ঢাকা, মঙ্গলবার ২৫ জুন ২০১৯, ১১ আষাঢ় ১৪২৬, ২১ শাওয়াল ১৪৪০ হিজরী।

জাতীয় সংবাদ

ইফতার করানোর সওয়াব

এ. কে. এম. ফজলুর রহমান মুন্শী | প্রকাশের সময় : ২৩ মে, ২০১৯, ১২:০৪ এএম

যে ব্যক্তি কোনো রোজাদারকে ইফতার করায় সে সেই রোজাদারের সমান সওয়াব লাভ করবে। কিন্তু তাতে মূল রোজাদারের জন্য নির্দিষ্ট সওয়াবের পরিমাণ সামান্যতমও হ্রাস পাবে না। এ প্রসঙ্গে হযরত যায়েদ ইবনে খালিদ জুহানী (রা.) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন : যে লোক একজন রোজাদারকে ইফতার করাবে, তার জন্য সেই রোজাদারের মতই সওয়াব লেখা হবে। কিন্তু তাতে মূল রোজাদারের সওয়াব হতে এক বিন্দুও কম করা হবে না। (নাসাঈ, তিরমিজী, ইবনে মাজাহ)।
হযরত সালমান আলফারেসী (রা.) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলূল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন : যে ব্যক্তি কোনো রোজাদারকে কিছু হালাল জিনিস খাইয়ে ও পান করিয়ে ইফতার করায় ফেরেশতাগণ রমজান মাসের সমস্ত সময় ধরে তার প্রতি রহমত বর্ষণ করেন এবং জিব্রাঈল (আ.) লাইলাতুল কদরে তার জন্য রহমতের দোয়া করেন। (তাবরানী, ইবনে হাব্বান) তাবরানীর বর্ণনার শেষাংশে একথার উল্লেখ আছে যে, জিব্রাঈল (আ.) কদরের রাতে তার সাথে মুসাফাহা করেন। ফলে তার দিল নরম হয় এবং তার অশ্রুধারা প্রবল বেগে প্রবাহিত হয়। এই কথার পর রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর কাছে জিজ্ঞাসা করা হয় যে, ইফতার করানোর মত যার কাছে কিছুই নাই সে কী করবে? উত্তরে রাসূলুল্লাহ (সা.) বললেন : সে এক মুঠো খাবার দিয়ে ইফতার করাবে। এক লোকমা রুটি বা খাদ্যবস্তু না থাকলে কী করা যাবে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বললেন : এক চুমুক দুধ দিয়ে ইফতার করাবে। আর তাও না থাকলে পান করার পানি দিয়েই ইফতার করাবে।
মোটকথা ইফতার করানেওয়ালা ব্যক্তির যাই তাওফিক জোটে তা দিয়েই রোজাদারকে ইফতার করানোর মাঝে অসংখ্য ও অগণিত সওয়াব নিহিত আছে। এ ব্যাপারে সকলেরই উচিত সচেতনতার সাথে এই সওয়াব লাভের জন্য কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা। কেননা, এতে রোজার সওয়াব পরিপূর্ণ লাভ করার পাশাপাশি অতিরিক্ত পুণ্য লাভের সৌভাগ্য ও নসীব হয়। আল্লাহপাক আমাদেরকে সেই সৌভাগ্য দান করুন। আমীন!

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন