ঢাকা, বুধবার, ১৬ অক্টোবর ২০১৯, ০১ কার্তিক ১৪২৬, ১৬ সফর ১৪৪১ হিজরী

জাতীয় সংবাদ

ইফা ডিজি ফাইল নিয়ে চম্পট দিলেন

আন্দোলনকারীদের ধৈর্য ধরার নির্দেশ ধর্ম প্রতিমন্ত্রীর

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ২২ জুন, ২০১৯, ১২:০৬ এএম

দুর্নীতির দায়ে অভিযুক্ত ইফার বিতর্কিত ডিজি সামীম মোহাম্মদ আফজাল তার লোকজন নিয়ে গতকাল শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে বন্ধের দিনে তার দপ্তরে ঢুকে গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র নিয়ে চম্পট দিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ সময়ে তিনি তার দপ্তরে কিছু সময় অবস্থান করেন। ডিজির এ ধরনের কর্মকান্ডে ইফার সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বিস্মিত হন। ইফার আন্দোলনকারী পরিচালকরা এ বিষয়টি ধর্ম প্রতিমন্ত্রী আলহাজ শেখ মো. আব্দুল্লাহ ও ইসলামিক ফাউন্ডেশন বোর্ড অব গভর্নরসের সদস্য সিরাজ উদ্দিন আহমদকে অবহিত করেছেন। এতে তারা হতবাক হন।

বিক্ষুব্ধ আন্দোলনকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীরা গতকাল জুমার আগে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে ডিজির কক্ষে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী আলহাজ শেখ মো. আব্দুল্লাহকে বন্ধের দিনে ডিজি ফাইল নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি অবহিত করেন। ধর্ম প্রতিমন্ত্রী এ সময়ে আন্দোলনকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশে বলেন, আপনারা ধৈর্য ধারণ এবং স্ব স্ব কর্মস্থলে যোগদান করুন। ইফার ডিজি সংক্রান্ত জটিলতা প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী সম্মানজনকভাবে সমাধান করা হবে। এ সময়ে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- ইফার সচিব কাজী নূরুল ইসলাম ও ধর্ম প্রতিমন্ত্রীর এপিএস শেখ নাজমুল হক সৈকত, আন্দোলনকারী নেতা ও ইফার পরিচালক মাহবুব আলম, পরিচালক মুহীউদ্দিন মজুমদার বাদল, পরিচালক শফিকুর রহমান তালুকদার, পরিচালক আনিসুর রহমান সরকার, পরিচালক তৌহিদুল আনোয়ার, উপ-পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান, উপ-পরিচালক আবু বকর সিদ্দিক, উপ-পরিচালক রফিকুল ইসলাম ও সহকারী পরিচালক সাইফুল ইসলাম।

ধর্ম প্রতিমন্ত্রী বলেন, ইফার ডিজি সংক্রান্ত জটিলতা দু-এক দিনের মধ্যে নিরসন হবে ইনশাআল্লাহ। আমরা তাকে সম্মানজনকভাবে বিদায় দিতে চাই। ডিজি ১০ বছর ইফার দায়িত্ব পালন করেছেন। এখন তিনি গুরুতর অসুস্থ। প্রতিমন্ত্রী বলেন, ডিজি সংক্রান্ত জটিলতার বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী অবগত হয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়ে যথাযথ দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। সেভাবেই কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, আমি নিশ্চয়তা দিচ্ছি, ইফার আন্দোলনকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে কোনো রকম সাসপেন্ড, হয়রানিমূলক বদলি বা প্রশাসনিক শাস্তি দেয়া হবে না। প্রতিমন্ত্রী বলেন, ইফার ডিজি ও আন্দোলনকারী উভয় পক্ষের ত্রæটি ছিল। উভয় পক্ষকেই প্রধানমন্ত্রীর দিকনির্দেশনা মেনে নিতে হবে। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের গড়া প্রতিষ্ঠান ইফার সুনাম ক্ষুন্ন হয়, এমন কার্যক্রম থেকে বিরত থাকতে হবে। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ঐতিহ্য, ভাবমর্যাদা রক্ষায় সবাইকে আন্তরিকতার সাথে কাজ করতে হবে বলেও ধর্ম প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন। রাতে ইফার বোর্ড সদস্য সিরাজ উদ্দিন আহমদ ডিজি গতকাল বন্ধের দিনে তার দপ্তর থেকে কতিপয় ফাইল নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি অবহিত হয়েছেন বলে স্বীকার করেন। ইফার বোর্ড সদস্য আলহাজ মিসবাহুর রহমান চৌধুরী এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, ইফা ডিজি গতকাল বন্ধের দিনে অফিস করেছেন। তবে ফাইলপত্র নিয়ে গেছেন, এ ব্যাপারে কিছু জানি না। ইফার উপ-পরিচালক আবু বকর সিদ্দিক ও অপর এক পরিচালক বলেন, গতকাল শুক্রবার বন্ধের দিনে ডিজি সামীম মোহাম্মদ আফজাল অফিস করে কতিপয় নথিপত্র নিয়ে গেছেন। এ বিষয়টি ধর্ম প্রতিমন্ত্রীকে আমরা অবহিত করেছি।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (10)
Shimu Talukder ২২ জুন, ২০১৯, ১২:৫৮ এএম says : 0
দাড়ি রেখে মাথায় টুপি পড়লেই যে ধার্মিক হওয়া যায় না দুর্নীতিবাজ সামীম আফজালই তার বড় প্রমান।এই ধরনের ব্যক্তিকেই বলা হয় বক ধার্মিক।
Total Reply(0)
Khan Ashraful Alam ২২ জুন, ২০১৯, ১২:৫৮ এএম says : 0
সরাসরি রাজনীতি করেন না কিন্ত দালালী করেন, বয়স হয়েছে,মাল পানি কামিয়েছেন তাই বাতিলের খাতায় যাচ্ছেন, সর্বশেষ উনি।
Total Reply(0)
Akhter Hossain ২২ জুন, ২০১৯, ১২:৫৯ এএম says : 0
কলঙ্কিত করে গেলেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনকে। ভাবতে অবাক লাগে, কোন যোগ্যতা বলে এই বাজে লোকটি ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ডিজির পদটি বাগিয়ে নিতে পেরেছিলেন?
Total Reply(0)
Sharafat Ullah ২২ জুন, ২০১৯, ১২:৫৯ এএম says : 0
একজন চামার প্রকৃতির লোক, ব্যাবহার অনেক খারাপ এই ছাগলের, ওর উপড় মানুষের অভিষাপ আছে,
Total Reply(0)
Busaad Ilyasmadani ২২ জুন, ২০১৯, ১২:৫৯ এএম says : 0
তিনি ইসলামী ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান হওয়ার যোগ্যতা রাখেন না। চুক্তিতে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল।
Total Reply(0)
Niloy Rehman Chowdhury ২২ জুন, ২০১৯, ১:০০ এএম says : 0
শামীম আফজাল বায়তুল মোকাররম মসজিদের পিলার গায়েব করে মসজিকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছেন।
Total Reply(0)
Maksudullah Maksud ২২ জুন, ২০১৯, ১:০০ এএম says : 0
এটা অবশ্যই মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে নির্ধারিত ছিল। লোকটা নিজেতো বদকার সাথে সাথে উলামায়ে কেরামকেও গোনাহগার বানিয়েছে। কতবার যে সে সম্মানিত আলিমদেরকে মাগরিবের নামাজ ক্বাজা করিয়েছে তার হিসাব নাই। আর সে নিজেও বে নামাজি- কবর পুজারি। কবর পুজাকে সরকারি পৃষ্ঠপোশকতা দিয়ে প্রতিষ্ঠার যাবতীয় চেষ্টা সে করেছে।
Total Reply(0)
Ayub Ali ২২ জুন, ২০১৯, ১:০১ এএম says : 0
এই হারামজাদা কে গ্রেফতার করা উচিত ছিল। এ পশ্চিমী দালাল।
Total Reply(0)
rose ২২ জুন, ২০১৯, ১১:২৮ পিএম says : 0
ওকে ছয় মাস রোদে কান ধরে ওটা বসানো উচিত
Total Reply(0)
Nannu chowhan ২২ জুন, ২০১৯, ৮:৫৮ এএম says : 0
Eai EF er DG she baje lok,take islamic foundationer moto eakta protishtane dg niog kore Bangladeshe islamic karjjo kolapke dhongsho korar shorjontro sara ar kisu noy....
Total Reply(0)

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন