ঢাকা, মঙ্গলবার ২৩ জুলাই ২০১৯, ০৮ শ্রাবণ ১৪২৬, ১৯ যিলক্বদ ১৪৪০ হিজরী।

জাতীয় সংবাদ

অসুস্থ এরশাদের পাশে নেই স্ত্রী রওশন

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ২০ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:০২ এএম

নাম তার পেয়ারা। পঞ্চাশের দশকের মাঝামাঝি বিয়ের পর দূরে থাকা স্ত্রীকে প্রচুর চিঠি লিখতেন। চিঠিতে তিনি স্ত্রীকে সম্বোধন করতেন ‘হৃদয়ের রানী’ ‘হৃদয়ের ধন’ ‘ওগো মোর জীবন সাথী’ ‘খুশি বউ’ ‘খুশি পাগলী’ ‘সোনা বউ’ ‘খুকু বউ’ ‘ওগো দুষ্টু মেয়ে’ ‘নটি গার্ল’ ‘বিরহিনী’ ইত্যাদি অবিধায়। স্ত্রীর ডাকনাম ডেইজী হওয়ায় ভালবেসে ডাকতেন ডেজু, ডেজুমনি, ডেজুরানী। চিঠির শেষে নিজের পরিচয় লিখতেন ‘পেয়ারা পাগল সাথী’ ‘বড্ড একাকী একজন’ ‘প্রেম-পূজারি’ ‘বিরহী’ ইত্যাদি। ৬২ বছরের সংসার জীবন। স্ত্রীকে নিয়ে বিশ্বের বহুদেশ ঘুরেছেন। ৯ বছর দেশ শাসন করেছেন। স্ত্রীকে রাজনীতিতে এনে এমপি, মন্ত্রী এমনকি জাতীয় সংসদের বিরোধী দলের নেতাও বানিয়েছেন। সেই স্ত্রী এখন অসুস্থ স্বামীর খোঁজ নেন না। গুরুত্বর অসুস্থ স্বামীকে দেখতে যাওয়ার প্রয়োজন বোধ করেন না। যাদের সম্পর্কে এই কথাগুলো বলা হলো তিনি সাবেক প্রেসিডেন্ট হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ও বেগম রওশন এরশাদ। এরশাদের ডাক নাম পেয়ারা ও রওশনের ডাক নাম ডেইজি। ১৯৫৬ সালে বিয়ের পর সেনা কর্মকর্তা স্বামী এরশাদকে চাকরিতে এখানে সেখানে থাকতে হয়। আর পড়াশুনার জন্য স্ত্রী রওশন এরশাদ ডেইজিকে এক বছর থাকতে হয় বাবার বাড়ি ময়মনসিংহে। তখন এইচ এম এরশাদ দূরে থাকা স্ত্রীর বিরহে লেখা চিঠিতে এই শব্দগুলো ব্যবহার করেন। স্বাম-স্ত্রীর সেই স্বর্ণালী দিনগুলো এখন যেন হয়ে গেছে তামাটে।
কবি এরশাদ নিজের আত্মজীবনীতে লিখেছেন, বিয়ের পর সংসার করার জন্য এক বছর অপেক্ষা করতে হয়। রওশন ওদের বাড়িতে থেকে পড়াশোনা করছিল। চাকরির জন্য আমি আজ এখানে কাল ওখানে। সে সময় দূরে থাকা স্বামীরা স্ত্রীদের কাছে চিঠি পাঠাতো। আমিও তার ব্যতিক্রম ছিলাম না। বহু চিঠি লিখেছি; চিঠির প্রথমে রওশনকে অনেকভাবে ‘সম্বোধন’ করতাম।
সিএমএইচ থেকে গতকাল দুুপুরে এইচ এম এরশাদকে বারীধারার দূতাবাস রোডের বাসা প্রেসিডেন্ট পার্কে আনা হয়েছে। গুরুত্বর অসুস্থ এরশাদকে চিকিৎসার জন্য আজ দুপুরে নেয়া হবে সিংগাপুরে। রোগীর সঙ্গী হিসেবে যাচ্ছেন জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য মেজর (অব.) খালেদ আখতার, এরশাদের ছোট ভাই হুসেইন মোর্শেদ এবং হুসেইন মোর্শেদের স্ত্রী রুখসানা খান মোর্শেদ। দীর্ঘদিন থেকে অসুস্থ এরশাদের পাশে থাকা দূরের কথা ৬২ বছরের দাম্পত্য জীবনের সঙ্গী স্ত্রী রওশন গুলশানের বাসা থেকে কয়েক মিনিটের পথ বারীধারায় গিয়ে স্বামী এরশাদকে দেখার প্রয়োজন বোধ করেননি। উল্লেখ এইচ এম এরশাদ ও বেগম রওশন এরশাদ দীর্ঘ প্রায় ২০ বছর ধরে আলাদা ভাবে বসবাস করছেন। রওশন এরশাদ গুলশানে আর এরশাদ থাকেন বারীধারার দূতাবাস রোডের ১০ নম্বর প্রেসিডেন্ট পার্কে। বিদিশার সঙ্গে বিয়ের পর এরশাদ গুলশানের বাসা চেড়ে প্রেসিডেন্ট পার্কে চলে যান। বিদিশার সঙ্গে ছাড়াছাড়ি হয়ে গেলেও এরশাদ ও রওশন এক ছাদের নীচে আসেননি। তবে রাজনীতিটা এখনো এক দলেই করছেন।
বাংলাদেশের রাজনীতির বহুল আলোচিত চরিত্র এরশাদ। আনপ্রেডিক্টেবল, পল্ট্রিবাজ, ভেল্কিবাজ নানান নামে তিনি দেশের রাজনীতিতে পরিচিত। ’১৯৯৬ সালের নির্বাচনে জাপার সমর্থনে আওয়ামী লীগ ২১ বছর পর সরকার গঠন করে। এর কিছুদিন পর কারাগার থেকে মুক্তি পান এরশাদ। অতপর তার রাজনীতি ভেল্কিবাজী নিয়ে বছরের পর বছর চলছে আলোচনা-সমালোচনা-বিতর্কের ঝড়। কারাগারে থেকেই ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান চৌধুরীকে চিঠি লিখে রওশন এরশাদকে জাপার প্রেসিডিয়াম সদস্য করেন। পর্যায়ক্রমে স্ত্রীকে কয়েকবার এমপি, মন্ত্রী, সংসদে বিরোধী দলীয় নেতা করেন। বিদিশাকে বিয়ে করার কারণে স্বামী-স্ত্রীর বিরোধের পর তারা পৃথক বসবাস শুরু করেন।
স্বামী-স্ত্রীর রাজনীতি নিয়ে বিরোধের সুত্রপাত ঘটে ২০০৭ সালে। ২২ জানুয়ারির বিতর্কিত নির্বাচনকে ইস্যু করে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক বিরোধ রাজনৈতিক বিরোধ রুপ নেয়। এরশাদ আন্দোলনরত আওয়ামী লীগের পক্ষ্যে অবস্থান নিয়ে মহাজোট আর রওশন এরশাদ বিএনপির ইচ্ছানুযায়ী প্রেসিডেন্ট প্রফেসর ইয়াজউদ্দিনের নেতৃত্বাধীন তত্ত¡াবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন করতে লাঙ্গলের প্রার্থী দেন। দেশের টলটলায়মান রাজনীতির মধ্যে সে সময় জাতীয় পার্টি থেকে স্বামী এরশাদকে বহিস্কার করে রওশন এরশাদ নিজে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও গোলাম মসিহ (বর্তমানে সউদীকে কর্মরত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত) মহাসচিব করেন। এরশাদও অনেকটা বাধ্য হয়ে ব্যারিষ্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদকে পার্টির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান করেন। পরবর্তীতে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ ও গাইবান্ধা থেকে তিনটি আসনে প্রার্থী হয়ে রওশন পরাজিত হন। এরশাদ রংপুরের চেড়ে দেয়া আসনে উপনির্বাচনে স্ত্রী রওশনকে এমপি করেন। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির বিতর্কিত নির্বাচনের কাহিনী সবার জানা। এরশাদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে স্বামীকে হাসপাতালে রেখে রওশন এরশাদ নির্বাচনে অংশ নেন এবং জাতীয় সংসদে বিরোধী দলের নেতা হন। গুরুমারা শিষ্যের মতোই সংসদে নিজের অধীনে স্বামী এরশাদকে রাজনীতি করতে বাধ্য করেন।
গত কয়েক বছরে স্বামী-স্ত্রীর বিরোধী বহুবার পত্রিকার শিরোনাম হয়েছে। মন্ত্রিসভা থেকে জাতীয় পার্টির মন্ত্রীদের পদত্যাগ করা না করা নিয়ে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে কয়েকবার ঝগড়া হয়। যা জাতীয়তাবাদী ও ইসলামী মূল্যবোধে বিশ্বাসী দল জাতীয় পার্টিকে আওয়ামী লীগের বি-টীমে রুপান্তর ঘটানো হয়। জাতীয় পার্টি এখন কার্যত গল্পের গণিমিয়া। নিজস্ব কোনো রাজনীতি নেই; আওয়ামী লীগ যা বলে তাই তাদের করতে হয়।
এরশাদ অনেকদিন থেকে অসুস্থ। গত এক বছরে বেশ কয়েকবার সিংগাপুর গেছেন চিকিৎসা নিতে। কয়েক মাস থেকে বাসায় থাকার চেয়ে হাসপাতালেই তিনি বেশি নিরাপদবোধ করেন। তারপরও স্ত্রীর মন গলেনি! স্বামী-স্ত্রীর সবশেষ বিরোধ বাধে ২০১৮ সালের অক্টোবর মাসে ভাই জিএম কাদেরকে দলের কো চেয়ারম্যান করায়। এই সিদ্ধান্তে স্বামী এরশাদের প্রতি ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন রওশন। ভাঙ্গনের মুখে পড়ে দল। শেষ পর্যন্ত রওশন এরশাদকে সিনিয়র কো চেয়ারম্যান পদে বসানো হয়। সম্প্রতি এরশাদ তার অবর্তমানে দলের চেয়ারম্যান পদ জিএম কাদেরের নামে ‘উইল’ করে দেন। গত ১৮ জানুয়ারীও এক বার্তায় জিএম কাদেরকে তার অবর্তমানে দলের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দেয়া হয়। এ অবস্থায় চিকিৎসার জন্য বিদেশ যাচ্ছেন এরশাদ। গতকাল এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত জানা গেছে এরশাদ পরিবারের সব সদস্যই এরশাদের খোঁজখবর নিচ্ছেন। আত্মীয়-স্বজন ও দলের নেতাকর্মীরা খোঁজখবর নিচ্ছেন। কিন্তু রওশন এরশাদ অসুস্থ স্বামী এরশাদকে দেখতে যাননি।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (31)
Mohammed Enam ২০ জানুয়ারি, ২০১৯, ১:০১ এএম says : 10
জাতীর অভিশপ্ত বোনের এই ভাইয়ের করুণ পরিণতি থেকে সেই বোনের শিক্ষা নেওয়ার দরকার, জালিমদের মৃত্যুতে কেউ দুঃখিত হয়না।
Total Reply(0)
Guljar Ahmed ২০ জানুয়ারি, ২০১৯, ১:০২ এএম says : 3
প্লিজ সবাই এরশাদ চাচার জন্য মোনাজাত ধরেন।বিশ্বাস করেন চাচা এখন কোনো অভিনয় করছেন না। চাচাকে আপনারা নির্বাচনী রুগী, জাতীয় রুগী কিংবা অন্যকোনো রগী বলেন না কেনো এবার কিন্তু সত্যি চাচা অনেক অসুস্থ।সবাই মোনাজাত করবেন চাচার জন্য যাতে তিনি সুস্থ হয়ে আবার আমাদের মাঝে ফিরে আসেন।সত্যি ভাবতেই অনেক কষ্ট লাগে চাচার কিছু হয়ে গেলে আমরা যে বিনোদন শূন্য হয়ে যাবো
Total Reply(0)
Khaled Hossain ২০ জানুয়ারি, ২০১৯, ১:০২ এএম says : 5
সামান্য একটু ক্ষমতার জন্য মানুষ কত কিছু করে,এরশাদ থেকে যেন এদেশের মানুষ কিছু শিক্ষা নেয়।
Total Reply(0)
Nobab Humayun Habib ২০ জানুয়ারি, ২০১৯, ১:০৩ এএম says : 5
বৃদ্ধকালে প্রকৃত ভালবাসার প্রকাশ পায় আহারে কাকার কি অবস্থা
Total Reply(0)
Jalal Uddin ২০ জানুয়ারি, ২০১৯, ১:০৩ এএম says : 6
এরশাদের পতি মানুষের এত ঘৃণা কেন। এত ঘৃনাতো মানুষ হিটলার কেও করে নাই। এরশাদ লোক হিসেবে খারাপ নয়। তার ডান বামের লোক খারাপ।
Total Reply(0)
Jahir Ebrahim ২০ জানুয়ারি, ২০১৯, ১:০৩ এএম says : 0
ওর কপালে দেশের মানুষের ঘৃনা ব্যতিত কিছু থাকার নয়। গতকাল পত্রিকায় দেখলাম মুহিত সাহেবের মন্ত্রীত্ব যাওয়ার সাথে সাথেই সে একাকীত্ব বোধ করছেন।
Total Reply(0)
Kamrul Sojol ২০ জানুয়ারি, ২০১৯, ১:০৪ এএম says : 7
কাকু মারা গেলে তার লাশটা মমি করে রাখা হবে। ফেরউনের মত, যাতে করে ভবিষ্যৎ পজন্ম জানতে পারে সে জাতীয় বেইমান ছিল।
Total Reply(1)
Md. Enayet Hossain Lin ২০ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:৪২ পিএম says : 4
এরশাদ সাহেব জাতীয় বেঈমান নয়, এরশাদ সাহেব আধুনিক বাংলাদেশ গড়ার কারিগর, তাকে কটুক্তি করলে দাদ ভাংগা জবাব দিব,....
Abdullah Md Kadir ২০ জানুয়ারি, ২০১৯, ১:০৫ এএম says : 1
এরশাদ এর অনেক অবধান আছে দেশের উন্নয়নে.. কিন্তু কিছু কারনে বদনামবী আছে.. কিছু সিদ্ধান্ত আওয়ামী লীগের কারনে ভেস্তে গেছে,, যার কারনে অনেকের কাছে উনি শত্রু।
Total Reply(1)
ETIMI ২০ জানুয়ারি, ২০১৯, ১০:৩৯ এএম says : 1
THIK BOLCHO
Md Faruk Islam ২০ জানুয়ারি, ২০১৯, ১:০৫ এএম says : 0
আল্লাহর মাইর দুনিয়ার বাহির, সত্যের পথে চললে কতো ভালো হতো।
Total Reply(0)
Fahim Rezwan ২০ জানুয়ারি, ২০১৯, ১:০৬ এএম says : 0
আফসোস।। কি নিদারুণ অবস্থা!! আরো কি করুন পরিনতি অপেক্ষা করছে আল্লাহ ই ভালো জানেন।।
Total Reply(0)
Istiac Mahmud Milon ২০ জানুয়ারি, ২০১৯, ১:০৭ এএম says : 0
এরশাদ সাহেব কে শেষ করার জন্য রওশন এরশাদ ই দায়ী।আবার নামের শেষে এরশাদ ব্যাবহার করতে হয়।তাকে কি দেননি এরশাদ সাহেব।
Total Reply(0)
আমি হুমাইরার আব্বু ২০ জানুয়ারি, ২০১৯, ১:০৭ এএম says : 0
আহ কাকুর জন্য আফসোস হয় সারা জীবন পল্টিই মারলেন।
Total Reply(0)
Kaziabul Kashem ২০ জানুয়ারি, ২০১৯, ১:০৮ এএম says : 0
এক্সপায়ার ডেট ওভার । ধারেকাছে ঘেষলে ছোঁয়াচে মরন ব্যাধি হবে ।
Total Reply(0)
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ২০ জানুয়ারি, ২০১৯, ১:০৮ এএম says : 0
জাতিয় পার্টি সত্যি একটা বিনোদনের নাম।
Total Reply(0)
Jashim Sarker ২০ জানুয়ারি, ২০১৯, ১:০৯ এএম says : 0
স্ত্রী নাই কি হয়েছে বোন তো আছে।
Total Reply(0)
Kazal Mahmud ২০ জানুয়ারি, ২০১৯, ১:০৯ এএম says : 0
এটাই স্বাভাবিক,,,,,,বোঈমানের পাশে কেউ থাকে না জীবনের শেষ প্রান্তে
Total Reply(0)
Mohammed Kowaj Ali khan ২০ জানুয়ারি, ২০১৯, ৬:১৯ এএম says : 0
আল্লাহ, আল্লা, বলো ভাইরে নবী করো সার নবীজীর কলিমা পইরা হইয়া যাইবায় পার। জনাব এরশাদ সাহেব হয়তো আপনি আমার এই লেখাটুকু পড়ার সুযোগ না ও পাইতে পারেন আর যদি সুযোগ পান তবে ভালো। আপনার জন্য দুঃখ হয় ক্ষমতা পাইয়াছিলেন কিন্ত ক্ষমতাকে সৎ পথে পরিচালিত করিতে পারিলেন না। এখন আপনার অন্তিম সময় অন্তিম সময় ও এমন এক নিকৃষ্ট সংঘ দিলেন। আল্লাহ তা'আলার দরবারে কি জবাব দিবেন? দাঁড়ি ও রাখিলেন না। এক কাজ করেন এখন হইতে যত দিন বাঁচিয়া আছেন দাঁড়ি রাখেন আর তওবা করেন। আল্লাহ তা'আলাকে বেশি বেশি ডাকেন। শান্তি পাইবেন। ইনশাআল্লাহ।
Total Reply(0)
মোঃ মিজানুর রহমান ২০ জানুয়ারি, ২০১৯, ১:০১ পিএম says : 0
উনি ওনার স্ত্রীরোগ জন্যই নিজের প্রচুর বদনাম কুড়িয়েছেন যার ফলশ্রুতিতে মানুষজন উনাকে জাতীয় বেঈমান নামেও ডাকে।আর বর্তমান রাজনীতিতে গণতান্ত্রিকতার বাধার পিছনে তাঁর অবদান অনেক বেশী।সরকারের ২০১৪ এবং ২০১৮ এর প্রহসনের নির্বাচন তাঁর এবং তাঁর স্ত্রীর সমর্থনের ফল।
Total Reply(0)
Hasan ২০ জানুয়ারি, ২০১৯, ১০:১৭ এএম says : 0
জীবনের প্রকৃত তাৎপর্য উপলব্ধি না করে পৃথিবীতে হেঁয়ালি ও উদাসীন জীবন যাপনই অনেক ক্ষেত্রে মানুষের জীবনে এমন করুণ অবস্থার কারণ হয়ে থাকে। কাজেই উক্ত অবস্থাটি আমাদের শিক্ষা গ্রহণ ও সতর্ক হওয়ার উপকরণ হতে পারে।
Total Reply(0)
Dr. S. M. Shamsur Rahman ২০ জানুয়ারি, ২০১৯, ৪:০১ পিএম says : 0
মন্দ হোক ভালো হোক প্রতিটি প্রাণিকেই মৃত্যুবরণ করতে হবে। আমরা যারা এরশাদের সমালোচনা করছি তাদের অধিকাংশই হয়তো নিজের এলাকায় ৫ হাজার মানুষেরও সমর্থন পাবোনা। অথচ ১৯৯০ এর গণ আন্দোলনের পর জেলে থেকেই '৯১ এর তত্বাবধায়ক সরকারের অধীন নির্বাচনে ৫টি সংসদীয় আসনে বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছিলেন। এরশাদ প্রশাসনিক সংস্কারের মাধ্যমে উপজেলা পরিষদ গঠন করে এ দেশের স্হানীয় সরকার ব্যবস্থায় একটা বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছিলেন। সে ধারাটা আজ অবধি অব্যাহত থাকলে আমলা নির্ভরতা ক্রমান্বয়ে কমে আসতো। উন্নয়নে জনগণের সরাসরি অংশগ্রহণ নিশ্চিত হতে পারতো। কিন্তু '৯১ এ নির্বাচিত বিএনপি সরকার ভাল-মন্দ কিছুই বিবেচনা না করে কেবলমাত্র এরশাদের প্রতি ঈর্ষাপরায়নতার কারণে এক কলমের খোঁচায় উপজেলা পরিষদ বাতিল করে দেয়। পরবর্তীকালে মাননীয় সাংসদবর্গ এবং প্রভাবশালী মন্ত্রী-আমলাগণের বিরোধিতার কারণে উপজেলা পরিষদ আর তেমনভাবে কার্যকর হয়ে উঠেনি। মাননীয় আইন প্রণেতাগণ স্থানীয় পর্যায়ে উন্নয়ন কর্মকান্ডে অধিক আগ্রহী হয়ে উঠায় উপজেলা পরিষদ ব্যবস্থাটাকে প্রকৃতপক্ষে অকার্যকর করেই রাখা হয়েছে, যা সত্যিকার অর্থে দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রার জন্য সহায়ক নয়।
Total Reply(0)
Md. Enayet Hossain Lin ২০ জানুয়ারি, ২০১৯, ১১:১২ এএম says : 2
সাবেক রাষ্ট্রপতিকে অবমাননাকর মন্তব্য করায় আমি আন্তরিকভাবে দু:খীত ।
Total Reply(0)
আলতাফ হোঃ ভাট্টি ২০ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:৫৬ পিএম says : 1
আমরা খুশিমত অনেক মন্তব্যকরে কয়েক মুহুর্তের জন্য পরিচিত হতে পরি,,,,কিন্তু তার আমলের সংস্কারমূলক কর্মমকান্ড ও উন্নয়ন ফিরিস্তির জন্য হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ইতিহাসে অমর হয়ে থাকবেন
Total Reply(0)
md. shahidul islam ২০ জানুয়ারি, ২০১৯, ১১:৩৭ এএম says : 0
apni akon bujben jibon ta ki .
Total Reply(0)
md. shahidul islam ২০ জানুয়ারি, ২০১৯, ১১:৩৮ এএম says : 0
jibon ta khub real
Total Reply(0)
Borhan Ud -dbin ২০ জানুয়ারি, ২০১৯, ৫:৩৩ পিএম says : 0
স্যারকে রোহিঙ্গাদের নেতা মনে হচ্ছে। সময় কিছুটা আছে তওবা করার, যদিও কবুল হলে আর কি..
Total Reply(0)
MD SABBIR HOSSAIN ২১ জানুয়ারি, ২০১৯, ১:১০ এএম says : 0
আল্লাহর মারই দুনিয়ার বাইর। রওশন এরশাদ শাস্তি আল্লাহ অবশ্যই দিবেন।
Total Reply(0)
MD SABBIR HOSSAIN ২১ জানুয়ারি, ২০১৯, ১:১১ এএম says : 0
আল্লাহর মারই দুনিয়ার বাইর। রওশন এরশাদ শাস্তি আল্লাহ অবশ্যই দিবেন।
Total Reply(0)
Mohammad Maniruzzaman ২১ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:৩৭ পিএম says : 0
কাকা এবার সত্য বলে যান । এখন কেউ জেলে দিতে পারবে না । ফাসিও না ।
Total Reply(0)
আলমগীর সিদ্দীক ২১ জানুয়ারি, ২০১৯, ৪:৩০ পিএম says : 0
চাচাকি সত্যিই অসুস্হ্য গুজব নাতো? এ সরকারের আমলে গুজব আর সত্য পার্থক্য করতে পারিনা।
Total Reply(0)
arifa ২২ জানুয়ারি, ২০১৯, ৬:০৩ এএম says : 0
uni je doler honna keno,sobar uchit manush hisebe tar passe thaka.allah unar suchtota dan korun.
Total Reply(0)
saiful islam ২৩ জানুয়ারি, ২০১৯, ১:০৭ পিএম says : 0
onek valo luk specialy i like .
Total Reply(0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

গত ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন