ঢাকা, বুধবার ১৯ জুন ২০১৯, ৫ আষাঢ় ১৪২৬, ১৬ শাওয়াল ১৪৪০ হিজরী।

আন্তর্জাতিক সংবাদ

একটি বিতর্কিত নির্বাচন ও বাংলাদেশি রাজনীতির বিপজ্জনক নবযুগ

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ৩ জানুয়ারি, ২০১৯, ১১:১০ এএম | আপডেট : ১১:২৪ এএম, ৩ জানুয়ারি, ২০১৯

নিরঙ্কুশ বিজয়ের মধ্য দিয়ে গত ৩০শে ডিসেম্বর বাংলাদেশের সরকার পুনঃনির্বাচিত হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের মতে, আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ক্ষমতাসীন জোট ৩০০ আসনের মধ্যে বিস্ময়করভাবে ২৮৮টি আসনে জিতেছে। প্রত্যাশিতভাবেই বিরোধী দলগুলো ব্যাপক কারচুপির অভিযোগ তুলে ফল প্রত্যাখ্যান করেছে। তারা নতুন নির্বাচনের দাবি জানিয়েছে।

তিক্ত ও সহিংসতাপূর্ণ পক্ষপাতের কারণে বাংলাদেশের রাজনীতি ইতিমধ্যেই বিষাক্ত হয়ে উঠেছে। এ বিতর্কিত নির্বাচনের ফল সে রাজনীতিকে নতুন আরেকটি বিপজ্জনক যুগে ঠেলে দিতে পারে। বিরোধীদের ক্ষোভ দেখানোর যথেষ্ট কারণ রয়েছে। আওয়ামী লীগ কয়েক বছর ধরেই বিরোধীদের দুর্বল করে দেয়ার পদ্ধতিগত প্রচেষ্টা চালিয়েছে। ক্ষমতাসীন দলের দমন-পীড়নের অন্যতম উপায় হলো ঢালাও গ্রেপ্তার।

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ কয়েকজন শীর্ষ বিরোধী নেতা জেলে রয়েছেন। এতে দুর্বল হয়ে পড়া প্রধান বিরোধী দল বিএনপি এখন তার আগের সত্তার প্রতিচ্ছায়ায় পরিণত হয়েছে। আওয়ামী লীগের নির্মম রাজনৈতিক দমন-পীড়ন নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডের ধারণাকে হাস্যকর বিষয়ে পরিণত করেছে।

এসব দমন-পীড়নকে অগ্রাহ্য করে বিএনপি নতুন জোটকে নিয়ে প্রচারণা চালায় ও নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে। এটা ভাবা কঠিন যে, সন্দেহজনকভাবে ভারসাম্যহীন একটি নির্বাচনী ফল নিয়ে বিরোধী দল চুপ করে বসে থাকবে। আওয়ামী লীগের বিস্ময়কর বিজয় নিয়ে বিরেীধদলসহ অন্য সমালোচকরা বলছেন, এটা ‘ইলেকশন’ না, বরং এটা ‘সিলেকশন’। আর যারা সরকারের কঠোর আইন ও কৌশলকে সমর্থন করেন, তারা সাফাই গাইছেন যে, এটা ধর্মীয় কট্টরপন্থার বিরুদ্ধে ধর্মনিরপেক্ষ ঐতিহ্যের বিজয়। এতে অবদান রেখেছে দেশের আকর্ষণীয় অর্থনৈতিক অগ্রগতি। যদিও আওয়ামী লীগ তাদের ভোটব্যাংক বৃদ্ধি করার জন্য ধর্মীয় দলগুলোর সঙ্গে জোট বেঁধেছে। এর মধ্যে হেফাজতে ইসলাম অন্যতম। এটি দেশের সবচেয় বড় ইসলামী সংগঠন।

প্রকৃতপক্ষে, আওয়ামী লীগের সাধারণ সমর্থকরা সরকারের কর্তৃত্ববাদী প্রবণতা ও খারাপ মানবাধিকার রেকর্ডকে এড়িয়ে চলতে চান। কেননা তারা মনে করেন, দল তাদের নিত্যপ্রয়োজনীয় সব কিছুর যোগান দিচ্ছে। আর এটাই তাদের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এ ধরনের মানুষরা সরকারের কর্তৃত্ববাদী নীতিকে সহজভাবে গ্রহণ করতে পারে।

আয়ের অসমতাসহ কয়েকটি সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান উদ্বেগজনক হওয়ার পরেও তা শক্তিশালী জিডিপি প্রবৃদ্ধির নিচে চাপা পড়েছে। আর এসব ইস্যুতে আওয়ামী লীগের কর্মকা-ের সমালোচনা দলটির সাধারণ সমর্থকদেরকে প্রভাবিত করে না।

এটা বলা যায় না যে, আওয়ামী লীগ ৩০শে ডিসেম্বরের নির্বাচনে কারচুপি করেনি। বিপরীতে, এটা বিশ্বাস করা যায় না যে, কোনো দল পার্লামেন্টে ৯৫ শতাংশেরও বেশি আসন পেতে পারে। তা যত জনপ্রিয়তাই থাকুক না কেন। বরং লক্ষণীয় বিষয় হলো, আওয়ামী লীগের ব্যাপক জনসমর্থন আছে। ভোট পাওয়ার জন্য বা সংকটের সময়ে দলটি এর ওপর নির্ভর করতে পারে।

এদিকে, বিরোধীদের নতুন নির্বাচনের দাবি প্রত্যাশিতভাবেই নির্বাচন কমিশন প্রত্যাখ্যান করেছে। বাস্তবে, অনিয়মের অভিযোগ তদন্ত করার জন্য নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ জানানো ছাড়া বিরোধীদের হাতে ক্ষোভ প্রকাশের উপায় খুবই কম। বিএনপি ও এর মিত্রদের রাজপথে ব্যাপক বিক্ষোভ ও প্রতিবাদের সামর্থ্যরে অভাব রয়েছে। যা তাদের দুর্বল অবস্থাকে ফুটিয়ে তুলেছে। বিরোধীজোটের খুব কম সংখ্যক নেতাই ক্ষমতাসীন দলের এমন একতরফা বিজয় প্রত্যাশা করেছেন। বিরোধীদের মধ্যকার এই ক্ষোভ থেকে এখনো বিচ্ছিন্ন বিক্ষোভ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এটা সহিংসও হয়ে উঠতে পারে। এ ধরনের বিক্ষোভ ক্ষমতাসীন দলের নেতা-কর্মীদের ওপর প্রতিশোধমূলক হামলা উস্কে দিতে পারে।

প্রশ্নবিদ্ধভাবে ক্ষমতাসীন দল আরো পাঁচবছর ক্ষমতায় থাকা নিশ্চিত করেছে। বাংলাদেশ এখন একদলীয় রাষ্ট্রে পরিণত হওয়ার খুব নিকটে রয়েছে। ভবিষ্যতে শক্তিশালী ক্ষমতাসীন দল ও গুরুত্বহীন বিরোধীদলের মধ্যে যে কোনো ধরনের সহাবস্থান কল্পনা করা খুবই কঠিন। এমন পরিস্থিতিতে কোনো সমঝোতার পরিবেশও তৈরি হয় না।

এ অবস্থায় বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ অস্পষ্ট। একদিকে, জনজীবন স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে শুরু করেছে। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে ও উন্নয়ন জোরদার করতে বাংলাদেশ তাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। অন্যদিকে, নির্বাচনী বিজয়ে উজ্জীবিত আওয়ামী লীগ ভিন্নমতের ওপর দমন-পীড়ন অব্যাহত রাখতে পারে। যতদিন পর্যন্ত দলটি মনে না করবে যে, তাদের এই দমন-পীড়ন বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করছে, বিনিয়োগকারীদের বাধাগ্রস্ত করছে, ততদিন দলটি তাদের এই কর্মকা- চালিয়ে যাবে। বিরোধীরা দুর্বল অবস্থায় যতটুকু সম্ভব মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে চাইবে। ক্রমবর্ধমান এই শ্বাসরুদ্ধকর পরিবেশ জামায়াতে ইসলামীর মতো কট্টরপন্থি দলগুলোকে উগ্রপন্থার দিকে উস্কে দিতে পারে।

আরো ব্যাপকভাবে বলতে গেলে, বাংলাদেশের তরুণরা আশঙ্কাজনকভাবে গণতন্ত্রের ওপর বিশ্বাস হারিয়ে ফেলতে পারে। যেভাবেই বিশ্লেষণ করা হোক না কেন, বাংলাদেশের সামনে সহিংস ও উদ্বেগের দিন অপেক্ষায় রয়েছে।

(সিএনএন-এ প্রকাশিত নিবন্ধের ভাবানুবাদ। নিবন্ধটি লিখেছেন মাইকেল কুগেলম্যান।)

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (54)
মো: শাহানুর ইসলাম ৩ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:৪৫ পিএম says : 0
সাধারণ মানুষ নির্বাচন ব্যাবস্থার উপর থেকে আস্থা হারিয়ে ফেলেছে, এ ভাবে চলতে থাকলে অদুর ভবিষ্যতে মানুষ ভোট দান থেকে বিমুখ হয়ে যাবে,তখন যদি কোন স্বচ্ছ নির্বাচন ও হয় তখন ভোট কেন্দ্রে প্রিসাইডিং, সহ:প্রিসাইডিং ছাড়া কোন ভোটার কে খুজেঁ পাওয়া যাবে না, এমন কি কোন পোলিং এজেন্ট ও না।
Total Reply(0)
জহির উদদীন ৩ জানুয়ারি, ২০১৯, ১:৩০ পিএম says : 0
ভোটের নামে মানুষের অধিকার, স্বাধীনতা,হরণ করা হয়েছে। নির্বাচনকে যে ভাবে পক্ষপাতদুষ্ট করা হয়েছে এতে ভবিষ্যতে মানুষ ভোটয়া থেকে বিরত থাকতে পারে।
Total Reply(1)
Md. Mofazzal Hossain ৩ জানুয়ারি, ২০১৯, ২:১৭ পিএম says : 0
এত বড় েভাট জািলয়াতী আমার জীবেন কখেনা েদিখিন, অথচ সবাই চুপচাপ শুধূই েদখেছ, সবাই বাক হীন, এটা িকেসর আলামত? এই েদেশ কী এক দলীয় শাসন চীরিদন থাকেব?
মোঃ আশরাফুল ৩ জানুয়ারি, ২০১৯, ২:১১ পিএম says : 0
আমার কথা বলি আমি আর ভোট দিতে যাব না
Total Reply(0)
নাম* ৩ জানুয়ারি, ২০১৯, ২:১১ পিএম says : 0
আগে মানুষ বলত কিরে কোথায় ভোট দিলি আর এখন বলে কিরে কয়টি ভোট দিলি... এটাই হল রাজনীতিতে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় উন্নয়ন
Total Reply(0)
Md. Mofazzal Hossain ৩ জানুয়ারি, ২০১৯, ১:৫৯ পিএম says : 0
এত বড় িনরবাচনী জািলয়াতী আমার জীবেন কখেনা েদিখিন, অথচ সবাই চুপচাপ শুধূই েদখেছ, সবাই বাক হীন, এটা িকেসর আলামত?
Total Reply(0)
Jakir ৩ জানুয়ারি, ২০১৯, ২:১২ পিএম says : 0
Ha tik asa........vote to dai nai....r future a o debo nah....desh a democracy bola kisu nai.....
Total Reply(0)
Arif hossain ৩ জানুয়ারি, ২০১৯, ২:১৫ পিএম says : 0
মানুষের ভোটের অধিকার হরন করা হয়ে,
Total Reply(0)
monir ahmed ৩ জানুয়ারি, ২০১৯, ২:৩১ পিএম says : 0
এবার এটা ইলেকশন হলো না, হলো সিলেক্টশন।
Total Reply(0)
Sumaiya islam ৩ জানুয়ারি, ২০১৯, ২:৩২ পিএম says : 0
ATa to ilection na...ilecrioner name potul khela...jonogoner motamoter kono mullo nay sorkarer kace...oni mone koren desta onar poittrik sompotti...ty oni ja iccha ty kore jacchen...oni jodi sothik vabe nirbacon korten tahole hoyto oni birat bebodhane khomota charte baddo hoten...
Total Reply(0)
মোঃ মাসুদ হোসেন ৩ জানুয়ারি, ২০১৯, ২:৩৮ পিএম says : 0
এমন নির্বাচন আমি তো দেখি নি বিগত আমার পূর্ব পুরুষেরা ও কখনো দেখেননি, জানিনা.. হাসিনা আর কি কারিশমা দেখানোর অপেক্ষায় আছে
Total Reply(0)
Tanvir maruf ৩ জানুয়ারি, ২০১৯, ২:৪১ পিএম says : 0
এই ভাবে চলতে থাকলে ১৯৭১ সনের মতো যুদ্ধ খুব একটা দুরে নেই। আমি 100% sure করে বলে দিতে পারি ২০১৮ সনের ৩০শে ডিসেম্বরের ভোট সুষ্ঠ হয়নি। তাই আমরা সকলের দাবি সুষ্ঠ ভোট চাই।
Total Reply(0)
Solaiman ৩ জানুয়ারি, ২০১৯, ২:৪০ পিএম says : 0
মানুষ মশকারী কারে বলে, ভোট দিয়েছেন কি না?
Total Reply(0)
Rumi Chad ৩ জানুয়ারি, ২০১৯, ২:৪২ পিএম says : 0
আসলে কি জানেন অনেক কষ্ট করে গেলাম কিন্ত ভোট দিতে পারিনি কেন পারিনি এক আল্লাহভালো জানে অকে
Total Reply(0)
Biplob ৩ জানুয়ারি, ২০১৯, ২:৪৪ পিএম says : 0
এত বড় েভাট জািলয়াতী আমার জীবেন কখেনা েদিখিন, অথচ সবাই চুপচাপ শুধূই েদখেছ, সবাই বাক হীন, এটা িকেসর আলামত? এই েদেশ কী এক দলীয় শাসন চীরিদন থাকেব
Total Reply(0)
Rayhan ৩ জানুয়ারি, ২০১৯, ২:৪৫ পিএম says : 0
গনতন্ত্র খর্ব করা হয়েছে
Total Reply(0)
Jahid hasan ৩ জানুয়ারি, ২০১৯, ২:৪৫ পিএম says : 0
আসলে অনেক দেখেছিকিন্ত এই রকমের জুলুমদের বিচার হবে একদিন তখন হয়ত আর রাস্তা পাবে না যদি এমন হবে জেনে তাকে তাহলে কেন নিরবাচন দিছে সবাই সব কিছু জানে এবং বুজেরি
Total Reply(0)
Sumaiya ৩ জানুয়ারি, ২০১৯, ২:৪৭ পিএম says : 0
ATa ki nirbacon naki nirvason...??
Total Reply(0)
ফরহাদ মিযি ৩ জানুয়ারি, ২০১৯, ২:৫১ পিএম says : 2
এমন সুস্ত পরিবেশে ভোট মনে হয় বাংলাদেশে পথম বার হয়েচে
Total Reply(0)
তানভীর মারুফ ৩ জানুয়ারি, ২০১৯, ২:৫০ পিএম says : 0
ভুলে যাবেন না বিএনপি কিন্তু ঘুমিয়ে থাকা বাঘ যদি একবার জেগে যায়না তবে হাঙ্গামা শুরু হয়ে যাবে।
Total Reply(0)
ডাঃ মোঃ আজিজুর রহমান ৩ জানুয়ারি, ২০১৯, ২:৫১ পিএম says : 0
আমি নির্বাচন মানে কি এটা বুজতে পারলাম না,,,,মারামারি, কাটাকাটি, জাল ভোট,নারি ধর্ষন, এসব কি নির্বাচনের কাঠাম।
Total Reply(0)
zakaria ৩ জানুয়ারি, ২০১৯, ২:৫৪ পিএম says : 0
Nijer vot dayor odikar Bangladesr jongoner R nei.jongoner vot thebe khomota rasniteder hate.tara rate 3ta somay vot box bora .9ta somay bilat paper ses .ai hol Bangladeser nirbachon.je dese jati tar nijer vot thete pare na .ai dese jogon ki assa korte pare Politics der kase.he Alla amader akta sadin sarkar deo.ai chor sorkar hat tkake amader basan.
Total Reply(0)
গোলাম কিবরিয়া ৩ জানুয়ারি, ২০১৯, ৩:২২ পিএম says : 0
মুই কি জীবনে ভোট দিতে পাইম।
Total Reply(0)
alamin ৩ জানুয়ারি, ২০১৯, ৩:২৫ পিএম says : 0
সাধারন মানুষ সরকারের কাছে জিম্মি। সরকারের বিরুদ্ধে কিছু বললে জেল নইলে গুম।টাকা দিয়ে সব কিনে নিচে।
Total Reply(0)
তাৱেক ৩ জানুয়ারি, ২০১৯, ২:৫৫ পিএম says : 0
Shobai bale vote rate dili na dine ???
Total Reply(0)
Riaz ৩ জানুয়ারি, ২০১৯, ২:৫৫ পিএম says : 0
আমার ভোট আমি দেব, তোমাদের ভোটও আমি দেব। এরকম চলতে থাকলে নির্বাচন, ভোট শব্দগুলো যাদুঘরে রাখা ছাড়া উপায় থাকবে না।
Total Reply(0)
ফরহাদ হোসেন মোল্যা ৩ জানুয়ারি, ২০১৯, ২:৫৬ পিএম says : 0
যে কোন গনতান্ত্রিক দেশের জন্য এটা কাম্য নয়।এতে করে বহির্বিশ্বে যেমন বাংলাদেশের ভাবমূর্তী ক্ষুণ্ণ হচ্ছে,ঠিক তেমনি জনগনের আস্থা অর্জনে সরকার ব্যহত হচ্ছে।সাথে সাথে ভোটের অধিকার হারিয়ে জনগন সরকার বিরোধী তথা রাষ্ট্র বিরোধী কর্মকান্ডে লিপ্তো হতে পারে।
Total Reply(0)
৩ জানুয়ারি, ২০১৯, ২:৫৮ পিএম says : 0
সরকার পরিবর্তন হলে দেশ চালানো সম্বব হতো না সুতারং অপরিবর্তনী ভালো হয়েছে তবে হ্যা এই সরকার আমার 40,000 টাকা মেরেছে আমি আমার টাকা ফেরত পেতে অর্থ মন্ত্রণালয়ের নামে মামলা করতে চাই আমাকে আইনগত সহযোগীতা করু
Total Reply(0)
অচিনপাখি ৩ জানুয়ারি, ২০১৯, ৩:০৬ পিএম says : 0
অনেককে বলতে শুনি সুষ্ঠ নির্বাচন । এর চাইতে অসচ্ছ নির্বাচন আর কি হোতে পারে । আমাদের কেন্দ্রে তো সারে ১১টায় ব্যালট পেপার শেষ ।
Total Reply(0)
মেহেদী বির ৩ জানুয়ারি, ২০১৯, ৩:১২ পিএম says : 0
যারা এই নির্বাচনকে বিতর্কিত বলছেন তাদেরকে বলছি,১৯৭১এমন জোয়ারে ভেসে গিয়েছিল পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী, বাংলাদেশী মানুসের যে দেশের জন্য প্রান দেয়ার অদম্য ইচ্ছা ছিল যেটা একমাএ জাতিরজনক শেখ মুজিবর রহমান জাগাতে পেরেছিলেন বলেই মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিল এবং স্বাধীনতা ছিনিয়ে এনেছিল,সেই শেখের বেটি শেখ হাসিনা বাঙালি জাতির উন্নত দেশের উন্নত জীবনের সপ্নদেখাতে পেরেছে তার ফল এই ভোটের জোয়ারে ভেসে গেছে। জামায়েতের সাথে ঐক্য করা ঐক্যযোট এতে অবাক হওয়ার কিছুনেই,জনগনের এই রায় মেনে নিয়ে আগামিতে ভাল কাজ করে জনগের মনে বিশ্বাস ভালবাসা পাওয়ার চেস্টা করূন,জয়বাংলা।
Total Reply(0)
montasir ৩ জানুয়ারি, ২০১৯, ৩:০০ পিএম says : 0
A responsibility is a duty or an obligation TO DO something. For exaple, you have also responsibility to society and the government, e.g. to help a neighbour in trouble or to cast your vot if you are 18 or over.But now bangladesh missed democracy.
Total Reply(0)
রবিউল ৩ জানুয়ারি, ২০১৯, ৩:৪৭ পিএম says : 0
ভোটের আগের দিন রাতে সমগ্র বাংলাদেশে ব্যালেট পেপারে নৌকা প্রতিকে সীল মেরে ব্যালেট বাক্সে ভরে দিয়েছে।কি আজব কান্ড।
Total Reply(0)
md dolon haque ৩ জানুয়ারি, ২০১৯, ৪:৪৭ পিএম says : 0
এমন নির্বাচন হয়েছে। ভোট কেন্দ্রে মরা মানুষ ও ভোট দিয়েছে।
Total Reply(1)
alek ৩ জানুয়ারি, ২০১৯, ৪:৫৬ পিএম says : 0
yes
Imran ৩ জানুয়ারি, ২০১৯, ৫:৩৫ পিএম says : 1
আর যে যাই একটা কাজ ভালই হয়েছে যে অনেকের কষ্ট করে সিল দিতে হয়নি কেননা গিয়ে দেখে তার ভোট দেয়া হয়েে গেছে!!!!
Total Reply(0)
Rabby Zannat ৩ জানুয়ারি, ২০১৯, ৫:৫৯ পিএম says : 0
বাংলাদেশ পুনরাই সাধিন করতে হবে
Total Reply(0)
রুকন উদ্দিন ৩ জানুয়ারি, ২০১৯, ৫:২২ পিএম says : 0
আমার প্বার্শবর্তী ভোট কেন্দ্রে মোট ভোটার ১৯৬৭, ভোট গণনার পর দেখা গেল মোট ভোট দেওয়া হয়েছে ৪৩৩৮!!!!!!!!!!?
Total Reply(0)
Rabby Zannat ৩ জানুয়ারি, ২০১৯, ৫:৫৪ পিএম says : 0
দেশে গণতন্ত্র নাই
Total Reply(0)
Riaz ৩ জানুয়ারি, ২০১৯, ৬:২৮ পিএম says : 0
desher manusher sate durniti korce,,ami prothom vutar vut dite parini,,
Total Reply(0)
nei ৩ জানুয়ারি, ২০১৯, ৬:১১ পিএম says : 0
আমিতো এখনো ভোটার হয়নি,আর দেবার কোনো ইচ্ছাও নেই।
Total Reply(0)
Nadim ahmed ৩ জানুয়ারি, ২০১৯, ৭:১৩ পিএম says : 0
BNP-Jamayat should congratulate Sk. Hasina for achieving hatric of being PM. This is a world record which should be included in the Guinness book of world record. Moreover one of AL leaders was expressing sadly that BNP still has not congratulated them. Without congratulations from BNP their celebration will not be satisfactory.
Total Reply(0)
মো:আমজাদ হোসেন ৩ জানুয়ারি, ২০১৯, ৮:৫০ পিএম says : 0
বাংলাদেশ আওমীলিগ এত উন্নায়ন করেও কেন চুরি কর বোট জিতলো বলতে পারেন কেহ????
Total Reply(0)
Mohib ৩ জানুয়ারি, ২০১৯, ৯:০৩ পিএম says : 0
In our childhood, we were taught to speak the truth which is really absence in the national periphery of Bangladesh where most of the media personnel, civil society personnel, bureaucrats, law enforcing agencies and professionals from many other govt. institutions are telling the lie against the truth. Here, I must congratulate the daily inqilab for publishing the truth. The basis of journalism should never be tilted from the axis of truth; the yellow journalists should learn this lesson from this newspaper. I wish this approach of establishing the truth will always be the key characteristics of the daily inqilab.
Total Reply(0)
বাকরূদ্ধ ৩ জানুয়ারি, ২০১৯, ৮:০৫ পিএম says : 0
ভোট কেন্দ্রে গিয়ে দেখি আমার ভোট দেয়া, একজন এজেন্ট বলল তুমি দেও নাই? তাহলে এখন দিয়ে যাও। আমি হতবাক!!!
Total Reply(0)
Parvez ৩ জানুয়ারি, ২০১৯, ১০:৪৬ পিএম says : 0
কাপুরুষ বাঙালির কথা কি বল????
Total Reply(0)
সোহেল ৩ জানুয়ারি, ২০১৯, ১০:৪৭ পিএম says : 0
৩০ ডিসেম্বর বাংলার মানুষের জন্য একটি অধিকার হরনের ইতিহাস হয়ে রই।
Total Reply(0)
নাম* ৩ জানুয়ারি, ২০১৯, ১০:৫০ পিএম says : 0
কি বল
Total Reply(0)
ashav ৩ জানুয়ারি, ২০১৯, ১১:০২ পিএম says : 0
৩০ তাং নির্বাচনের আগে দেখলাম বিরোধী দলের প্রার্থী কে ভিবিন্ন ভাবে মামলায় হেনস্থা করা হল,তার পর নমিনেসন বাতিল করার জন্য অনেক প্রচেষ্টা,নির্বাচনে প্রচার করতে বাধা দেওয়া,পোস্টার লাগাতে না দেওয়া,সভা সমাবেশ করতে পুলিশ এর অনুমতি না দেওয়া,জনসংযোগে যেসকল নেতা কর্মী যাবে তাদের পুলিশি হয়রানি করা,টোকেন দিতে গেলে পুলিশে দিয়ে দেওয়ার হুমকি দেয়া,পোলিং এজেন্ট হয়ে কেন্দ্রে না যাওয়ার হুমকি দেওয়া,২২০০ ভোটের মধ্যে আগের রাতে ৯ টার পর ৭০০ ভোটে ছিল মারা,৩০ তারিখ সকালে এজেন্ট হয়ে ভোট কেন্দ্রে বিরোধী দলের কাউকে ঢুকতে না দেওয়া,১জন ঢুকার পর তাকে পুলিশের ঘাড়িতে তুলে নিয়ে ৫ টার পর ২০ হাজার টাকার বিনিময়ে ছাড়া,৮-৯ পর্যন্ত ১ ঘন্টার মত সাবাবিক ভোট দিতে দেওয়া তাও চেয়ারম্যান মেম্বর এর পছোন্দ মতো মার্কায় দেওয়া,আমার ভোট টা পাশের বাড়ির ১৬ বসরের এক ছেলে দেওয়া তাও ৭ টার মতো একা দিয়া আসছে তাও শোনা,১০/১১ টার পর ভোট শেষ হয়েগেছে বলে গেট বন্দ করে দেওয়া,যারা বিদেশ আছে বা মারা গেছে তাদের ভোট ও হয়ে যাওয়া ইত্যাদি ইত্যাদি,,,,, আমার সচক্ষে দেখা শোনার নামি কি নির্বাচন,,,,,,,, ছিঃ ছিঃ ছিঃ এ লজ্জর দায় কাকে দেওয়া যায়,,,,ছিঃ ছিঃ ছিঃ,,,
Total Reply(0)
s.i.selim ৪ জানুয়ারি, ২০১৯, ৪:৪৩ এএম says : 0
একটি বাজে নির্বাচন,আমি ও আমার স্ত্রী ভোট দেওয়ার সাহস-ই পেলাম না ! আমার ভাবি ও ভাতিজির ব্যালট পেপার ছিনিয়ে নিয়ে গিয়ে নিজেরাই ভোট দিয়েছে,কেন্দ্র সম্পূর্ণ সরকারী দলের নেতা কর্মীদের অনুকূলে ছিল !
Total Reply(0)
মিলন ৪ জানুয়ারি, ২০১৯, ৭:২৫ এএম says : 0
দেশের ১৭ কুটি মানুষকে যারা ফাঁকি দিয়ে নির্বাচিত হতে পেরেছে এই লজ্জা সরকারের নয়, এটা জনগণের ব্যর্থতা। আমি হতাশ এই জন্যে যে, দেশের শুসিল সমাজ বিক্রি হয়ে গেছে। সাংবাদি, রিপোর্টার, মানবাধিকার সংঘট ও শিক্ষিত সমাজ চুখে কি দেখে আর কি বলে বা লিখে তা আমি বুঝিনা। পরেছি স্বাধিনতা অর্জনের চেয়ে রক্ষা করা কঠিন। আমরা রক্ষা করার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছি। তবে আমি অনূভব করতে পারছি যে, আরও একবার স্বাধীনতা অর্জন করতে হবে। তবে কোন জেনারেশন পারবে সেটাও অনিশ্চিত।
Total Reply(0)
Md Humayun Kabir ৪ জানুয়ারি, ২০১৯, ৮:৩৯ এএম says : 0
কি বলব, ভাষা হারিয়ে ফেলছি। গণতেণ্ত্রর নামে গণতণ্ত্রকে ধ্বংশ করা হচ্ছে।
Total Reply(0)
KhKhorshed ৪ জানুয়ারি, ২০১৯, ৯:৩২ এএম says : 0
বাংলাদেশের মানুষ ভোটের সময় ঈদের মত আনন্দ উপভোগ করত এবং সন্ধ্যা পর্যন্ত সারিবদ্ধভাবে দীর্ঘ লাইন ধরে থাকত। ৩০শে ডিসেম্বর যে নির্বাচন হয়ে গেল তাতে মানুষেরা ভোটে অধিকার থেকে বঞ্চিত হল।আমার সামনে ৮/১০ জন ছেলে বলতে বলতে যাচ্ছে আগামি তে আর আমাদের প্রজন্ম ভোট দিতে আসা লাগবে না।কোন কোন কেন্দ্রে ১১টা হতে রাত ২টার মধ্যেই ১০/১৫টা বই ছীল মেরে রাখা হয়েছে।এ ধরনের তথ্য পাওয়া যায়।মানুষের মনের মধ্যে খুবই খোভ।এটা যে সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ নিরবাচন হয় নাই তা আমরা সাধারণ মানুষ বাংলাদেশের শিক্ষিত ও জ্ঞানী গুণী বিভেক বানদের নিকট সঠিক কথা জানতে চাই।সত্যকে সত্য বলতে শিখেন।আপনারা এভাবে দেশটাকে নষ্ট করে দিবেন না। দেশের ভিতর নিরিহ মানুষ খুবই কষ্টে আছে।মুখ খেলতে পারছে না, এক কথায় আমরা আমাদের ভোট দিতে পারি নাই। আমরা আমাদে নাগরিক অধিকার থেকে বঞ্চিত।এ ভাবে হতে থাকলে এক সময় দেশের ভিতর বিপদ ঢেকে আনবে।
Total Reply(0)
মীযানুর রহমান এখলাশপুরী ৫ জানুয়ারি, ২০১৯, ৫:২৯ পিএম says : 0
সাধারণ মানুষ নির্বাচন ব্যাবস্থার উপর থেকে আস্থা হারিয়ে ফেলেছে, এ ভাবে চলতে থাকলে অদুর ভবিষ্যতে মানুষ ভোট দান থেকে বিমুখ হয়ে যাবে,তখন যদি কোন স্বচ্ছ নির্বাচন ও হয় তখন ভোট কেন্দ্রে প্রিসাইডিং, সহ:প্রিসাইডিং ছাড়া কোন ভোটার কে খুজেঁ পাওয়া যাবে না
Total Reply(0)
রুবেল ৬ জানুয়ারি, ২০১৯, ৪:১৭ পিএম says : 0
কোথায় দেখেন গণতন্ত্রর এর নামেই কি গণতন্ত্রর মানুষকে তার মত প্রকাশ করতে না দেওয়া, যে যখনই ক্ষমতায় থাকে তা প্রতিপক্ষের মানুষের উপর জুর জুলুম করা । কেউ ক্ষমতায় যাওয়ায় জন্য মানুষ হত্যা করে নির্যাতন করে! আবার কেউ ক্ষমতা চিরস্থায়ী করার জন্য বা আজীবন ক্ষমতায় থাকার জন্য সাধারণ মানুষের উপরে নির্যাতন করে মানুষ হত্যা করে এ কেমন গণতন্ত্রর এ কেমন গণতন্ত্রর যে ৪৭ বছর পরেও মানুষ স্বাধীনতাকে খুঁজছে!! এরিই নামই কি গণতন্ত্রর যে/যাঁর ক্ষমতা আছে তাদের ক্ষমতার দাপটে সাধারণ মানুষের অধিকার কেরে নিবে সাধারণ মানুষের উপর নির্যাতন করবে প্রতিহিংসার আগুনে মানুষ মারবে। আমরা আজও স্বাধীনতারকে খুজছি গণতন্ত্র খুজছি স্বাধীনভাবে বাঁচার উপায় খুজছি আমরা আজও জুলুম কারীদের আতে নির্যাতনের শিকার গণতন্ত্র। গণতন্ত্র আজ বাক্স বন্দী। আজকে যদি প্রশ্ন করি স্বাধীনতা তুমি কার উত্তর আসবে জোর যার আমি স্বাধীনতা তার! যদি প্রশ্ন করা হয় গনতন্ত্র তুৃমি কার সে উত্তরে বলবে ক্ষমতা যাঁর তার ।। আজকে কেউ, রাজ বন্দী, কেউবা গৃহ বন্দী, দেশের একতৃতীয়াংশ জনগণ আজ বাক বন্দী। এদিকে ক্ষমতাসীন/ জুলুম কারীরা/শক্তিশালীরা শুরু করছে আজব,আজব, ফন্দি ।।
Total Reply(0)
kamrul ৬ জানুয়ারি, ২০১৯, ৫:৩৬ পিএম says : 0
আমি মনে করি এইবারের নির্বাচন হলো আমার দেখা নির্বাচনগুলোর মধ্যে সবচেয়ে জঘন্য নির্বাচন। আমি আগে জানতাম না যে স্বাধীনতার চেতনা মানে- ভোটের আগের রাতে ব্যালট পেপারে আগেই 60% সিলমেরা রাখা এবং বাকী ভোট গুলো আবার আওয়ামী কর্মী দের সামনে নৌকায় সিল মারতে বাধ্য করা।যেসব কেন্দ্র বিএনপির ভোট 4200 শত সেখানে আওয়ামী কর্মীরা নিজেরাই শুধূ 42 টি ভোট দিয়েছেন এর চেয়ে হাস্যকর আর কি হতে পারে। আমি আমার এক আত্মীয়কে অনুরোধ করে ভোট কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে বলি উনি প্রথমে রাজি হননি তারপর আবার যখন অনুরোধ করলাম তখন তিনি ভোট দিতে গিয়েছিলেন কিন্তু তাকে প্রকাশ্য নৌকা মার্কায় সিল মারতে বাধ্য করা হয় ,বাধ্য হয়ে তিনি নৌকা ভোট দিয়ে চলে আসেন। তার জীবনে কোন দিন নৌকায় ভোট দিননি।এই তো নির্বাচন এই নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে যারা বলেন আমি মনে করি তারা আসলেই মানুষ না।তারা শয়তানের প্রেত্মাতা।এই হলো আমাদের স্বাধীনাতর চেতনা র ফলাফল।
Total Reply(0)
মুক্তি ৯ জানুয়ারি, ২০১৯, ৪:০২ পিএম says : 0
কেউ ক্ষমতা চিরস্থায়ী করার জন্য বা আজীবন ক্ষমতায় থাকার জন্য সাধারণ মানুষের উপরে নির্যাতন করে মানুষ হত্যা করে এ কেমন গণতন্ত্রর এ কেমন গণতন্ত্রর যে ৪৭ বছর পরেও মানুষ স্বাধীনতাকে খুঁজছে!! এরিই নামই কি গণতন্ত্রর যে/যাঁর ক্ষমতা আছে তাদের ক্ষমতার দাপটে সাধারণ মানুষের অধিকার কেরে নিবে সাধারণ মানুষের উপর নির্যাতন করবে প্রতিহিংসার আগুনে মানুষ মারবে। আমরা আজও স্বাধীনতারকে খুজছি গণতন্ত্র খুজছি স্বাধীনভাবে বাঁচার উপায় খুজছি
Total Reply(0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন