ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৪ আশ্বিন ১৪২৬, ১৯ মুহাররম ১৪৪১ হিজরী।

খেলাধুলা

মার্শালের সেঞ্চুরি, মোহরের ৫ উইকেট

স্পোর্টস ডেস্ক : | প্রকাশের সময় : ৬ নভেম্বর, ২০১৮, ১২:০২ এএম

জাতীয় ক্রিকেট লিগে শিরোপা পুনরুদ্ধারের সম্ভবনা আরো উজ্জ্বল করেছে রাজশাহী বিভাগ। পয়েন্ট তালিকার শীর্ষ দলটি গতকাল শেষ রাউন্ডের ম্যাচে বরিশাল বিভাগকে প্রথম ইনিংসে গুটিয়ে দিয়েছে মাত্র ৯৭ রানে। দিন শেষে অবশ্য নিজেরাও ১২৪ রান তুলতে গিয়ে হারিয়েছে ৬ উইকেট।
রাজশাহী অধিনায়কের টস জিতে বল বেছে নেয়ার সিদ্ধান্তকে সঠিক প্রমাণ করেন তার পেসাররা। ১৬ রানের মধ্যে বরিশালের শীর্ষ তিন উইকেট তুলে নেন শফিকুল ইসলাম। বাকিদেরও নিয়মিত বিরতিতে ফেরান মোহোর শেখ ও ফরহাদ রেজা। ১৩.২ ওভারে মাত্র ২৪ রানের খরচায় ৫ উইকেট নেন ডানহাতি মিডিয়াম পেসার মোহর শেখ। আল-আমিন ও মোসাদ্দেকের পর দুই অঙ্ক স্পর্শ করতে পারেন কেবল শেষ ব্যাটসম্যান তানভির হায়দার (১৭)।
জবাবে রাজশাহীও পড়ে ব্যাটিং ধ্বসে। ভিন্ন সুরে কথা বলে কেবল জুনায়েদ সিদ্দিকীর ব্যাট। দলীয় ১২৪ রানের মধ্যে অপরাজিত ৭২ রানই তার। ২৭ রানে এগিয়ে ফরহাদ রেজাকে নিয়ে আজ আবার ব্যাটে নামবেন জাতীয় দলের এই সাবেক ব্যাটসম্যান। আলোক স্বল্পতার কারণে দিনের খেলা আগেভাগে শেষ হয়।
লিগের শেষভাগে এসে খেই হারিয়ে ফেলেছে খুলনা বিভাগ। এখন তাদের সামনে দ্বিতীয় স্তরে নেমে যাওয়ার শঙ্কা। কাল তারা বগুড়ায় প্রথম দিনে রংপুরের বিপক্ষে দিন শেষে করে ৮ উইকেটে ২১৭ রান। আলোক স্বল্পতার কারণে খেলা ১৬ ওভার কতম না হলে এদিনই হয়ত শেষ হত বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের ইনিংস। শেষ রাউন্ডের ম্যাচটি আরো জমে গেছে পয়েন্ট তালিকার দ্বিতীয় নম্বর দল রংপুর হওয়ায়। খুলনাকে হারাতে পারলে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সম্ভবনা তৈরী হবে তাদেরও।
আব্দুর রাজ্জাকের দল কতাটা সাবধানী ব্যাটিং করেছে তা এনামুল হকের দিকে তাকালেই বোঝা যায়। জাতীয় দলের সাবেক ওপেনার ৫৬ বল খেলে আউট হন মাত্র এক রান করে। আরেক ওপেনার মেহেদী হাসানও (০) ছিলেন ব্যর্থ। বাকিরা শুরু করেও ইনিংসটা টেনে নিয়ে যেতে পারেননি। সর্বোচ্চ ৪৮ রানে অপরাজিত আছেন মইনুল ইসলাম।
কক্সবাজারে দ্বিতীয় স্তরের ম্যাচ দুটিতে পুরো দিনে পড়েছে মোট ১১ উইকেট। চট্টগ্রামের বিপক্ষে ৫ উইকেটে ২৬৫ রান করেছে ঢাকা মহানগর। প্রথম শ্রেণিতে ১৭তম শতক তুলে নিয়ে ১১০ রানে অপরাজিত আছেন অধিনায়ক মার্শাল আয়ুব। ২১১ বলের এই ইনিংসে তিনি চার মেরেছেন ১০টি, দুটি ছক্কা।
পাশের মাঠে ঢাকার বিপক্ষে ৬ উইকেটে ২২০ রান করে সিলেট। সিলেটের প্রত্যেক ব্যাটসম্যানের শুরুটাই ছিল ভাল। কিন্তু সেটাকে টেনে লম্বা করতে পারেন কেবল ক্যারিয়ারের শেষ প্রথম শ্রেনির ম্যাচ খেলতে নামা রাজিন সালেহ। জাতীয় দলের সাবেক ব্যাটসম্যান করেন সর্বোচ্চ ৬৭ রান। ৪০ রানে অপরাজিত রয়েছেন জাকির আলি।

স ং ক্ষি প্ত স্কো র
বরিশাল-রাজশাহী, রাজশাহী (১ম স্তর)
বরিশাল ১ম ইনিং : ৩৮.২ ওভারে ৯৭ (আল-আমিন ২৫, মোসাদ্দেক ২২; রেজা ২/৪২, শফিকুল ৩/২০, মোহোর ৫/২৫)।
রাজশাহী ১ম ইনিংস : ৪৪ ওভারে ১২৪/৬ (জুনায়েদ ৭২*, জহুরুল ২৫; রাব্বি ২/৪৬, মনির ২/৮, তানভির ১/১৮)।
খুলনা-রংপুর, বগুড়া (১ম স্তর)
খুলনা ১ম ইনিংস : ৭৪ ওভারে ২১৭ (সৌম্য ২৬, নুরুল ৩৬, জিয়াউর ৪০, মইনুল ৪৮*; রাকিবুল ৩/৫৪, সাজেদুল ২/৩৯, তানবির ২/৩)।
ঢাকা মহানগর-চট্টগ্রাম, কক্সবাজার (২য় স্তর)
ঢাকা মহানগর ১ম ইনিংস : ৯০ ওভারে ২৬৫ (আজমির ৩৫, মার্শাল ১১০*, জাবিদ ৩০*; ইফরান ১/৪৬, নাঈম ২/৯৪, সাখাওয়াত ২/৭৬)।
ঢাকা-সিলেট, কক্সবাজার (২য় স্তর)
সিলেট ১ম ইনিংস : ৯১ ওভারে ২২০ (রাজিন ৬৭, শাহানুর ২৯, জাকের ৪০*; শাহাদাত ২/৫২, মোশাররফ ১/৬০, শুভাগত ২/৩৩)।
*১ম দিন শেষে

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন