ঢাকা, সোমবার ২২ জুলাই ২০১৯, ০৭ শ্রাবণ ১৪২৬, ১৮ যিলক্বদ ১৪৪০ হিজরী।

সারা বাংলার খবর

প্রত্যাশা পূরণ হচ্ছে হাতিয়ার সাড়ে ৬ লক্ষাধিক মানুষের

| প্রকাশের সময় : ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ১:৩৪ এএম


নোয়াখালী ব্যুরো : প্রাকৃতিক দূর্যোগ বিশেষ করে ঝড় জলোচ্ছাসের সময় ক্ষতিগ্রস্থ মেঘনা বেষ্টিত হাতিয়াবাসীর একটাই দাবি ‘রিলিফ চাই না-নদী ভাঙন রোধ চাই।’ অবশেষে দীর্ঘ পাঁচ দশক পর হাতিয়াবাসীর প্রত্যাশা পূরণ হতে চলছে। হাতিয়া মূলভূখন্ডের উত্তরাঞ্চল নলচিরা নদী তীর থেকে বালিভর্তি হাজার হাজার জিওব্যাগ নদীতে ফেলার মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে ভাঙনরোধ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

গত শনিবার নলচিরা ঘাটে পূর্ব সতর্কতামূলক নদী তীর সংরক্ষণমূলক কাজের উদ্বোধন করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য আয়েশা ফেরদাউস। এতে উপস্থিতি ছিলেন সাবেক এমপি মোহাম্মদ আলী, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মাহবুব মোর্শেদসহ উপজেলা ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাবৃন্দ। বর্তমানে নলচিরায় চার কিলোমিটার এলাকায় বালিভর্তি জিওব্যাগ নদীতে ফেলা হচ্ছে। পরবর্তীতের দরপত্রের মাধ্যমে সিসিবøকের কার্যক্রম শুরু হবে।

বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, হাতিয়ার উত্তরাঞ্চল ভাঙনরোধ হলে মেঘনার বুক চিরে বিশাল চর জেগে উঠবে। বিশেষ করে হাতিয়া মূলদ্বীপের উত্তরাঞ্চলে নদীর ¯্রােত পরিবর্তন হলে পাঁচশ বর্গকিলোমিটার আয়তনের ভূমি জেগে উঠার উজ্বল সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া প্রাকৃতিক দূর্যোগ বিশেষ করে ঝড় জলোচ্ছাসের সময় দ্বীপবাসী রক্ষা পাবে।

এবিষয়ে সাবেক এমপি মোহাম্মদ আলী জানান, খাদ্য ও পর্যটন ভান্ডার হিসেবে খ্যাত হাতিয়ার ২টি সমস্যা হচ্ছে, নদী ভাঙন ও বিদ্যুৎ সমস্যা। এরমধ্যে নদীভাঙনরোধে সরকার মহতী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। অপরদিকে, নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের লক্ষে আমরা কাজ করে যাচ্ছে। আশা করি এদু’টি সমস্যা সমধান হলে হাতিয়াবাসীকে আর পেছনে তাকাতে হবেনা। স্থানীয় সংসদ সদস্য আয়েশা ফেরদাউস ইনকিলাবকে জানান, মেঘনাবেষ্টিত হাতিয়ার সাড়ে ৬ লক্ষাধিক অধিবাসীর সার্বিক উন্নয়নে আমি কাজ করে যাচ্ছি। হাতিয়ার বিভিন্ন সমস্যা সমাধানকল্পে বর্তমান সরকার কাজ করে যাচ্ছে।

 

 

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

গত ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন