ঢাকা, সোমবার, ২৬ আগস্ট ২০১৯, ১১ ভাদ্র ১৪২৬, ২৪ যিলহজ ১৪৪০ হিজরী।

অভ্যন্তরীণ

ওলামায়ে কেরামকে এদেশের কুফরি শক্তির বিরুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে ফেনীতে ইসমাঈল নূরপুরী

ফেনী জেলা সংবাদদাতা | প্রকাশের সময় : ১২ জুন, ২০১৯, ১২:০৫ এএম

আলেমগণ হলেন নবীদের উত্তরাধিকারী, ওলামায়ে কেরাম ঐক্যবদ্ধ হয়ে এক কাতারে দাঁড়ালে এদেশের কুফরি শক্তিরা দাঁড়ানোর সাহস পেতনা। কিন্তু আজ প্রতিটা সমাজে অসংখ্য ওলামায়ে কেরাম থাকা সত্বেও সমাজের মানুষ গুনাহ বেবিচারে লিপ্ত হচ্ছে। কারণ ওলামায়ে কেরাম তাদের মাকাম থেকে সরে যাওয়ার কারণে এসব ধরনের ঘটনা অহরহ ঘটছে। তিনি বলেন, সমাজের প্রত্যেকটা ওলামায়ে কেরামকে তাদের যানমাল দিয়ে এই কুফরি শক্তির বিরুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার আহবান জানান।

গত সোমবার সন্ধ্যায় শহরের একটি চাইনিজ হোটেলে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ফেনী জেলা আয়োজিত ঈদ পূর্ণমিলনী ও ওলামা সূধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে খেলাফতের কেন্দ্রীয় আমির শায়খুল হাদীস আল্লামা ইসমাঈল নূরপুরী এসব কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন ঈদের প্রকৃত আনন্দ উপভোগ করতে হলে খেলাফত প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই। একটি মাস রমজানের রোজা পালনের পর ঈমানদারদের জন্য আল্লাহ তায়ালা ঈদ-উল ফিতর দান করেছেন। ধনী গরীব কাদে কাদ মিলিয়ে ঈদ পালনের মাধ্যমে একে অন্যোর সুখ দুঃখ ভাগাভাগী করার পবিত্র এ বিধানকে যথাযথ অনুধাবন করতে হলে খেলাফত প্রতিষ্ঠা করতে হবে। পানি-বিহীন মাছের অবস্থা যেমন করুণ, খেলাফত বিহীন মুসলমানদের অবস্থাও ঠিক তেমন হয়ে গেছে। তাই দ্বীনদার বুদ্ধিজীবী ও ওলামায়ে কেরামের সমন্ধয়ে খেলাফত প্রতিষ্ঠার পথকে সুগম করতে সবাইকে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের পতাকা তলে সমবেত হতে হবে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন খেলাফতের ফেনী জেলা সভাপতি মাওলানা জসিম উদ্দিন ও পরিচালনা করেন সেক্রেটারি মাওলানা আবু বকর। এসময় উপস্থিত ছিলেন খেলাফতের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা এনামুল হক মূসা, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মাওলানা হারুনুর রশীদ, খালেদ সাইফুল্লাহ, মাওলানা আমির হোসাইন, মাওলানা আবদুর রহামান, মাওলানা আবুল কাশেম, মাওলানা মামুনুর রশীদ, হাফেজ সালাউদ্দিন, মাওলানা নজরুল ইসলাম, মাওলানা শরীফুল্লাহ, মাওলানা আবুল বাসেত প্রমুখ।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন