বুধবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২১, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৮, ২৫ রবিউস সানী ১৪৪৩ হিজরী

মহানগর

যৌন নিপীড়ন বন্ধে সচেতনতার তাগিদ

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ২০ মে, ২০১৯, ১২:০৪ এএম

অনলাইনে যৌন নিপীড়ন কমাতে সংশ্লিষ্ট বিষয়াদি পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করার পাশাপাশি শিক্ষক ও অভিভাবকদের সচেতনতা বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন বিশিষ্টজনেরা। তারা বলেছেন, শিশুরা জানেনা কীভাবে সাইবার নিরাপদ রাখতে হয়। ফলে দিনে ৩৫০-৪০০ জন শিশু সাইবার ক্রাইমের শিকার হচ্ছে। অনেক শিশু আত্মহত্যাও করছে। এজন্য তথ্যপ্রযুক্তির নিরাপদ নৈতিক ব্যবহার সম্পর্কে শিশুদের সচেতন করতে হবে। যাতে কোনো শিশু যৌন নিপীড়নের শিকার হলে যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিকার চাইতে পারে। গতকাল রোববার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ‘অনলাইনে যৌন নির্যাতন’ সম্পর্কিত বিষয়াদি পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করার লক্ষ্যে মতবিনিময় সভায় বক্তারা এ কথা বলেন।
আইন ও সালিশ কেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক শীপা হাফিজার সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক মঞ্জুর আহমেদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন টিডিএইচ নেদারল্যান্ড বাংলাদেশ কার্যালয়ের কান্ট্রি ডিরেক্টর মাহমুদুল কবির, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মাহজাবীন হক, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপ সচিব লুৎফুন নাহার প্রমুখ।
সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন আইন ও সালিশ কেন্দ্রের শিশু ইউনিটের সমন্বয় আম্বিকা রায়। পাঠ্যপুস্তকে অনলাইনে শিশু যৌন নিপীড়ন বিষয়টি গুরুত্ব তুলে ধরেন আইন ও সালিশ কেন্দ্রের শিশু ইউনিটের টিস লিডার নূরুন নবী।
প্রধান অতিথির বক্তব্য অধ্যাপক মঞ্জুর আহমেদ বলেন, অনলাইনে যৌন নিপীড়ন বিষয়ে পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করতে হলে আমাদের কিছু সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে। এজন্য আমাদের কারিকুলাম, টেক্সবই ও তথ্যপ্রযুক্তির দিকে নজর দিতে হবে।
মাহমুদুল কবির বলেন, অনলাইনকে আমরা দাবিয়ে রাখতে পারবো না। তবে এর ব্যবহার সম্পর্কে সচেতনতা বাড়িয়ে অপরাধের পরিমাণ কমিয়ে আনা সম্ভব বলে মনে করেন তিনি।
মাহজাবীন হক বলেন, অনলাইনে যৌন নিপীড়ন বিষয়ে শিশুদের সচেতন করতে শিক্ষকদের শিশু বান্ধব আচরণ করতে হবে। এটি শুধু পাঠ্যপুস্তক বা পরীক্ষার মধ্যে সীমা বদ্ধ না রেখে এর ব্যাপকতা বাড়াতে হবে। সমস্যাগুলো নিয়ে শিক্ষক অভিভাবকদের সচেতন করতে হবে।
লুৎফুন নাহার বলেন, অনলাইনে যৌন নিপীড়ন বিষয়টি পাঠ্যপুস্তকে দেওয়ার আগে এ সম্পর্কে আরও গবেষণার পাশাপাশি শিক্ষকদের দক্ষতা বাড়াতে হবে।
মূল প্রবন্ধে আম্বিকা রায় বলেন, বর্তমানে অনলাইনে শিশু যৌন নিপীড়ন মহামারি আকার ধারণ করেছে। একদিনে ৩৫০ থেকে ৪০০ জন শিশু এর শিকার হচ্ছে। কোমলমতি শিশুদের নিরাপদ অনলাইন ব্যবহার কৌশল না জানালে এ ধরনের ঘটনা বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি শিশু আত্মহত্যার সংখ্যা বেড়ে যাবে।

 

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (1)
ash ২১ মে, ২০১৯, ৬:৪৪ এএম says : 0
KUDUM DER CALCHUR PURO PURI DESHE DUKE GASE !
Total Reply(0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন