ঢাকা, রোববার ২১ জুলাই ২০১৯, ০৬ শ্রাবণ ১৪২৬, ১৭ যিলক্বদ ১৪৪০ হিজরী।

আন্তর্জাতিক সংবাদ

খিলাফতের পতন হলেও সজাগ থাকবে যুক্তরাষ্ট্র

আইএস-এর বিরুদ্ধে চূড়ান্ত বিজয় ঘোষণা

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ২৫ মার্চ, ২০১৯, ১২:০৭ এএম

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, সিরিয়া আইএসের কথিত খিলাফতের পতনের ঘটনা ইতিবাচক হলেও সন্ত্রাসী গোষ্ঠীটি এখনও একটি হুমকি হিসেবে রয়ে গেছে। ফলে আইএসকে চূড়ান্তভাবে পরাজিত করার আগ পর্যন্ত জঙ্গিদের ব্যাপারে সজাগ থাকবে যুক্তরাষ্ট্র। এর আগে সিরিয়ায় মার্কিন সমর্থিত কুর্দি বিদ্রোহী বাহিনী সিরিয়ান ডেমোক্রেটিক ফোর্সেস (এসডিএফ) দাবি করে, দেশটিতে আইএসের সর্বশেষ ঘাঁটির দখল নিয়েছে তারা। এরপরই জঙ্গিদের বিরুদ্ধে সজাগ থাকার কথা বলেন ট্রাম্প। এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম বিবিসি। প্রতিবেদনে বলা হয়, আইএসের বিরুদ্ধে কুর্দি বিদ্রোহীদের এই বিজয়ের মধ্য দিয়ে জঙ্গি সংগঠনটির কথিত খিলাফতের অবসান ঘটেছে। ইতোমধ্যেই এসডিএফ আইএসের শেষ ঘাঁটি বাঘুজে বিজয় নিশান উড়িয়েছে। টুইটারে দেওয়া পোস্টে এ ঘটনাকে ‘চূড়ান্ত সামরিক বিজয়’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন এসডিএফ-এর মুখপাত্র। যুক্তরাষ্ট্র এবং যুক্তরাজ্যের পক্ষ থেকেও একই রকম মত দেওয়া হয়েছে। ইরাক ও সিরিয়ায় পতনের পর বর্তমানে নাইজেরিয়া ও ফিলিপাইনের মতো দেশগুলোতে সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করছে আইএস। এর আগে অপর এক খবরে বলা হয়, সিরিয়ায় আইএস-এর (ইসলামিক স্টেট) সর্বশেষ ঘাঁটির দখল নিয়ে মার্কিন সমর্থিত বিদ্রোহী বাহিনী সিরিয়ান ডেমোক্রেটিক ফোর্সেস (এসডিএফ) দাবি করেছে, তাদের এই বিজয়ের মধ্য দিয়ে জঙ্গি সংগঠনটির ‘খিলাফত’র অবসান ঘটেছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এসডিএফ আইএস-এর শেষ ঘাঁটি বাঘুজে বিজয় নিশান উড়িয়েছে। এসডিএফ-এর মুখপাত্র টুইটারে এই ‘চূড়ান্ত সামরিক বিজয়’ দাবি করেন। যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য এই বিজয়ের দাবির সঙ্গে একমত হয়ে একে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা আখ্যা দিয়েছে। ইরাকে ২০০৩ সালের মার্কিন আগ্রাসনের পর সেখানে সৃষ্ট গোষ্ঠীদ্ব›েদ্বর ফলস্বরূপ জন্ম নেয় আইএস। অতীতের যে কোনও জঙ্গিগোষ্ঠীর থেকে হিংস্রতা নিয়ে তারা আবির্ভূত হয় ইসলামিক স্টেট ইন ইরাক নামে। ২০১১ সালে তারা রাক্কাকে রাজধানী ঘোষণা করে সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের বিরুদ্ধে লড়াই শুরু করে। গোষ্ঠীটির নতুন নামকরণ হয় ইসলামিক স্টেট অব ইরাক অ্যান্ড দ্য লেভান্ট (সিরিয়া)। এক সময় ইরাক-সিরিয়ার ৮৮ হাজার বর্গকিলোমিটার এলাকা নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয় জঙ্গিগোষ্ঠীটি। বিবিসি, রয়টার্স।

 

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন