ঢাকা বুধবার, ২০ জানুয়ারি ২০২১, ০৬ মাঘ ১৪২৭, ০৬ জামাদিউস সানী ১৪৪২ হিজরী

অভ্যন্তরীণ

দাতিনাখালী নদীতে বাড়ছে ভাঙন

শ্যামনগরে পাইপ অপসারণের দাবি

শ্যামনগর (সাতক্ষীরা) থেকে আবু কাওছার | প্রকাশের সময় : ১০ মে, ২০১৯, ১২:০৫ এএম

শ্যামনগর উপজেলার দাতিনাখালী নদীতে বেড়িবাঁধ ভাঙন কবলিত এলাকা থেকে লোনা পানি সরবরাহের পাইপলাইন অপারণের জন্য এলাকাবাসী জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। দাতিনাখালী ভাঙন এলাকায় মুনসুর মোড়ল, আতিয়ার মোড়ল ও সলেমান জানান, দাতিনাখালী এলাকার বেড়িবাঁধ ভাঙন দীর্ঘদিনের সমস্যা। বেড়িবাঁধ যত ভাঙে তত সরকারিভাবে ভেতরে রিং বাধ দেয়া হয়। যার কারণে এলাকার মানুষ বাস্তুভিটা ছাড়তে ছাড়তে বাপ দাদার ভিটা বাড়ি সবই নদী গর্ভে চলে গেছে। ভিটা বাড়ি ছেড়ে পেছনে যেতে যেতে আর জায়গা জমি নাই। এবারে ভিটা বাড়ি ছাড়তে হলে সরকারি খাস জায়গা ছাড়া আর বসবাসের জায়গা নেই। ১৯৭৪ সালের মার্চ মাসে বেড়িবাঁধ পুনর্বাসন প্রকল্পের আওতায় ফেডারেল রিপাবলিক অব জার্মান সরকারের অর্থায়নে জিআইজেড, বন বিভাগ, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড ও কারিতাসের বাস্তবায়নে দাতিনাখালী বেড়িবাঁধ ভাঙনে ২২ লাখ ৬০ হাজার ১৩ টাকার কাজ করে। অথচ ৪ মাস যেতে না যেতেই বাঁধের সব মাটি ও বাস পাইলিং নদী গর্ভে বিলিন হয়ে যায়।
এ বিষয়ে ভাঙন কবলিত এলকায় বসবাসরত মুরুব্বীরা জানান, অপরিকল্পিত পদক্ষেপের কারণে সমুদ্বয় টাকা নদী গর্ভে চলে গেছে। এছাড়া ভাঙনকুলে সরকারিভাবে যে টাকার ইতোপূর্বে কাজ করা হয়েছে তাও কোন কাজে আসেনি। ভাঙন এলাকা স্থায়ীভাবে রোধ করতে হলে ভাঙনকুলে জিও বস্তা ও বøক ফেলে ভাঙন রোধ করা সম্ভব।
বর্তমানে ওই ভাঙনকুলে বেড়িবাঁধ কেটে অবৈধভাবে ৫টি পাইপ বসিয়ে নোনা পানি সরবরাহ করায় নদী ভাঙন মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। এলাকাবাসীর দাবি দ্রুত ভাঙন কবলিত এলাকা থেকে পাইপ উঠানোর ব্যবস্থা করা হোক। সম্প্রতি ওই ভাঙন রোধে শ্যামনগর উপজেলা জলবায়ু পরিষদ ও এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে মানববন্ধন করায় নদী ভাঙন এলাকায় মাটির কাজ শুরু হয়েছে। তবে প্রকৃত ভাঙন এলাকায় মাটি দেয়া হচ্ছে না।
এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের জেলা কর্মকর্তাকে জানিয়েও কোন সমাধান আসেনি। এ বিষয়ে এলাকাবাসী জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন