ঢাকা, রোববার, ২১ এপ্রিল ২০১৯, ৮ বৈশাখ ১৪২৬, ১৪ শাবান ১৪৪০ হিজরী।

সম্পাদকীয়

আমাদের সিভিল সার্ভেন্টদের ভারতে প্রশিক্ষণের প্রয়োজন নেই

| প্রকাশের সময় : ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ১২:০৪ এএম


পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেনের প্রথম ভারত সফরের সময় দু’দেশের মধ্যে চারটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। এর মধ্যে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য সমঝোতা স্মারকটি হলো, বাংলাদেশের সরকারি কর্মকর্তাদের ভারতে প্রশিক্ষণ সংক্রান্ত। এই সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী, বাংলাদেশের সিভিল সার্ভিসের এক হাজার ৮০০ মধ্যম পর্যায়ের কর্মকর্তা ভারতে প্রশিক্ষণ লাভ করবেন। সমঝোতা স্মারকটি নিয়ে ইতোমধ্যেই বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠেছে। অনেকেই বিস্ময় ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। কেউ কেউ উদ্বেগ ও হতাশা ব্যক্ত করেছেন। স্বাধীনতার এত বছর পর সিভিল সার্ভেন্টেদের প্রশিক্ষণের জন্য ভারতের দ্বারস্থ হতে হবে, এটা দেশের জন্য অত্যন্ত অমাননাকর। একইসঙ্গে আমাদের দৈন্যের প্রকাশ ও পরনির্ভরশীলতার উদাহরণ। একদা আমাদের দেশে শক্তিশালী আমলাতন্ত্র গড়ে উঠেছিল। পাকিস্তান আমলে সিএসপিদের শিক্ষা, দক্ষতা ও যোগ্যতা বিশ্বের যে কোনো উন্নত দেশের শীর্ষ আমলাদের সমপর্যায়ের ছিল। স্বীকার করতে কুণ্ঠা নেই, পাকিস্তান আমলের আমলাতন্ত্রের সেই ধারাবাহিকতা স্বাধীনতার পর ধরে রাখা সম্ভব হয়নি। কেন হয়নি সেটাও কারো অজানা নেই। কিন্তু এমন হীনতা দেখা দেয়নি যে, আমলাদের দক্ষতা-যোগ্যতার উন্নয়নে ভারতে প্রশিক্ষণ নিতে পাঠাতে হবে। তাছাড়া, ভারতের আমলাতন্ত্র এরূপ আহামরি হয়ে ওঠেনি যে, যেখান থেকে আমাদের আমলাদের প্রশিক্ষণ নিতে হবে। উত্তরাধিকারসূত্রে ভারত যে আমলাতন্ত্র লাভ করেছে, বাংলাদেশও সেই আমলাতন্ত্রই লাভ করেছে। প্রতি তুলনায় বাংলাদেশে কিছু অবনমন ঘটলেও সেটা এমন কিছু নয় যে, কাটিয়ে ওঠা যাবে না। তার জন্য ভারতে যাওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই। খুব দরকার হলে ইউরোপ-আমেরিকায় কিছু সংখ্যক আমলাকে উন্নত প্রশিক্ষণের জন্য পাঠানো যেতে পারে। সেটাও একসঙ্গে এত বিপুল সংখ্যকের নয়।
দক্ষ ও যোগ্য আমলা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে আমাদের যে আয়োজন আছে, তা মোটেই ন্যূন নয়। যথেষ্ট বলেই অভিমত দিয়েছেন সাবেক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এবং তত্ত¡াবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা এম হাফিজউদ্দীন খান। তিনি বলেছেন, সরকারি কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণের জন্য যা যা দরকার তার সবই আমাদের আছে। চাকরির শুরু এবং মাঝপথেও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা আছে। এতে আমাদের ঘাটতি নেই। এইসঙ্গে তিনি স্পষ্টই বলেছেন, ভারতে বাংলাদেশের সরকারি কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ নিয়ে কোনো লাভ হবে না। যেখানে তারা কেন প্রশিক্ষণ নিতে যাবে? তার মতে, তাজমহল দেখা ও বউয়ের শাড়ি কেনা ছাড়া ভারতে আমলাদের প্রশিক্ষণ পাওয়ার কিছু নেই। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ড. মাহবুবউল্লাহ বিষয়টি একটু অন্যভাবে দেখার চেষ্টা করেছেন। তিনি বলেছেন, ভারতে গিয়ে আমাদের সরকারি কর্মকর্তারা কী প্রশিক্ষণ নেবেন, সেটা একটা বড় বিষয়। ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা ‘র’-এর সাবেক কর্মকর্তাদের লেখা বিভিন্ন বই পড়ে আমরা সেটা জানি সেটা হলো, তারা খুব গভীরে তৎপরতা চালান। রাষ্ট্রের স্বার্থে তারা কোনো ছাড় দেন না। রাষ্ট্রের স্বার্থে তারা যেসব কাজ করেন তা আমাদের অনুকূলে নাও হতে পারে। সে জন্য এ ধরনের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের আগে গভীরভাবে ভাবার দরকার ছিল। দেশেও এ নিয়ে আগে আলোচনা হতে পারত। তিনি প্রসঙ্গত এও বলেছেন, ভারতের সঙ্গে আমাদের বহু অমীমাংসিত ইস্যু রয়েছে। এ অবস্থায় যেখানে ভারতের কর্মকর্তাদের সাথে আমাদের দেশের কর্মকর্তাদের বিভিন্ন ইস্যুতে একই টেবিলে বসে দরকষাকষি করতে হয় সেখানে তাদের কাছ থেকে প্রশিক্ষণ নিলে আলোচনার টেবিলে আমাদের কর্মকর্তাদের মনোভঙ্গি কী দাঁড়ায় সেটা একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বলা বাহুল্য, তার এসব কথাও অত্যন্ত প্রনিধানযোগ্য।
অতীতে আমাদের যেখানে দক্ষ আমলাতন্ত্রের ঐতিহ্য আছে এবং এখন আমলাদের প্রশিক্ষণের যাবতীয় আয়োজন ও ব্যবস্থা মজুদ আছে, সেখানে আমলাদের দক্ষতা-যোগ্যতা বাড়ানোর জন্য পরমুখাপেক্ষী হওয়া আত্মবিশ্বাসহীনতারই লক্ষণ। আমরাই আমাদের আমলাদের উপযুক্ত করে গড়ে তুলতে পারি যদি থাকে প্রতিজ্ঞা এবং যথাযথ উদ্যোগ ও পদক্ষেপ। এ বিষয়ে কেউ দ্বিমত পোষণ করবেন না যে, আমাদের আমলাতন্ত্রে যে দুর্বলতা ও ঘাটতি লক্ষ্য করা যায়, তার জন্য দলীয়করণ, আত্মীয়করণ এবং বিশেষ বিশেষ এলাকার লোকদের প্রাধান্য দেওয়াই মূলত দায়ী। আমলাদের দক্ষতা নির্ভর করে উপযুক্ত শিক্ষা, স্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়া, প্রশিক্ষণ এবং ন্যায়সঙ্গত পদোন্নতিতে। এগুলোর ব্যতিক্রম ঘটার কারণে আমলাতন্ত্রের মান দিনকে দিন পড়ে যাচ্ছে। কারণ যেহেতু অজানা নয়, সুতরাং এ অবস্থা থেকে উত্তরণও কঠিন হওয়ার কথা নয়। কোনো দেশেই প্রশিক্ষণে পাঠিয়ে দক্ষ, যোগ্য, মানসম্পন্ন আমলা তৈরি করা যাবে না যদি না, উচ্চশিক্ষিত ও মেধাসম্পন্ন ব্যক্তিদের প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে নিয়োগ প্রদান, উপযুক্ত প্রশিক্ষণ দান ও পদায়ন করা হয়। এদিকেই আমাদের নজর দিতে হবে; বিদেশে প্রশিক্ষণে নয়। এই বিবেচনা থেকেই আমরা আশা করি, আমাদের সিভিল সার্ভেন্টদের ভারতে প্রশিক্ষণ দেয়ার বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করা হবে।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (20)
Monir Hossain ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ১:৪৮ এএম says : 0
এই প্রশিক্ষনের একমাত্র উদ্দেশ্য হলো বাংলাদেশের প্রশাসনে ভারত পন্থী আমলা তৈরি করা।যাতে এরা চীনপন্থী না হতে পারে।আপনি যখন ভারত থেকে প্রশিক্ষন নিয়ে প্রশাসনে বসবেন তখন ভারতের ফাইল গুলো টপ টপ করে পাশ করে দিবেন।তাই নয় কি??যেমন করে নিজেদের প্রয়োজনে ভুটানের সৈন্যদের জোর করে প্রশিক্ষন দেয় ভারত।
Total Reply(1)
Mohammed Shah Alam Khan ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ১২:২৩ এএম says : 0
ভাই সাহেব আপনি কি জানেন কেন '৭৫ সালে জাতীর জনকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছিল??? আমি যদি বলি ভারতের হাতও ছিল কারন জনক তখন ভারতের স্বার্থ কম দেখছিল কিন্তু পাকিদের সাথে... আপনি কি জানেন জিয়া মিয়া ইন্দ্রাগান্ধির কেনা গোলাম ছিল পাকিদের স্বার্থে আমেরিকার মাধ্যমে???
Arif Ullah ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ১:৪৮ এএম says : 0
হাসিনা কে তো এই জন্যই সাপোর্ট দিয়ে রাখছে গরুর দেশ ভারত।
Total Reply(0)
Sâgør Rûsdì ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ১:৪৮ এএম says : 0
ভারতের সাথে সম্পর্ক মানে দেশ ধ্বংস
Total Reply(0)
MD Hasem ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ১:৪৮ এএম says : 0
খুব সহজ হিসাব|রেন্ডিযার দালালি করার জন্য তাদের তৈরী করা হবে|রেন্ডিযার রিপোর্ট অনুযাযী তাদের পদাযন করা হবে|
Total Reply(0)
Qaiyum Mollik ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ১:৪৯ এএম says : 0
অ‌তি শি‌ক্ষিত ও অ‌তি চালাক এবং দূ‌র্নিতীবাজ কর্মকর্তা ভারতীয়‌দের নিকট থে‌কে প্র‌শিক্ষন নি‌তে হ‌বে । কারন বিষ দি‌য়ে বি‌ষের ঔষধ তৈয়া‌রি কর‌তে হয় ।
Total Reply(0)
Jalal Uddin Ahmed ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ১:৪৯ এএম says : 0
It is good initiatives but very unfortunately, all 1800 Amla will be concepted and will be come back to push bamboo to BANGLADESHI
Total Reply(1)
Mohammed Shah Alam Khan ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ১২:১৭ এএম says : 0
You are right this training is good, but they will push bamboo to BANGLADESHI. I would like to say that these trained officers will help Bangali but not Bangladeshi. Because this country was freed for Bangali, not for Bangla speaking Paki people who were trying to introduce them as Bangladeshi not Bangali. The country was unfortunate after '75 the paki people occupied the country with the help of their agent who start work for them since '71. Allah is great no doubt.Whatever the decision Allah took in '71 will be enforced may be slowly but it will be.May Allah blass us.
Manik Netrakona ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ১:৫০ এএম says : 0
রোহিঙ্গা ইস্যুতে জাতিসংঘের প্রস্তাবে আমাদের বন্ধুদেশ ভারত সহ ২৬টি দেশ ভোট দিয়েছে বাংলাদেশের বিপক্ষে। অন্যদিকে আমাদের শত্রু পাকিস্তান সহ ১৩৫টি দেশ ভোট দিয়েছে বাংলাদেশের পক্ষে। [বি:দ্র: মুখে মধু অন্তরে বিষ, এমন বন্ধু থাকার চেয়ে না ভাল।]
Total Reply(0)
Mujibur Rahman ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ১:৫২ এএম says : 0
"নব্য চেতনা" তিতাস খেল, তিস্তা নিল পদ্মা, যমুনা শুকিয়ে দিল, বাংলার শত ফেলানী নিল বিডিআর দিয়ে আর্মি খেল রাতভর ধর্ষণ হলো পঙ্কজ রকিব এক হল ওপার থেকে সুজাতা এল এরশাদকে ঝাড়ি দিল বন্দুক ধরে সিএমএইচে পাঠাল গনতন্ত্রও সাথী হল ইলেকশনের ভুত তাড়াল দাড়ি টুপি সব জঙ্গি হলো ওপার থেকে স্ক্রিপ্ট এলো মনিরুল-বেনজিররা নাটক দিলো সুন্দরবনে রামপাল হল বাঘ হরিণ সব পালাল তালপট্টি তলে তলে গেল আম্বানী, মুকেশরা বাগাতে এল এক্সক্লুসিভ বলে ঘাঁটি বাঁধল বর্গী দাদারা সব দখলে নিলো ট্রানজিট, পোর্টস, টিভি সব ফ্রি হল এক তরফা সব চুক্তি হল, সামরিক বাহিনীও বিক্রি হলো বিলিয়নস অব টাকা ওপার গেল, স্বরভবমত্ত স্বাধীনতা বিকিয়ে দিলো রোহিংগাদের গণহত্যা হলো বন্ধু ভারত সমর্থন দিলো রোহিংগাদের খেদিয়ে এপারে দিলো শরণার্থীর বন্যায় ভেসে গেলো আওয়ামীরা গলা মিলালো জঙ্গি বলে আখ্যা দিলো RAW আর সিংলা জুটি বাধলো ভোট ডাকাতির প্ল্যান দিলো গণগ্রেফতারের মহাউৎসব দিলো সন্রাসী হামলার মহামারী হলো এজেন্ট ফেজেন্টের গুষ্টি কিলালো ৯৯.৯% পেয়ে ডাইনি ঘোষণা দিলো বাংলার শ্রেষ্ট সুষ্ঠু নির্বাচন হলো ৪-সন্তানের মা গণধর্ষণে সেলিব্রেশন হলো জয়-হিন্দ আর জয়-বাংলার উলু ধোনি হলো ! চেতনার আর কত বল?
Total Reply(1)
Mohammed Shah Alam Khan ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ১২:৩১ এএম says : 0
আপনার কথাগুলো উগ্রবাদী ইসলামিক গোষ্টি খুবই সমাদর করবে এটা মানতেই হবে। তবে আপনি কি জানেন আমাদের কতটুকু শক্তি ও সামর্থ রয়েছে নিজের পায়ে দাড়ানোর জন্যে???নিজেই যদি দাড়াতে না পারি তাহলে অন্যকে কিভাবে ধ্মক দিব?? সেতো আমার সবই কেড়ে নিবে তাই না??তাহলে আমার কি করা দরকার??আগে নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে চলতে হবে শক্তি অর্জন করতে হবে তারপর ধ্মক দিতে হবে তাই না??আল্লাহ্‌ আমাকে সহ সবাইকে আল্লাহ্‌র জ্ঞান শিক্ষার ক্ষমতা দান করুন। আমিন
Nirob Ahmed Rubel ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ১:৫২ এএম says : 0
যদি ইউরোপের কোন দেশে গিয়ে প্রশিক্ষন নিত তাহলে স্বাগতম জানাতাম! ভারতে গিয়ে কি শিক্ষা নিবে আমলারা? দূর্নীতিতে ১ম, ধর্ষণে ৪র্থ, অস্ত্র অামদানিতে ১ম, চুরা কারবারিতে ১ম, দাউদ ইবরাহীম মত সন্ত্রাস ভারত থেকে তৈরি,২২মিনিটে একটি নারী ধর্ষন হয়, এখনও অনেক মানুষ না খেয়ে দিন কাটাই। ইসলাম সহ অন্য ধর্মের মানুষকে হিন্দু ধর্ম পালন করতে বাধ্য করে।
Total Reply(0)
Md Mashia Mashia ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ১:৫২ এএম says : 3
প্রতিবেশী ভারত সাথে মৈত্রী ছাড়া কোন বিকল্প নেই। তারা বন্ধু ছিল বলেই আমরা ৯ মাসে দেশ স্বাধীন করেছি। তাদের কাছে বাঙালী জাতি চিরকৃতজ্ঞ।
Total Reply(0)
Raja Banerjee ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ১:৫৩ এএম says : 0
মগজ ধোলাই হবে I সব অফিসার বাংলাদেশে ফিরে গোমূত্র পান করবে রোজ সকালে। খুব শীঘ্রই বাংলাদেশ ভারতের তিরিশ তম রাজ্য হতে চলেছে আর পশ্চিমবঙ্গ, পাকিস্তানের I ইনশাল্লাহ I
Total Reply(0)
Abrar Ali ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ১:৫৩ এএম says : 0
ভারত নিজেই আমলাতান্ত্রিক জটিলতার স্বীকার। তার উপর দুর্নীতিতে বাংলাদেশের চেয়ে কোন অংশে কম না। তাদের থেকে কি ই বা শিখার আছে। কারাই বা এধরণের সিদ্ধান্ত নেয়!!
Total Reply(0)
Aabir Mahmud ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ১:৫৪ এএম says : 0
বর্তমান যুগে এক দেশের পক্ষে অন্য দেশ সরাসরি আক্রমণ করে দখল করা প্রায় অসম্ভব। যেমন আগের যুগে হতো। এখন সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক, কুটনৈতিক এবং ক্ষমতালোভী মুনাফেক দালালদের মাধ্যমে এক দেশ অন্য দেশের উপর ক্ষমতা প্রয়োগ করে থাকে। যে কোন বিবেক বুদ্ধি সম্পন্ন মানুষ আমার সাথে একমত হবেন যে আজকে বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা পৃথিবীর মধ্যে সর্ব নিকৃষ্ট, যুবক সমাজ মাদকাশক্ত, অনৈতিক সম্পর্ককে বৈধ মনে করা হচ্ছে। আর এই সব কিছু একটা জাতীর বিলুপ্তির প্রথম ধাপ বলে মনে হচ্ছে
Total Reply(0)
Helal Masud ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ১:৫৪ এএম says : 0
এই দেশ ভারতের অঙ্গরাজ্য হতে আর বেশি দেরি নাই, সেই জন্য তো তারা জামায়েত ইসলামী কে গলা টিপে শেষ করে দিতে চাই, কারণ তারাই এক মাত্র এই দেশ ভারতের অঙ্গরাজ্য হওয়ার পথে ইস্পাত কঠিন বাঁধা।
Total Reply(0)
AR Khan AR Khan ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ১:৫৪ এএম says : 0
বাংলাদেশ ভারতের বন্ধু রাষ্ট্র, অন্যদিকে বলতে গেলে চীন এবং পাকিস্তান তাদের শত্রু রাষ্ট্র কিন্তুু আমরা কখনও শুনেছি তাদের সীমান্তে কেউ মারা যেতে তাদের সীমান্তে একটি পাখী মারাগেলে জবাব দেওয়া হয় এজন্য ভারত সাহস পায়না। বাংলাদেশ সীমান্তে প্রতিনিয়ত মৃত্যুর খবর পাওয়া যায় তাহলে ভারত কি বন্ধুর প্রমান দিচ্ছে
Total Reply(0)
Linkon Adi ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ১:৫৪ এএম says : 0
ভারত যেখানে তাদের জনগনের বিশাল একটি অংশ কে টয়লেটে যাওয়া শিখাতে হিমশিম খাচেছ সেখানে বাংলাদেশের সবচাইতে মেধাবী আর যোগ্য প্রশাসনের কর্ম কর্তাদের কি শিখাবে ! তাদের বরং তাদের নিজ দেশের জনগনের জীবন মান বাড়ানোর জন্য বেশী কাজ করা উচিত।
Total Reply(0)
Rashedul Islam Rashed ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ১:৫৪ এএম says : 0
প্রশাসন যন্ত্র ব্যাবহার করে কিভাবে মেদিকে পুনরায় ক্ষমতায় রাখা যায় সেই ব্যাপারে ভারতের আমলাদের প্রশিক্ষণ দিতে যাচ্ছে।
Total Reply(0)
Habib Rahman ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ৯:৫১ এএম says : 0
Bangladesh has nothing to learn from India because India is our common enemy. its prove by Indian government....
Total Reply(0)
Mohammed Shah Alam Khan ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ১২:০৭ এএম says : 0
ইনকিলাব পত্রিকার এই সম্পাদকীয় বিষয়টা দেশের জন্যে খুবই মূল্যবান একটা বক্তব্য। এখানে আমি ওনার অনেক কথার সাথে একমত আবার অনেক কথার সাথে দ্বিমত পোষন করি। উনি বলেছেন পাকিস্তানি আমলাতন্ত্র যানাকি আমরা যখন পূর্ব পাকিস্তান ছিলাম তখন শিখেছি সেটা অনেক ভাল ছিল। হা সেটা একটা ভাল তন্ত্র ছিল যেমন সেসময়ে যারা দেশ চালাতো মানে সরকারি দল তাদের প্রণয়ন করা আইনের উপরই আমলারা চলতো ফলে দলের কোন নেতাকে আমলাদের কাজে হস্তক্ষেপ করতে দেখা যেত না। আমার প্রশ্ন হচ্ছে এখন কি আমলারা সরকারি দলের করা আইনের উপর চলছে??? আমি বলতে পারি না... না... না... তাহলে এরা কিভাবে চলছে?? এরা চলছে সেই আইন যানাকি আইয়ুব মিয়া করেগেছেন মানে পাকিদের পক্ষে ’৭১ এর আগে সেটাই এনারা (আমলারা) করছেন মানে হচ্ছে সরকারি দল সরকার নয় সরকার হচ্ছেন আমলারা এবং দেস চালাচ্ছেন পাকিদের স্বার্থ রক্ষা করে যেটা তারা করতেন ’৭২ এর আগে। পাকিস্তানে যেমন সরকার চালায় সামরিক যান্তা সেই আইয়ুব খানের সময় থেকে এখনো পাকিস্তানে সেইভাবেই চলছে। একই ভাবে বাংলাদেশেও সেটাই রপ্ত হয়েছিল ’৭৮ এর পর থেকে এবং সেটা চলেছে ’৯৬ পর্যন্ত আবার চলেছে ’০২ সাল থেকে ০৮ সাল পর্যন্ত। তবে ’৯৬ সালে পর ৫ বছর দেশটা আমলার নিয়ন্ত্রণে থাকলেও ভাল চলেছে এটাই প্রমাণিত। এখন ’০৯ সাল থেকে সরকারি দল তাদের নীতি মানে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের নীতি কিছুটা হাতে নেয়াতেই দলীয় করনের অপবাদ দেয়া শুরু করে আমলারা পরে সেটা লুফে নেয় জামাত বিএনপিরা (পাকিদের দোসরেরা) কারন তাদের নিয়ন্ত্রণে বাধা গ্রস্ত হচ্ছে তাই। তাই এবার সরকার অতিষ্ঠ হয়ে ১৮০০ মধ্যম পর্যায়ের যারা বর্তমান সরকারের সময়েই বেশী যোগদান করেছেন তাদেরকে পাঠাচ্ছেন দেখে আসতে ভারতে কিভাবে সরকারি দলের প্রণয়নকৃত আইন মোতাবেক আমলা কামলারা কাজ করে থাকেন। যেজন্যে সরকারি দলের নেতাদেরকে আমলা কামলার কাছে যেতে হয়না কাজ করাতে। সেদিক থেকে বিচার করে আমি বলতে চাই জননেত্রী শেখ হাসিনা যে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সেটা খুবই ভাল সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কারন ভারত আমাদের বন্ধু দেশ তারা আমাদের অনেক দুর্বলতাকে ঢেকে রাখবে যানাকি অন্যদেশে গেলে সেভাবে মর্যাদা নাও পেতে পারে। আল্লাহ্‌ আমাকে সহ সবাইকে সহজ সরল পথে চলার শক্তি দান করেন। আমিন
Total Reply(0)
Md Mizanur Rahman ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ১২:০১ এএম says : 0
Procikkon pacche, kechu na power chaita, kechu to palam. ha.. ha.. ha..
Total Reply(0)

গত ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন