ঢাকা, বুধবার ১৯ জুন ২০১৯, ৫ আষাঢ় ১৪২৬, ১৬ শাওয়াল ১৪৪০ হিজরী।

আন্তর্জাতিক সংবাদ

ইসলামি বিধান মেনে চলা দেশের তালিকার শীর্ষে আয়ারল্যান্ড, ১৩১ সৌদি

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ১০ এপ্রিল, ২০১৯, ৫:৫১ পিএম

যুক্তরাষ্ট্রের জর্জ ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটির আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও বাণিজ্য বিভাগের প্রফেসর হুসেইন আসকারি সম্প্রতি ইসলামের বিধান মেনে চলার ব্যাপারে গবেষণাকর্ম সম্পন্ন করেছেন। সেই গবেষণায় তিনি দেখার চেষ্টা করেছেন, বিশ্বের কোন দেশগুলোতে দৈনন্দিন জীবনে ইসলামি বিধান মেনে চলা হয়।

গবেষণার নমুনায় দু'শ আটটি দেশ ছিল। সেসব দেশের মধ্যে কারা কতটা রাষ্ট্র পরিচালনা ও সমাজের মধ্যে ইসলামি বিধান মেনে চলে, সেসব বিবেচনা করা হয়েছে।

গবেষণার ফলাফলে দেখা গেছে, ইসলামি রীতি মেনে চলা দেশের তালিকার শীর্ষে ইসলামি কোনো দেশের নাম নেই। এমনকি তালিকার ৩৩ নম্বরে রয়েছে মালয়েশিয়া এবং কুয়েত রয়েছে ৪৮ এ।

গবেষক হুসেইন আসকারি বলেন, মুসলিম দেশগুলো রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য ইসলামি আইন ব্যবহার করে। এমন অনেক দেশ আছে; যেগুলো ইসলামি রাষ্ট্র হিসেবে পরিচিত। তবে সেখানকার সমাজে ইসলামি আইন মেনে চলা হয় না, দুর্নীতিতে ছেয়ে গেছে, এমনকি ইসলাম বিরোধী কর্মকাণ্ড চলছে সেখানে।

গবেষণার ফলাফলে দেখানো হয়েছে, সমাজে ইসলামি বিধান মেনে চলার ক্ষেত্রে আয়ারল্যান্ড, ডেনমার্ক, সুইডেন, যুক্তরাজ্য, নিউজিল্যান্ড, সিঙ্গাপুর, ফিনল্যান্ড, নরওয়ে ও বেলজিয়াম তালিকার শীর্ষে রয়েছে। এছাড়া মধ্যপ্রাচ্যের দেশ বাহরাইন ৬৪ নম্বরে এবং সৌদি আরব রয়েছে একশ ৩১ নম্বরে।

অন্যদিকে তথাকথিত ইসলামি দেশগুলোতে মুসলমানরা নামাজ আদায় করেন, রোজা রাখেন, কোরআন-হাদিস পড়েন, নারীরা পর্দা মেনে চলে, দাড়ি রাখার সংখ্যা বেশি, ইসলামি পোষাক নিয়ে সচেতন; তবে সমাজে দুর্নীতি আর পেশাগত জীবনে অসদুপায় অবলম্বনের নজির চতুর্দিকে।

এর আগে ২০১০ সালেও এক গবেষণায় ইসলামি বিধান মেনে চলা দেশগুলোর তালিকার শীর্ষে ইসলামি রাষ্টের নাম ছিল না। ওই গবেষণায় নিউজিল্যান্ড, লাক্সেমবার্গ, আয়ারল্যান্ড, আইসল্যান্ড, ফিনল্যান্ড, ডেনমার্ক, কানাডা, যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া এবং নেদারল্যান্ড ছিল তালিকার শীর্ষে।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (7)
কাফী ১১ এপ্রিল, ২০১৯, ৮:৫৩ পিএম says : 3
এরকম ফালতু গবেষণা যা জীবনে দেখিনি। কাফেরদের দ্বারা পরিচালিত সবচেয়ে নিকৃষ্ট গবেষণা।
Total Reply(0)
মোস্তফা কামাল ১১ এপ্রিল, ২০১৯, ৯:৫৬ পিএম says : 3
মনে হয় ক দিন পর কবরস্থানের নাম আসবে। যে দেশে মুসলমানই নাই সে দেশ ইসলামী আইন মানায় ফাস্ট। শয়তানী ছাড়া কিছুই না এখানে দেখানোর চেষ্টা করা হচ্ছে মুসলমানরা ইসলাম মানে না তাহলে কি কাফেররা ইসলাম মানে?
Total Reply(0)
saif ১১ এপ্রিল, ২০১৯, ৯:৫৮ এএম says : 1
আসলেই তাই, যে দেশের সমাজ ও শাসন ব্যবস্তা থেকে ইসলাম উঠে যাবে তাদের অবস্থা আল্লাহ্‌ ই ভালো জানেন।
Total Reply(0)
Maolana masudur rahman bikrampuri ১৫ এপ্রিল, ২০১৯, ২:১৭ পিএম says : 0
গবেষনাটির যথেষ্ঠ গুরুত্ব রয়েছে। আমরা মুসলমানরা যেকোন কাজে ইসলাম শব্ধ ব্যাবহার করলেই সেটাকে ইসলামি বলি। কিন্তু ইসলামের প্রকৃত অনুশাসন মেনে চলিনা। ইসলামি বলে ইসলাম বিরোধী কার্য কলাপ পরিচালনা করতে দিধা করিনা। তবে ইসলামি অনুশাসন মানা আর মুসলমান হওয়া এক জিনিস নয়। ইসলামি অনুশাসন মানা হলে সমাজে এবং রাষ্টে অশান্তি থাকতে পারেনা। বিষয়টি যারা অনুধাবন করেছে তারা ইসলামি অনুশাসনকে তাদের জীবনে বাস্তবায়ন করেছে। সেচাই মুসলমান হোক চাই না হো। অধিকাংশ মুসলমানদের মধ্যে ইসলামি অনুশাসন মানার বালাই নেই কিন্তু কারো কোন কথায় একটু হেরফের হলেই ফিতনা সৃষ্টি করে সমাজ ও রাষ্টে অশান্তি সৃষ্টি করে তুলি। লেবাস আর সুরত মূল উদ্দেশ্য নয় বরং ইসলামি অনুশাসন মানাই মূল উদ্দেশ্য। ইসলামি অনুশাসন যেকেহই মেনে চলতে পারে। আসুন বড় বড় কথা বলে সমাজে ফিতনা সৃষ্ট না করে বাস্তবতা কে মেনে নেয়া।
Total Reply(0)
Md. Altaf Hossain ১৫ এপ্রিল, ২০১৯, ৩:১৫ পিএম says : 0
ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানকে তালিকায় কত নম্বর স্থান দেয়া হয়েছে তা জানতে পারলে ভালো হতো।
Total Reply(0)
Shamsul Haque ১৬ এপ্রিল, ২০১৯, ৫:০৪ এএম says : 0
যে সব ইউরোপিয়ান দেশ গুলোর কথা উপরে উল্লেখ করা হয়েছে তাদের জনগণের যদি শুধু ঈমান থাকতো আমি মনেকরি আমরা যারা মুসলিম বলে দাবি করি আল্লাহ আমাদের চেয়ে ওদের হিসাব সহজ করে দিতেন।
Total Reply(0)
taijul Islam ১৬ এপ্রিল, ২০১৯, ১১:১০ এএম says : 0
রকম ফালতু গবেষণা যা জীবনে দেখিনি।
Total Reply(0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন