ঢাকা, বুধবার ২৪ জুলাই ২০১৯, ০৯ শ্রাবণ ১৪২৬, ২০ যিলক্বদ ১৪৪০ হিজরী।

লাইফস্টাইল

রেড মিট ও পনির হার্টকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে

দি ইন্ডিপেন্ডেন্ট | প্রকাশের সময় : ৯ অক্টোবর, ২০১৮, ১২:০২ এএম

রেড মিট খাওয়া আপনার স্বাস্থ্যের জন্য ভালো, না ভালো নয়, তা নিয়ে বহুদিন ধরে বিতর্ক চলেছে। সাস্প্রতিক গবেষণায় দেখা যাচ্ছে যে, নিয়মিত অপ্রক্রিয়াজাত রেড মিট ও পনির খেলে আপনার হার্টের অবস্থা ভালো করে অকাল মৃত্যুর ঝুঁকি কমায়। কানাডার ম্যাকমাস্টার বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা বিশ্বের ৫০টি দেশের ২ লাখ ১৮ হাজারেরও বেশি প্রাপ্তবয়স্ক লোককে তাদের খাদ্যাভ্যাস অনুযায়ী পাঁচটি ক্যাটেগরিতে ভাগ করে এ গবেষণা চালান। গবেষণায় তারা এ সিদ্ধান্তে এসেছেন যে, ভারসাম্যপূর্ণ খাদ্যের অংশ হিসেবে পরিমিত দুগ্ধজাত ও গোশত খাওয়া ব্যাপকভাবে অকাল মৃত্যুর ঝুঁকি কমায়।
গবেষক দল তাদের গবেষণার ফল মিউনিখে ইউরোপিয়ান কার্ডিওলজি সোসাইটির সম্মেলনে উপস্থাপন করেন। এতে বলা হয়, মানুষকে তাদের খাবারে থাকা পরিশুদ্ধ কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণের ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে।
ম্যাকমাস্টার বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংখ্যা স্বাস্থ্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মুখ্য অনুসন্ধানী ডা. অ্যান্ড্রু মেন্টি বলেন, যেসব মানুষ খাদ্যে ফল, সবজি, বাদাম, শিম, মাছ, দুগ্ধজাত খাবার ও গোশতকে প্রাধান্য দেয় তাদের হৃদরোগ ও অকাল মৃত্যুর সম্ভাবনা সবচেয়ে কম। তিনি বলেন, বিশ্ব মানুষের জন্য উচ্চমানের খাদ্য তালিকা কি হবে তা পুনর্বিবেচনা করা প্রয়োজন।
ডা. মেন্টি বলেন, উদাহরণ স্বরূপ বলা যায় যে, আমাদের গবেষণার সিদ্ধান্ত হচ্ছে দুগ্ধজাত সামগ্রী ও গোশত হার্টের স্বাস্থ্য ও দীর্ঘজীবনের জন্য উপকারী। বর্তমানের খাদ্যাভ্যাসের পরামর্শ থেকে এ সিদ্ধান্ত ভিন্ন।
এনএইচএস জানায়, সরকার বর্তমানে যারা প্রতিদিন ৯০ গ্রামের বেশি রেড মিট ও প্রক্রিয়াজাত গোশত খায় তা সর্বোচ্চ ৭০ গ্রামে কমিয়ে আনা অনুমোদন করেছে। গরু ও কচি বাছুরের গোশতসহ অত্যধিক পরিমাণ রেড মিট ও প্রক্রিয়াজাত গোশত খাওয়া ভবিষ্যতে পেটের ক্যান্সারের ঝুঁকি বৃদ্ধি করতে পারে।
ব্রিটিশ হার্ট ফাউন্ডেশনের সহযোগী স্বাস্থ্য পরিচালক প্রফেসর জেরেমি পিয়ার্সনের ব্যাখ্যা যে, পরিমিত অপ্রক্রিয়াজাত গোশত ও দুগ্ধজাত সামগ্রী নিজে থেকে হার্টের সুস্থতা নিশ্চিত করতে পর্যাপ্ত নয়।
টেলিগ্রাফ তাকে উদ্ধৃত করে বলে, ভালো করে খাওয়া মানে একক কোনো খাবারের উপর খুব বেশি গুরুত্ব না দিয়ে আপনার খাবারের দিকে সামগ্রিকভাবে দৃষ্টি দেয়া। তিনি বলেন, যথেষ্ট পরিমাণ ফল ও সবজি, ডাল, আস্ত শস্যদানা ও বাদামের সাথে সমন্বিত করে খাওয়া হলে গোশত ও দুগ্ধজাত সামগ্রী ভারসাম্যপূর্ণ খাদ্য হতে পারে।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

গত ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন