ঢাকা, মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০১৯, ০১ শ্রাবণ ১৪২৬, ১২ যিলক্বদ ১৪৪০ হিজরী।

অভ্যন্তরীণ

সাদুল্যাপুরে মাটি ভরাটের পরও গুচ্ছগ্রাম নির্মাণ হয়নি

সাড়ে ৩০ লাখ টাকা ফেরত

স্টাফ রিপোর্টার, গাইবান্ধা ও সাদুল্লাপুর উপজেলা সংবাদদাতা | প্রকাশের সময় : ১৫ মে, ২০১৯, ১২:০৩ এএম

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে খাস জমিতে গুচ্ছগ্রাম নির্মাণ কাজে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি হয়েছে। গুচ্ছগ্রামের জায়গায় ভুয়া দলিল দিয়ে মামলার মাধ্যমে মোজাম্মেল হক নামের এক ব্যক্তি এই জটিলতা সৃষ্টি করেন।
সরেজমিন দেখা যায়, উপজেলার বনগ্রাম ইউনিয়নের সাদুল্লাপুর ডিগ্রী কলেজ ঘাঘট নদীর ব্রিজের পাশে ৫৮ শতাংশ সরকারি খাস জমিতে গুচ্ছগ্রাম নির্মাণের সিদ্ধান্ত হয়। সেই মোতাবেক ২০১৪-১৫ অর্থবছরে উপজেলা প্রশাসন ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানের সহযোগিতায় ৮ লাখ টাকার মাটি ভরাট করেন। গত ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে সাদুল্লাপুর মৌজার ৭০৫ দাগে মাটি ভরাটের স্থানে গুচ্ছগ্রাম প্রকল্পের আওতায় গৃহ, ল্যাট্রিন, রান্নাঘর, নলকুপ স্থাপনের জন্য ২০১৭ সালের ১২ ডিসেম্বর (যাহার চেক নং সিডিপি ২৩৫৮৫৩) ৩০ লাখ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ আসে।
সরকারের বেঁধে দেয়া শর্ত সাপেক্ষে ১.১৬ একর জমির মধ্যে থেকে ৫৮ শতাংশ জমি কবুলিয়ত গ্রহণ করেন জামালপুর ইউনিয়নের হামিন্দপুর গ্রামের মৃত জালাল উদ্দিনের ছেলে নবিবর উদ্দিন। কিন্তু বিধি ভঙ করে জাল জালিয়াতির মাধ্যমে ১.১৬ একর জমি বিক্রি করেন। কাজ শুরুর পূর্বে ভুমি অফিসের অসৎ কর্মচারীদের যোগসাজসে শর্ত অমান্যকারী কবুলিয়ত প্রাপ্ত ব্যক্তির নিকট থেকে ভুয়া প্রাপ্ত মালিক মোজাম্মেল হক সরকারের বিরুদ্ধে গাইবান্ধা আদালতে ৮৩/১৮ মামলা দায়ের করেন। ১৯৪০ সাল হতে বর্তমান সময় পর্যন্ত সরকারের পক্ষে সকল কাগজপএ সঠিক রয়েছে।
কিন্তু তা সত্তে¡ও অবৈধ দলিল দিয়ে মিথ্যা মামলাটি সরকার পক্ষের নজরদারির অভাবে একতরফা আদেশের জন্য আছে। দ্রুত মামলাটি নিষ্পত্তি ব্যবস্থা করে ঐ স্থানে গুচ্ছগ্রাম নির্মাণ হলে সরকারের ভাবমূর্তি বাড়বে।এদিকে প্রশাসনের গড়িমিেসর কারনে মামলার আজুহাত দেখিয়ে বরাদ্দকৃত ৩০ লাখ ৫০ হাজার টাকা গত বছরের ১০ মে ফেরত পাঠায়।
এদিকে পাশবর্তী নদী ভাঙন কবলিত এলাকার অসহায় গৃহহারা হালিমা, মনজিলা, নুরন্নাহার, আতিকসহ একাধিক ব্যক্তি গুচ্ছগ্রামে ঘর পাওয়ার আশায় রয়েছে।
এ ব্যাপারে সাদুল্লাপুর উপজেলা ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি কামরুল ইসলাম জানান, মাটি ভরাটকৃত জায়গায় গুচ্ছগ্রাম নির্মান হলে কিছু অসহায় ব্যক্তির মাথা গোজার ঠাঁই পাবে। সাদুল্লাপুর সদর বনগ্রাম ইউপি চেয়ারম্যান মো. শাহিন সরকার জানান, আশ্রয়হীন গরীব মানুষদের থাকার ব্যবস্থার জন্য গুচ্ছগ্রাম নির্মাণ জরুরি।
নবনির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক শাহারিয়ার খাঁন বিপ্লব জানান, পূর্বের চেয়ারম্যানেরা কি করেছে তা জানি না। কিন্তু বরাদ্দকৃত টাকা ফেরত গিয়েছে।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন