ঢাকা, বুধবার, ২১ আগস্ট ২০১৯, ০৬ ভাদ্র ১৪২৬, ১৯ যিলহজ ১৪৪০ হিজরী।

সারা বাংলার খবর

‘নব্য জাহেলিয়াত মোকাবেলায় নববী বিপ্লবের বিকল্প নেই’

মৌলভীবাজারে ‘মহানবীর মহান জীবন’ শীর্ষক সেমিনার

মৌলভীবাজার জেলা সংবাদদাতা | প্রকাশের সময় : ২৩ নভেম্বর, ২০১৮, ২:০৬ পিএম

পৃথিবীর পরাশক্তি দেশগুলো ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দেশ ও রাষ্ট্রের উপর খবরদারি করছে। সাম্রাজ্যবাদী সিস্টেমে মানুষের জীবনকে বিষিয়ে তোলা হচ্ছে। পুঁজিবাদের বিকাশ ঘটিয়ে মানুষকে মানুষের দাস বানিয়ে রাখা হচ্ছে। আজকের ইয়েমেন, সিরিয়া, মিয়ানমার এরই ধারাবাহিকতার শিকার। ক্ষুধার যন্ত্রণায় মানুষ প্রাণ হারাচ্ছে। মুসলিম ঐতিহ্যের দেশগুলোকে পদানত করা হচ্ছে। ইসলামের বিরুদ্ধে ঘোষিত ও অঘোষিত ক্রুসেড আজ পৃথিবীর মুসলিম জনপদগুলোতে চলছে। ক্রমশ পৃথিবীকে নব্য জাহেলিয়্যাত কায়েম হচ্ছে। এই নব্য জাহেলিয়াত মোকাবেলায় নববী বিপ্লবের বিকল্প নেই।
গতকাল ২২ নভেম্বর বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় মৌলভীবাজার প্রেসক্লাবে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে ‘মহানবীর মহান জীবন’ শীর্ষক সেমিনারে বক্তারা এসব কথা বলেন। ডা.কুতুব উদ্দিন অ্যাডুকেশন ট্রাস্টের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন সাপ্তাহিক পূর্বদিক পত্রিকার সহযোগী সম্পাদক কবি সালাহ উদ্দিন ইবনে শিহাব।
ট্রাস্টের সভাপতি মো. ফখরুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও সদস্য মাওলানা শফিকুল আলম সুহেলের পরিচালনায় সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন মৌলভীবাজার পৌরসভার মেয়র মো. ফজলুর রহমান।
প্রধান আলোচক ছিলেন মৌলভীবাজার জেলা আল ইসলাহ’র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাওলানা সৈয়দ ইউনুছ আলী। বক্তব্য রাখেন হাফিয এনামুল হক, মৌলভীবাজার সরকারি মহিলা কলেজের বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. আব্দুল হালিম, আল ইসলাহ নেতা মাওলানা ফয়জুল ইসলাম।
সেমিনারে বক্তারা বলেন মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর জন্ম থেকে মুত্যু পর্যন্ত ৬৩ বছরের জীবন বিশ্ববাসীর জন্য অনুকরণীয় ও অনুসরণীয় দৃষ্টান্ত। উন্নত চরিত্র মাধুর্য্যতায় সমগ্র আরববাসীর মধ্যে তিনি ছিলেন এক স্বতন্ত্র ব্যক্তিত্বের অধিকারী। কাফেররা দ্বীনের পথ থেকে সরাতে নবী মুহাম্মদকে অনেক প্রলোভন দেখিয়েছে। তারা ক্ষমতা, সুন্দরী নারী ও সম্পদের প্রলোভন দেখানেরার পরও তিনি এই অফারটি নিঃসঙ্কোচে ফিরিয়ে দেন। বিশ্বস্থতা, নেতৃত্বের গুণাবলী, জ্ঞান, হেকমত/প্রজ্ঞা, সাহসিকতা, পরোপরিকতা ও চারিত্রিক দৃঢ়তায় তিনি ছিলেন অনন্য। তাঁর আদর্শের বাস্তবায়ন হলে আজও সমাজ ও রাষ্ট্রে শান্তি প্রতিষ্ঠা হবে। মদিনায় হিজরতের পর নতুন এক রাজনৈতিক বিপ্লবের সূচনা হয়। আরবের সকল গোত্র ও ধর্মের মানুষকে নিয়ে ‘মদিনা সনদ’ নামে একটি চুক্তি সম্পাদন করেন। একে পৃথিবীর প্রথম লিখিত সংবিধানও বলা হয়। এই সনদের ভিত্তিতে ভিত তৈরি হয় মদিনা রাষ্ট্রের। তরবারীর জোরে তিনি ইসলাম প্রতিষ্ঠা করেন নি। পৃথিবীর মধ্যে একমাত্র তিনিই মানুষের জন্য পথ পদ্ধতি আবিস্কার ও তাঁর বাস্তবায়ন করেছেন।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

গত ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন