ঢাকা, বুধবার, ২১ আগস্ট ২০১৯, ০৬ ভাদ্র ১৪২৬, ১৯ যিলহজ ১৪৪০ হিজরী।

সম্পাদকীয়

সউদী আরবের অমানবিক আচরণ

| প্রকাশের সময় : ১০ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:০৩ এএম

রোহিঙ্গা মুসলমানরা বিশ্বের চরমতম জাতিগত নির্মূলের শিকার। প্রায় পাঁচ দশক ধরে এরা মিয়ানমার বাহিনীর হাতে নির্যাতনের শিকার হয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আশ্রয় নিতে বাধ্য হচ্ছে। বাংলাদেশে বর্তমানে রোহিঙ্গা আশ্রিতদের সংখ্যা ১০ লক্ষাধিক। প্রতিবেশী অন্যান্য দেশেও রোহিঙ্গারা ছড়িয়ে আছে। এদের জাতিগত পরিচয় ও বা স্বীকৃতি না থাকায় অবৈধ পন্থায় বিভিন্ন দেশের পাসপোর্ট সংগ্রহ করে এরা নানান দেশে যাতায়াত ও কর্মসংস্থান করছে। সকলেরই জানা, ইউরোপের দেশগুল্রো মুসলমান অভিবাসিদের প্রশ্নে আইনগতভাবে নমনীয়, মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করেছে। সিরিয়া, ইরাক ও লিবিয়া থেকে পালিয়ে আসা শরনার্থীদের জন্য জার্মান সরকারের উদার দৃষ্টিভঙ্গি ইতিমধ্যে আন্তর্জাতিক শরনার্থী ও মানবাধিকার সংস্থাগুলোর প্রশংসা লাভ করেছে। বাংলাদেশের মত জনসংখ্যার ভারে ন্যুজ, দরিদ্র দেশও মানবিক কারণে এবং বিশ্বসম্প্রদায়ের আহবানে সাড়া দিয়ে ১০ লক্ষাধিক রোহিঙ্গা শরনার্থীর বোঝা গ্রহণ করতে কুণ্ঠিত হয়নি। অথচ মজলুম রোহিঙ্গাদের প্রতি ভারত ও সউদী আরবের মত দেশের অমানবিক আচরণ দু:খজনক। গত বছরের মাঝামাঝি পর্যন্ত যখন প্রতিদিন হাজার হাজার রোহিঙ্গা নাগরিক প্রাণ বাঁচাতে সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করছিল, তখন ভারতের ক্ষমতাসীনরা ভারতে আশ্রয় গ্রহণকারী রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠিয়ে তাদের মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেয়ার ঘোষনা দিয়েছিল। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ও দেশি-বিদেশি মানবাধিকার সংস্থাগুলোর প্রতিবাদের মুখে তারা শেষ পর্যন্ত রোহিঙ্গা বিতাড়নের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসলেও গত অক্টোবরে কিছু সংখ্যক রোহিঙ্গাকে জোরপূর্বক মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দেয়ার ঘটনায় ব্যাপক সমালোচনার সম্মুখীন হয়। এ সপ্তাহে আবারো ৫ সদস্যের একটি রোহিঙ্গা পরিবারকে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দিয়ে আবারো সমালোচনার সম্মুখীন হয়েছে ভারত।
ভারতের হিন্দুত্ববাদি শাসকরা সে সে দেশের স্থায়ী মুসলমানদেরকেও একটি বৈষম্যমূলক অবস্থার মধ্যে ঠেলে দিয়েছে। রোহিঙ্গাদের প্রতি অমানবিক আচরণ তাদের কাছে অস্বাভাবিক নয়। কিন্তু মুসলিম জাহানের পীঠস্থান, মুসলমানদের প্রধান দুই মসজিদের জিম্মাদার হিসেবে সউদী আরবের কাছে বিশ্বের নিপীড়িত মুসলমানরা সদয় ও মানবিক আচরণ প্রত্যাশা করে। গতকাল প্রকাশিত সংবাদে জানা যায়, দীর্ঘদিন সউদী আরবে অবস্থানরত, ভিসা জটিলতার কারনে জেলে আটক এমন অন্তত ১৩ জন রোহিঙ্গাকে সউদী কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশে পাঠিয়েছে। রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব সমস্যা এখন একটি আন্তর্জাতিক মানবিক এজেন্ডা। বিশ্বের অন্যতম নিপীড়িত জনগোষ্ঠি ও গণহত্যার শিকার হাজার হাজার রোহিঙ্গা মুসলমান বহু বছর ধরেই সউদী আরবে আছে। যে সব রোহিঙ্গাকে গত সোমবার বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে, তারাও কমপক্ষে ৬ বছর ধরে সেখানকার বন্দি শিবিরে অবস্থান করছিল বলে জানা যায়। এসব রোহিঙ্গাকে বৈধ কাগজপত্র দিয়ে সউদী আরবে থাকা ও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করার দায়িত্ব সউদী কর্তৃপক্ষ এড়াতে পারে না। শুধুমাত্র পাসপোর্ট জটিলতার কারণে বছরের পর বছর ধরে কারারুদ্ধ রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর আগে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রনালয় বা বাংলাদেশ দূতাবাসকে অবহিত করা হয়েছিল কিনা তা স্পষ্ট নয়। এ ক্ষেত্রে সউদী কর্তৃপক্ষের খামখেয়ালীর পাশাপাশি বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ব্যর্থতাও ধরা পড়ে।
রোহিঙ্গা নাগরিকরা মিয়ানমার সেনাবাহিনী ও বৌদ্ধ সন্ত্রাসীদের দ্বারা যে নৃশংস নিপীড়নের শিকার হচ্ছে তার বিপরীতে বিশ্ব সম্প্রদায়ের ভ‚মিকা খুবই অপ্রতুল। অনেক বড় ঝুঁকি নিয়ে বাংলাদেশ তার মানবিক দায়িত্ব পালন করলেও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ভ‚মিকা এখনো কার্যত লিপ সার্ভিসের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। রোহিঙ্গা সংকট প্রশ্নে সঙ্গতকারণেই বাংলাদেশ সউদী আরবের কাছে আরো ঘনিষ্ট, উদার ও দায়িত্বশীল ভ‚মিকা প্রত্যাশা করে। সে ভ‚মিকা পালনের বদলে আশ্রয়হীন রোহিঙ্গাদের সউদী কারাগার থেকে বাংলাদেশে পাঠানোর হঠকারি সিদ্ধান্ত অনাকাঙ্খিত ও দু:খজনক। রোহিঙ্গা সংকট ইস্যুতে জাতিসংঘসহ বিশ্বসম্প্রদায়ের উদ্যোগগুলো মিয়ানমারের সহযোগীতার অভাবে ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এমতাবস্থায় সউদী আরবসহ ওআইসিভুক্ত দেশগুলোর পক্ষ থেকে আরো দৃঢ়, জোরালো উদ্যোগ প্রয়োজন।মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ একদিকে বাংলাদেশের সাথে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন চুক্তির নাটক করছে অন্যদিকে প্রত্যাবাসন ঠেকাতে নানা অজুহাত দাঁড় করাচ্ছে। সব আন্তর্জাতিক আহবান ও কনভেনশন উপেক্ষা করে মিয়ানমার সরকার আবারো রাখাইনে সেনা অভিযান পরিচালনার ঘোষণা দিয়েছে। এ থেকেই রোহিঙ্গা প্রশ্নে মিয়ানমারের অবস্থান বুঝা যায়। দশ লক্ষাধিক রোহিঙ্গা অভিবাসির বোঝা স্থায়ীভাবে বহনের শক্তি বাংলাদেশের নেই। এই সংকটের ভ‚-রাজনৈতিক সমাধান প্রয়োজন। নাগরিকত্বের প্রশ্ন, মানবিক মর্যাদা ও জীবনের নিরাপত্তার নিশ্চয়তাসহ রাখাইনে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া চুড়ান্ত হওয়ার আগ পর্যন্ত বাংলাদেশে আশ্রিত রোহিঙ্গাদের ভরন-পোষনের ব্যয় মেটাতে পশ্চিমাবিশ্ব ও মধ্যপ্রাচ্যের ধনী দেশগুলোর কাছে আরো উদার দৃষ্টিভঙ্গি প্রত্যাশিত। বছরের পর বছর ধরে সউদী আরবে বসবাসরত রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে পাঠানোর সিদ্ধান্ত সউদী কর্তৃপক্ষ কিভাবে নিল তা আমাদের বোধগম্য নয়। যে কোন বিচারে এটি বাংলাদেশের জন্য অসম্মানজনক ও বিব্রতকর। এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রনালয়কে কার্যকর জরুরী পদক্ষেপ নিতে হবে। সউদী -বাংলাদেশ ভ্রাতৃপ্রতীম সম্পর্ক এবং রোহিঙ্গাদের প্রতি মানবিক দিক বিবেচনায় এ ক্ষেত্রে একটি গ্রহণযোগ্য ও সম্মানজনক সমাধানের উদ্যোগ নিতে হবে।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (24)
Asif Shahriyar ১০ জানুয়ারি, ২০১৯, ১:৪৯ এএম says : 0
অসাধারণ ও সময়উপোযোগী বাস্তবিক বিশ্লেষণ। আসলে সৌদির আচরণে আমরা দিন দিন চরম হতাশ হচ্ছি।
Total Reply(0)
Biman Karmaker ১০ জানুয়ারি, ২০১৯, ১:৪৯ এএম says : 0
Valo to. Aro tel maruk Saudi Arab er. Valobasy voriye dibe tara.
Total Reply(0)
Muhammad Bilal Husayn Quraysh ১০ জানুয়ারি, ২০১৯, ১:৪৯ এএম says : 0
এই সৌদির মুসলমানিত্ব পাক্কা ঈমানদার
Total Reply(0)
Mamun Razzaque ১০ জানুয়ারি, ২০১৯, ১:৪৯ এএম says : 0
are mosolman mosolman bhai bhai to tai ferot pathhachhe
Total Reply(0)
Arsad Hossain ১০ জানুয়ারি, ২০১৯, ১:৫০ এএম says : 0
অন্ডকোষ ছাড়া সরকার হলে যা হয়। জার্মানি থেকে ইন্ডিয়া, পাকিস্তান বা অন্য কোন দেশে ডিপোর্ট করতে পারে না কিন্তু বাংলাদেশে প্রতি মাসেই ফেরত পাঠাচ্ছে
Total Reply(0)
Pulok Sharma ১০ জানুয়ারি, ২০১৯, ১:৫০ এএম says : 0
টেনশন করিয়েন না কেউ বর্মা সরকার আগে থেকে তো জানিয়ে দিয়েছিলো যে মিরসরাই থেকে শুরু করে বাংলাদেশের দক্ষিণের অধের্ক ভুমি বর্মার তো গত একবছর আগে কিছু পাঠিয়েছেন এখন কিছু বিভিন্ন দেশ থেকে যাবে এরপর তো ওরা নিজেরাই বলবে বাংলাদেশ না এইটা আমাদের দেশ মায়ানমার
Total Reply(0)
Gazi Anwarul Islam Gazi ১০ জানুয়ারি, ২০১৯, ১:৫০ এএম says : 0
কি আর বলবো।
Total Reply(0)
সৈয়দ আরিফ পারভেজ ১০ জানুয়ারি, ২০১৯, ১:৫১ এএম says : 0
কেন বাংলাদেশে পাটাবে?? রোহিংগা রা কি বাংলাদেশের নাগরিক??
Total Reply(0)
Sumaiya Hira ১০ জানুয়ারি, ২০১৯, ১:৫১ এএম says : 0
সরকার শুধু বিএনপির কাছেই বাঘ আর অন্য দেশের ক্ষেত্রে ছাগলের চেয়েও অধম ।
Total Reply(0)
Saiful Islam Saiful Islam ১০ জানুয়ারি, ২০১৯, ১:৫২ এএম says : 0
সারা দুনিয়ার যত সমস্যা আছে সব বাংলাদেশ পাঠিয় দিয়ে দেন।এখানে থাকা খাওয়া বিনামূল্যে পাওয়া যায় ।চরম মূল্য দিতে হবে এক দিন বাংলাদেশ কে।
Total Reply(0)
Hassan Mohammed ১০ জানুয়ারি, ২০১৯, ১:৫৩ এএম says : 0
রোহিঙ্গাদের সাথে মন চাইলে কিছু সৌদি নাগরিকও পাঠাইয়া দেন মানবতার দেবী .. এই সরকার প্রয়োজনে সৌদির নাগরিক সহ রোহিঙ্গাদেরকে কোল কইরা কাম্পে নিয়া আসবো
Total Reply(0)
Sujan Moni ১০ জানুয়ারি, ২০১৯, ১:৫৩ এএম says : 0
আল্লাহ্ যে কি মনে করে সৌদি আরবকে ইসলাম রাস্ট্র বানিয়ে ছিল, কারন তাদের কার্যকলাপে মানবতা বলতে কিছু নেই।
Total Reply(0)
খাঁন জিহাদ ১০ জানুয়ারি, ২০১৯, ১:৫৩ এএম says : 0
তারা রোহিঙ্গা ঠিক আছে কিন্তু তাদের সাথে যে পাসপোর্ট সেটা বাংলাদেশের। এখন কথা হলো সৌদি সরকার তাদের কোথায় পাঠাবে? তাই বলাবাহুল্য দোষী সেই বা কতিপয় ব্যক্তি যারা এই কাজে জড়িত। প্রশ্ন হলো প্রত্যেক নাগরিক যখন পাসপোর্ট করে তখন ভ্যারিফিকেশন হয় তাহলে এদের পাসপোর্ট কারা সত্যায়িত করলো?
Total Reply(0)
Masud Jahangir ১০ জানুয়ারি, ২০১৯, ১:৫৪ এএম says : 0
সৌদি রোহিঙ্গা আর ফিলিস্তিনিদের আশ্রয় দেয়নি এখন তারা সারাবিশ্বে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা ইহুদীদের পুনর্বাসন করবে মনে হয়! ইসরাইলই তাদের ভালো বন্ধু।
Total Reply(0)
Masud Jahangir ১০ জানুয়ারি, ২০১৯, ১:৫৪ এএম says : 0
সৌদি রোহিঙ্গা আর ফিলিস্তিনিদের আশ্রয় দেয়নি এখন তারা সারাবিশ্বে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা ইহুদীদের পুনর্বাসন করবে মনে হয়! ইসরাইলই তাদের ভালো বন্ধু।
Total Reply(0)
Obuj Paran ১০ জানুয়ারি, ২০১৯, ১:৫৪ এএম says : 0
সৌদি মুসলমান রাষ্ট্র হয়ে রোহিঙ্গা রাখতে চায় না। ভারত হিন্দু রাষ্ট্র হয়ে কেন রাখবে
Total Reply(1)
Hasan ১০ জানুয়ারি, ২০১৯, ৯:৩২ পিএম says : 0
ভারতকে হিন্দু রাষ্ট্র বলার আগে ভাল করে জেনে নিন পৃথিবীর একমাত্র হিন্দু রাষ্ট্রের নাম কি।
Obuj Paran ১০ জানুয়ারি, ২০১৯, ১:৫৪ এএম says : 0
সৌদি মুসলমান রাষ্ট্র হয়ে রোহিঙ্গা রাখতে চায় না। ভারত হিন্দু রাষ্ট্র হয়ে কেন রাখবে
Total Reply(0)
Biplob Das ১০ জানুয়ারি, ২০১৯, ১:৫৫ এএম says : 0
প্রশ্ন জাগে মনে সোদি আরব তাদেরকে মুসলিম হিসেবে রাখতে চায়না কেন, বড জোর দিয়ে বলা যায় আমরা ভাই ভাই, সোদি দালালরা কোথায় অনুরোদ করেন সোদি সরকারকে
Total Reply(0)
Uzzal Shiny ১০ জানুয়ারি, ২০১৯, ১:৫৫ এএম says : 0
এখানে সৌদি সৌদি দোষ দিয়ে কোন লাভ নাই কারণ উনাদের পাঠাচ্ছেন তারা বাংলাদেশী নাগরিক তাদের কাছে বাংলাদেশের পাসপোর্ট আছে দোষ তাদের না দোষ হচ্ছে বাংলাদেশ ও তার সরকার ব্যবস্থা তাদের হাতে বাংলাদেশি পাসপোর্ট গেল কিভাবে রোহিঙ্গা বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে তাদের পাসপোর্ট বাংলাদেশ এই পাসপোর্ট শুধু আওয়ামী লীগ সরকারের আমলেই তারা পাই নাই বিগত সরকারের আমলেও তারা পাসপোট বানিয়েছে তাদের দোষ দিয়ে কি লাভ আমরা বাঙালি খুব জঘন্য জাত দুটো পয়সার জন্য নিজের মা মেয়েকে অন্যের হাতে তুলে দিন দেশ তো মায়ের সমান সেই দেশের নাগরিকবিধি চুরি করে
Total Reply(0)
Syed Enayet Hossain ১০ জানুয়ারি, ২০১৯, ১:৫৬ এএম says : 0
বাস্তচ্যুত নির্যাতিত রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশ ছাড়া বিশ্বে আর কোথাও আশ্রয় নাই। সব মানবতা কী বাংলাদেশের মানুষের আছে। তাহলে বাংলাদেশ বিশ্ব নেতৃত্ব দিতে অসুবিধা কোথায়?
Total Reply(0)
Shakir Uzzaman ১০ জানুয়ারি, ২০১৯, ১:৫৬ এএম says : 0
রোহিঙ্গারা আসলে সৌদি আরবের বংশধর একথা শিকার করতে সৌদি লজ্জা পাচ্ছে কারণ তারা জানে আরব বনিকেরা ব্যাবসা করতে জাহাজ যোগে এ অঞ্চলে আসলে তাদের জাহাজ ডুবে যায় আর তারা বাচার জন্য রহম রহম করতে থাকে সেই থেকে এদের নাম রোহিঙ্গা ।
Total Reply(0)
Raihan Khan ১০ জানুয়ারি, ২০১৯, ১:৫৬ এএম says : 0
সৌদি আরব জায়গার অভাব নেই তাদের দেশের নাগরিকত্ব দিয়ে দিন আমাদের দেশে অনেক আছে তাহলে আবার কেন এটা কি কোন বিচার হল
Total Reply(0)
jack ali ১০ জানুয়ারি, ২০১৯, ৪:৫৫ পিএম says : 0
If We claim ourselves muslim --than there should be no visa whatsoever---Muslims Visa is Kalim--"ASHHADU ALLA ILAHA ILLALLAH, WA ASHHADU ANNA MUHAMMADAR-RASULULLAH). " When :Muslim rules half of the world---any muslim can travel from India to Spain---So why we are claiming muslim hence we have so many restrictions--Few day ago a Saudi Modern Girl run away from Saudi Arabia ---now she in Thailand ---many country is extremely eager to give her Asylum---Do you know why ??????????????????
Total Reply(0)
Subsa ১১ জানুয়ারি, ২০১৯, ১১:৫৫ পিএম says : 0
বাংলাদেশের মহিলা কর্মীদের উপর প্রায় সব সৌদি গৃহ কর্তার নির্যাতনের আর্তনাদ বাংলাদেশের সকল বিবেকবানদেরই কষ্ট দেয় I কিন্তু একটা পবিত্রদেশের নাগরিকদের এহেন অপবিত্র কাজের বিচার পাওয়া বা চাওয়া প্রায় অসম্ভব I
Total Reply(0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

গত ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন