ঢাকা সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১৩ আশ্বিন ১৪২৭, ১০ সফর ১৪৪২ হিজরী

অভ্যন্তরীণ

সিইউএফএল সড়কের জমি দখল

আনোয়ারা (চট্টগ্রাম) উপজেলা সংবাদদাতা | প্রকাশের সময় : ৩০ নভেম্বর, ২০১৮, ১২:০২ এএম

চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার চাতরী চৌমুহনী বাজার থেকে শাহাদতনগর পর্যন্ত সিইউএফএল সড়কের দুই পাশের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের পর আবারো দখলে নেমেছে প্রভাবশালী চক্র। স্থানীয় প্রভাবশালী মহল সিইউএফএল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে লিজ নেয়ার গুজব ছড়িয়ে ফের অবৈধ দখল শুরু করেছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। চক্রটির কেউ সড়কের জায়গায় ইট-বালু রেখে বিক্রি করছে আবার কেউ বাঁশের বেড়া দিয়ে দোকানপাট নির্মাণ করে দখলে নিয়েছে। এ ছাড়া স্থানীয় প্রভাবশালী নবাব খাঁনের প্রভাব খাটিয়ে মো. আশরাফ, আবু ছৈয়দ, এয়ার মোহাম্মদ ও সৈয়দ আহমদ কাফকো সেন্টার এলাকায় সড়কের জমি দখল করে সেখানে অবৈধ দোকান নির্মাণের পাঁয়তারা করছে।

সূত্র জানায়, উপজেলার বন্দর কমিউনিটি সেন্টার এলাকায় সিইউএফএল সড়কের প্রায় ১০ শতক জমি অবৈধ দখলে নিয়ে ১২টি দোকান নির্মাণ করেন জনৈক নবাব খাঁন। ২০০৭ সালে তৎকালীন তত্ত¡াবধায়ক সরকার এসব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে জায়গাটি জনসাধারণের জন্য উন্মুুক্ত করে। দীর্ঘ দিন পর আবারো জায়গাটি অবৈধ দখলে নিয়ে দোকান ঘর নির্মাণের অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। অবৈধ দখলদারদের কারণে এ সড়কের জায়গা যেমন বেহাত হচ্ছে, তেমনি জনগণের ভোগান্তিও বেড়ে চলেছে। এ নিয়ে এলাকাবাসীর মাঝে চরম হতাশা বিরাজ করছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যবসায়ীর অভিযোগ, সড়কের চাতরী চৌমুহনী থেকে শাহাদতনগর পর্যন্ত এলাকায় বসানো বেশির ভাগ দোকানপাট অবৈধ। স্থানীয় প্রভাবশালীরা যার যার মতো প্রায় শতাধিক দোকান নির্মাণ করে ভাড়া দিয়েছেন। তবে অদৃশ্য কারণে সিইউএফএল কর্তৃপক্ষ নীরব ভ‚মিকা পালন করছে। স্থানীয় মোহাম্মদ ইদ্রিস বলেন, বন্দর কমিউনিটি সেন্টার এলাকায় জমি লিজ নেয়ার গুজব ছড়িয়ে আবার স্থাপনা নির্মাণের পাঁয়তারা করছে আশরাফ বাহিনী। এ বিষয়ে জানতে আশরাফের মুঠোফোনে বারবার কল করেও পাওয়া যায়নি।
এদিকে, সিইউএফএল থেকে লিজ প্রক্রিয়ার কথা উল্লেখ করে আশরাফ নামে জনৈক ব্যক্তি অভিযোগ করেছেন বলে জানিয়েছেন বন্দর পুলিশ ফাঁড়ির আইসি নাজিম উদ্দিন। তবে লিজের বিষয়টি অস্বীকার করে সিইউএফএলের উপ-ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) আমিরুল হক ইনকিলাবকে বলেন, এক-এগারোর সময় সড়কের এসব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের পর আবারো দখলে নিয়ে দোকানপাট নির্মাণ করেছে স্থানীয়রা। জনবল সঙ্কটসহ বিভিন্ন কারণে এসব উচ্ছেদ করা সম্ভব হয়নি। পরে এসব জায়গা চুক্তিভিত্তিক ভাড়া দেয়ার প্রক্রিয়া শুরু হলেও এ সংক্রান্ত কমিটির মত না থাকায় তা বন্ধ রাখা হয়।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন