ঢাকা, শনিবার ২৫ মে ২০১৯, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ১৯ রমজান ১৪৪০ হিজরী।

মহানগর

‘শরীয়ত বিরোধী কাজে লিপ্ত ব্যক্তি প্রতিষ্ঠানকে যাকাত প্রদান করা যাবে না’

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ১১ মে, ২০১৯, ২:৩০ পিএম

আক্বীদা আমল যাচাই বাছাই ছাড়া শরীয়ত বিরোধী কাজে লিপ্ত অথবা শরীয়ত বিরোধী কাজে ব্যবহার করে এমন কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে যাকাত প্রদান করা জায়িজ নয়। শরীয়ত অনুযায়ী যিনি সবচেয়ে বেশী তাক্বওয়া পরহিযগার এবং সুন্নতের পাবন্দ উনার মাধ্যমে যাকাত দিলে সুষ্টু বন্টনের দ্বারা দারিদ্র বিমোচন সম্ভব হবে এবং যাকাতের পরিপূর্ণ ফযীলত পাওয়া যাবে।

আজ জাতীয় প্রেসক্লাবে মুহম্মদীয়া জামিয়া শরীফ মাদরাসা ও ইয়াতিমখানার উদ্যোগে “পবিত্র যাকাত আদায় করা ফরজ এবং আত তাকউইমুশ শামসী সন ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তা” শীর্ষক এক সেমিনারে বক্তারা এসব কথা বলেন।

সেমিনারে গবেষণা প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন, গবেষক এবিএম রুহুল হাসান। এছাড়া পবিত্র যাকাতের গুরুত্ব ও তাৎপর্য তুলে ধরেন দৈনিক আল ইহসান ও মাসিক আল বাইয়্যিনাত পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক মুফতিয়ে আ’যম আল্লামা আবুল খায়ের মুহম্মদ আযীযুল্লাহ এবং আল্লামা মুফতি মুহম্মদ আলমগীর হুসাইন।

আলোচনায় বক্তারা বলেন, পবিত্র যাকাত আদায় না করলে মাল সম্পদ নষ্ট হয়, মিশ্রিত হয়ে অন্য মালসম্পদও হারাম হয়, নামায ও দোয়া কবুল হয় না, স্বয়ং আল্লাহ পাক অসন্তুষ্ট হন ও তার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেন। তবে যাকাত আদায় করলে উল্লেখিত বিষয়াবলি থেকে রক্ষা পাওয়ার পাশাপাশি স্বয়ং হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার দোয়া মুবারক পাওয়া যায়। মহান আল্লাহ পাক স্বয়ং যাকাতদাতার অভিভাবক হয়ে যান। (তবারানী, বুখারী, তাফসীরে কুরতুবি, মিশকাত শরীফ)

বক্তারা বলেন, যাদের ঈমান নাই, আমলে কুফরী রয়েছে, হারাম কাজে লিপ্ত, ফাসিক-ফুজ্জার ব্যক্তিকে পবিত্র যাকাত দেয়া যায়িজ নেই। লোক দেখানোর জন্য (রিয়া) পবিত্র যাকাত প্রদান করা এবং পবিত্র যাকাত মেলার নামে পবিত্র যাকাতকে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করাও জায়িজ নয়।

বক্তারা বলেন, আল্লাহ পাক বলেছেন, “তোমরা নেকী ও পরহিযগারিতে সাহায্য সহযোগীতা করো, পাপ কাজে ও শত্রুতায় সাহায্য সহযোগীতা করো না।” (সূরা মায়েদা) তাই উল্লেখিত দোষে দুষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে পবিত্র যাকাত দেয়া যাবেনা। এক্ষেত্রে তাক্বওয়া পরহিযগারীর সর্বশ্রেষ্ট স্থান এবং যাকাত প্রদানের সর্বোত্তম ও সন্দেহমুক্ত স্থান সমূহে পবিত্র যাকাত প্রদান করা।

যে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের আক্বীদা বিশুদ্ধ থেকে বিশুদ্ধতম এবং আমল সম্পূর্ণ শরীয়ত সম্মত। যেখানে সর্বক্ষেত্রে সুন্নত উনার অনুসরণ, শরয়ী পর্দা বাধ্যতামূলক। হারাম-কুফরী আক্বীদা আমল থেকে মুক্ত। সকলেই তাহাজ্জুদ গুজার। ‘আল্লাহওয়ালা’হওয়া যাদের মূল উদ্দেশ্য। তাই সকলের উচিত- এই রকম প্রতিষ্ঠানে পবিত্র যাকাত প্রদান করা। এই রকম একটি প্রতিষ্ঠান হলো “মুহম্মদিয়া জামিয়া শরীফ মাদরাসা ও ইয়াতিমখানা।”

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

গত ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন