ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২০, ১১ কার্তিক ১৪২৭, ০৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪২ হিজরী

জাতীয় সংবাদ

পাসের হার বাড়লেও আরো ভালো ফল চান শিক্ষামন্ত্রী

প্রকাশের সময় : ১২ মে, ২০১৬, ১২:০০ এএম

স্টাফ রিপোর্টার : চলতি বছর এসএসসি, দাখিল ও সমমানের পরীক্ষায় পাসের হার বাড়লেও আরও ভালো ফল প্রত্যাশা করেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। গতকাল (বুধবার) ফল প্রকাশ উপলক্ষে সচিবালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ফলাফলে অসন্তুষ্ট নই, কিন্তু আমরা আরও ভালো চাই। আমাদের ছেলেমেয়েরা যত ভালো করবে আমরা ততই উৎসাহিত হব। আমি অসন্তুষ্ট এ কথা মোটেই বলব না। যারা পাস করেছেন তাদের অভিনন্দন-শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। পরীক্ষায় যারা পাস করতে
পারেনি তাদের হতাশ না হওয়ার আহ্বান জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, পরীক্ষায় পাস-ফেল করা অনেক সময় নানা বিষয়ের ওপর নির্ভর করে। আমরা আশা করব ভবিষ্যতে তারা ভালো প্রস্তুতি নিয়ে ভালো ফল করবে। আমরা খুশি আছি কিন্তু আমরা অনেক বেশি খুশি হতে চাই। সবাই যেন ভালো করতে পারে সেই চেষ্টাই আমরা করে যাচ্ছি। পরীক্ষা শুরুর আগেই নৈর্ব্যক্তিক (এমসিকিউ) প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগের বিষয়ে নাহিদ বলেন, আগামী বছর থেকে এমসিকিউ অংশের প্রশ্ন থেকে ১০ নম্বর কমিয়ে আনার সিদ্ধান্ত হয়েছে। আগে পরীক্ষার শেষে এমসিকিউ নেওয়া হলেও এবার থেকে শুরুতে এমসিকিউ অংশের পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে। নকলের প্রবণতা আমরা কমিয়ে নিয়ে আসছি। প্রশ্ন ফাঁস হওয়াও এখন আর সম্ভব নয়। আমাদের পরীক্ষাগুলোর উন্নতি হয়েছে। বলছি না একেবারে পারফেক্ট হয়ে গেছে। বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডে পাসের হারে হেরফেরের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, শিক্ষার্থীরা যেভাবে পরীক্ষা দিয়েছে সেভাবেই মূল্যায়িত হয়েছে। তবে প্রত্যেক বোর্ড ফলাফল মূল্যায়ন করবে। এর আগে যেসব প্রতিষ্ঠান থেকে কেউ পাস করতে পারেনি সেগুলোর বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং এর ফলও পাওয়া যাচ্ছে বলে জানান নাহিদ। যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভালো ফল হয়নি সেগুলোকে চিহ্নিত করে শিক্ষার্থীদের অতিরিক্ত ক্লাস নেওয়া হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ইংরেজি ও গণিতের জন্য আলাদা করে আট হাজার স্কুলে অতিরিক্ত ক্লাস নেওয়া হচ্ছে। ১১ লাখ অতিরিক্ত ক্লাস নেওয়া হয়েছে। এই প্রক্রিয়া চলতে থাকবে। ঘাটতি পূরণের যে প্রচেষ্টা নেওয়া হয়েছে তার ফলও আমরা পাচ্ছি। এবারের ফল বিশ্লেষণ করে দেখব, এরপর মূল্যায়ন করে ব্যবস্থা নেব। গণিতে সৃজনশীল পদ্ধতি চালুর বিষয়ে নাহিদ বলেন, শিক্ষাবিদসহ বিভিন্নজনের পরামর্শ নিয়েই সৃজনশীল পদ্ধতি চালু করা হয়েছে। সব কিছুর ক্ষেত্রেই প্রথমটা কষ্টকর। এসময় শিক্ষা সচিব মোঃ সোহরাব হোসাইন, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রফেসর ফাহিমা খাতুন ছাড়াও বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যান এবং মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

গত ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন