকে তার সঙ্গে কথা হয়। নতুন জায়গায় যোগদান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমেরিকায় প্রফেশনালিজমের বিকল্প নেই। চ্যালেঞ্জ নিয়ে কাজ করতে হয়। এ পর্যন্ত মিডিয়ার যেখানেই কাজ করেছি চ্যালেঞ্জ নিয়েই করেছি। নতুন এই দায়িত্বও তার বাইরে নয়। ডিরেক্টর প্রোগ্রাম অ্যান্ড মার্কেটিং পদে যোগ দেয়া প্রসঙ্গে বলেন, টেলিভিশন চ্যানেলের কাজের ধরণ আমার জানা। তাই খুব চাপ অনুভব করছি না। বেশ ভালো লাগছে। টিবিএন ২৪ টেলিভিশন উত্তর আমেরিকার খুব জনপ্রিয় চ্যানেলগুলোর একটি। তাই দর্শকদের বেশ ভালই সাড়া পাওয়া যাচ্ছে। পরিচিত কমিউনিটি হলেও অনুষ্ঠানের চাহিদা এবং বিজ্ঞাপন সংগ্রহের ধরণ একটু ভিন্ন। কাজটি এনজয় করছি। তিনি বলেন, টেলিভিশনের সাথে যুক্ত হওয়ার বাইরেও অন্য কাজে ব্যস্ত রয়েছি। একটা রিয়েল অ্যাস্টেট ফার্মের সঙ্গে কাজ করছি। আর আইন বিষয়ে পড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছি। আমেরিকাতে একজন অ্যাটর্নি হওয়ার আমার বর্তমান স্বপ্ন। আমি সেটা হতে চাই। নিউইয়র্কে শামীম শাহেদের ‘রেডিও ত্রিতাল বাংলা ইউএসএ’ নামে নিজের একটি রেডিও স্টেশন আছে। এর বর্তমান অবস্থা জানিয়ে বলেন, ‘রেডিও ত্রিতাল বাংলা’ তার নিজস্ব গতিতে চলছে। ‘রেডিও ত্রিতাল বাংলা’ অ্যাপটি ডাউনলোড করলে বাংলাদেশে বসেও যে কেউ শুনতে পাবেন। এখন শুধু বিনোদনমূলক অনুষ্ঠান প্রচার হচ্ছে। খুব অল্প সময়ের মধ্যে এখানে সংবাদ ও অন্যান্য বিষয় যুক্ত হবে। শামীম শাহেদ এর আগে ইউনিসেফ এর মীনা মিডিয়া অ্যাওয়ার্ডের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। এই প্রতিযোগিতার একজন বিচারক ছিলেন। বর্তমানে তিনি নিউইয়র্কের একটি সংগঠন ডিসট্রেস্ড চিলড্রেন অ্যান্ড ইনফেন্ট ইন্টারনেশনাল-এর মিডিয়া টিমের একজন কর্মী হিসেবে কাজ করছেন। সংগঠনটি ওয়ার্ল্ড ওয়াইড কাজ করে। প্রবাসে তার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে বলেন, নিউইয়র্কে আমার প্রধান পরিকল্পনা একটা ডিগ্রী নেয়া। তারপর নিজের একটা প্রতিষ্ঠান তৈরি করা। তারপর ফিল্ম ম্যাকিং-এর কাজ চালিয়ে যাওয়া। এখন নিউইয়র্কের দুটি পরিবারকে নিয়ে আমি একটা ফিল্ম তরির কাজ করছি। যার নাম ‘ব্রাদার্স’। নিজের লেখালেখি সম্পর্কে বলেন, ‘উড়োজাহাজের উড়োচিঠি’ নামে আমার একটা কলাম ছাপা হতো ঢাকার ইত্তেফাক এবং নিউইয়র্কের আজকাল পত্রিকায়। লেখাগুলো নিয়ে এবার একটা বই প্রকাশিত হবে। পার্ল পাবলিকেশন্স বের করবে।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

গত ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন