ঢাকা, মঙ্গলবার, ২২ অক্টোবর ২০১৯, ০৬ কার্তিক ১৪২৬, ২২ সফর ১৪৪১ হিজরী

অভ্যন্তরীণ

ইন্দুরকানীতে বৈঠকের রায় নিয়ে সংঘর্ষে আহত ৩

ইন্দুরকানী (পিরোজপুর) উপজেলা সংবাদদাতা | প্রকাশের সময় : ২৬ জুন, ২০১৯, ১২:০৫ এএম

ইন্দুরকানীতে মিমাংসা রায়কে কেন্দ্র করে উভয়ের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষে আহত তিন। গত বুধবার উপজেলার বালিপাড়া চন্ডিপুর বাজারে বাকি চাওয়াকে কেন্দ্র করে ক্রেতা শুক্কুর আলী ও ব্যবসায়ী হাবিবুর রহমান মধ্যে কথা কাটাকাটি সংঘর্ষের রূপ নেয়।

এ বিষয় নিয়ে চন্ডিপুর বাজার কমিটি মিমাংসা জন্য চন্ডিপুর বাজারে উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যন রুহুল আমিন বাগা উভয় পক্ষকে নিয়ে বৈঠকে বসেন। বৈঠক করার সময় উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এ্যাড. এম. মতিউর রহমান উপস্থিত ছিলেন। মিমাংসার শেষ প্রান্তে ক্রেতা শুক্কুর আলীকে ভুল স্বীকার করতে বললে তিনি স্বীকার না করে সালিসদারদের উপর ক্ষুদ্ধ হন। তখন সালিসদার রুহুল আমিন বাগা শুক্কুর আলীকে একটি চর মারেন। একে কেন্দ্র করে রুহুল আমিন গ্রুপ ও হাওলাদার গ্রুপের মধ্যে চরম উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। ফলে দুই গ্রুপের মধ্যে চলছে দফায় দফায় সংঘর্ষ।

গত সোমবার দোকানদার মো. ছরোয়ার হোসেন কে বাড়ি যাওয়ার পথে রাহাত ও শুক্কুরের নেতৃত্বে দেশীয় অস্র দিয়ে গুরুতর আহত করে। তার সাথে থাকা নগদ টাকা ও মোবাইল নিয়ে যায়। সে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধিন আছেন। এ ঘটনাকে কন্দ্রে করে এনামুল, শুক্কুর ও ইমন আহত হন। ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাজারের বিক্রেতা ও সাধারন লোকজনদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

এ বিষয়ে বাজার ব্যবসায়ী মো. হারুন বাগা জানান, শুক্কুর আলী দীর্ঘদিন নেশা করেন এবং বিভিন্ন দোকান থেকে বাকি না দিলে হুমকি দেন। বাজার কমিটির সাধারন সম্পদক রুহুল আমিন বাগা জানান, একটি গ্রুপ দীর্ঘ দিন ধরে প্রভাবশালি মহলের ছত্রছায়ায় চন্ডিপুর বাজারে নিরব চাঁদাবাজী করে আসছে। আমরা বাজার কমিটি এবং ব্যবসায়ীরা এর প্রতিবাদ করলে এ ঘটনা ঘটে।
ইন্দুরকানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান জানান, পরিস্থিত নিয়ন্ত্রনের জন্য পুলিশ পাঠানো হয়েছে লিখিত অভিযোগ পেলে আমরা ব্যবস্থা নেব।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (1)
মোঃ ফোরকান উদ্দীন ২৬ জুন, ২০১৯, ৯:৩২ পিএম says : 0
বিষয়টা আমার কাছে হাস্যকর লাগছে।কেনইবা লাগবেনা যারা এখানে বিচার করতে গেছে প্রত্যেক বিচারককে আমি চিনি এবং জানি,তাদের উচিত ছিল দুইটা গ্রুপের সদস্যদের কাছে ডেকে তারা তাদেরকে বিচারে মানবে কিনা, সেটা নিচ্চিত হয়ে তারপর সেখানে যাওয়া।তাহলে এভাবে অবাঞ্চিত ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা কম ছিল।যদি না মানত তাহলে আইনের আশ্রয় নেওয়া উচিত ছিল।
Total Reply(0)

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন