ঢাকা, বুধবার, ১৬ অক্টোবর ২০১৯, ০১ কার্তিক ১৪২৬, ১৬ সফর ১৪৪১ হিজরী

সারা বাংলার খবর

নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে ঐক্যফ্রন্ট প্রার্থী মো. হারুনুর রশিদের মামলা

সংসদ নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগে

চাঁদপুর থেকে স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ১২:৪২ পিএম

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুর-৪(ফরিদগঞ্জ) আসনে ভোট কারচুপির অভিযোগ ও নির্বাচন চ্যালেঞ্জ করে নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে মামলা করেছেন ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী সাবেক এমপি লায়ন মোঃ হারুনুর রশিদ। বৃহস্পতিবার (১৪ফেব্রুয়ারি) ব্যারিষ্টার মাহফুজুর রহমান (মিলন) তার পক্ষে মামলা দায়ের করেন।

ডনর্বাচনী ফলাফলে চাঁদপুর-৪আসনে ১১৮টি ভোট কেন্দ্রে নৌকা প্রতীকে মুহম্মদ শফিকুর রহমান ১ লক্ষ ৭৩ হাজার ৩৫৯ ভোটে জয়ী হয়েছেন। এদিকে ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপি ও ঐক্যফ্রন্ট প্রার্থী মোঃ হারুনুর রশিদ পেয়েছেন ৩০ হাজার ৭৯৯ ভোট।

লায়ন মোঃ হারুনুর রশিদ বলেন, ৩০ ডিসেম্বর একতরফাভাবে অনুষ্ঠিত নিষ্ঠুর প্রহসনের নির্বাচনে সকাল ৮টায় ভোট গ্রহন শুরু হলেও আগের দিন রাতেই বেশিরভাগ কেন্দ্রের ৫০-৬০ভাগ ভোট কেটে ব্যালট বাক্স ভরে রাখে। ভোটের আগে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর ছত্রছায়ায় দেশী-বিদেশী অস্ত্র নিয়ে ক্ষমতাসীন দলের ক্যাডাররা হত্যার উদ্দ্যেশে আমার বাড়িঘর জানালা দরজা ভাংচুর ও লুটপাটের চেষ্টা করে। নির্বাচনী আইন অমান্য করে মিটিং করার অভিযোগে পুলিশ আমার বাড়িঘর তল্লাশী ও ২৩১ জন নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করে এলাকা আতঙ্কিত করে তোলে।

২৮ ও ২৯ ডিসেম্বর আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতিতে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা আবারো আমার বাড়িতে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাংচুর এবং আমার সামনে থেকে নির্বাচনী কাজে নিয়োজিত ব্যক্তিগত সহকারী আতিকুর রহমান আতিকসহ আরো ২০জন নেতাকর্মীকে আটক করে ১৯৭৪ সনের বিশেষ ক্ষমতা আইনের বিভিন্ন ধারায় আসামী করে চাঁদপুর জেলা কারাগারে প্রেরণ করেন।

ভোটের দিন আমার পোলিং এজেন্টরা ভোট কেন্দ্রে গেলে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা পুলিশের সম্মুখে মারধর করে তাদেও ভোট কেন্দ্র থেকে বের করে দেয়। সাধারন ভোটাররা ভোট কেন্দ্রে গেলে আওয়ামী লীগের এজেন্টরা তাদের সামনেই প্রিজাইডিং অফিসারসহ নৌকা প্রতীকে সীল মেরে বাক্স ভর্তি করে। এ সব অভিযোগ আমি প্রশাসনের নজরে আনি, কিন্তু কোন ফল পাইনি। দুপুর ১২.৩০ দিকে সাংবাদিক সম্মেলন করে নির্বাচন বাতিলের ঘোষণা দেই এবং পুনরায় গ্রহনযোগ্য, সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবী জানাই এবং রিটার্নিং অফিসার বরাবর একটি লিখিত আবেদন প্রেরণ করি।

উল্লেখ্য ২০০৮সালের জাতীয় নির্বাচনে নৌকার বর্তমান প্রার্থী মুহম্মদ শফিকুর রহমানের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করে ধানের শীষ প্রতীকে ৭০৬৯ ভোটের ব্যবধানে আমি বিজয়ী হয়েছিলাম। বিগত সময়ে এ আসন থেকে সব সময় বিএনপি প্রার্থী জয়লাভ করেছেন।

 

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (1)
Rayhan ali ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ৪:২৯ পিএম says : 0
হাতের ছাপ যাচাই করলে জাল ভোট ধরা যাবে। সকল জায়গায় গলদ। কোটি কোটি ছাপ নকল। নির্বাচন কমিশনের ভাওতামু ছাড়া কিছু না।
Total Reply(0)

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন