ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৪ আশ্বিন ১৪২৬, ১৯ মুহাররম ১৪৪১ হিজরী।

জাতীয় সংবাদ

সঞ্চয়পত্রে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগে সতর্কতা

অর্থনৈতিক রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ৩ জুলাই, ২০১৯, ৬:১২ পিএম

নিয়মের বাইরে কেউ যাতে সঞ্চয়পত্র কিনতে না পারে সেজন্য ব্যাংকগুলোকে সজাগ থাকতে বলেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করা হয়েছে।

ডেট ম্যানেজমেন্ট ডিপার্টমেন্ট থেকে জারি করা সব ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো ‘প্রাতিষ্ঠানিক অর্থ দ্বারা সঞ্চয় স্কিম ক্রয়ের ক্ষেত্রে সঞ্চয়পত্র বিধিমালা, ১৯৭৭ যথাযথভাবে অনুসরণ’ শীর্ষক সার্কুলারে বলা হয়েছে, জাতীয় সঞ্চয়স্কিম অনলাইন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম’ এর মাধ্যমে বর্তমানে ঢাকাসহ সারা দেশে একই সিস্টেম চালু হয়েছে।

এ সিস্টেম হতে প্রাপ্ত দৈনিক বিবরণী পর্যালোচনা করে দেখা যাচ্ছে, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ডের নামে বড় অংকের অর্থ সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ করা হচ্ছে। কিন্ত এক্ষেত্রে সঞ্চয়পত্র বিধিমালা ১৯৭৭ এর বিধি ৫ এর উপবিধি ৫ অনুযায়ী কর কমিশনারের প্রত্যায়ন গ্রহণপূর্বক কৃষিভিত্তিক কয়েকটি ফার্মের আয় দ্বারা পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র ক্রয় করা যাবে। সঞ্চয়পত্রের উচ্চ সুদের হারের কারণে প্রতিষ্ঠানিক তহবিল দ্বারা সঞ্চয় স্কিম ক্রয়ের ক্ষেত্রে সুযোগ অপব্যবহার না করা হয় সে বিষয়টি নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

ডেট ম্যানেজমেন্ট ডিপার্টমেন্টের মহাব্যবস্থাপক খুরশীদ আলম বলেন, আমরা দেখতে পাচ্ছিলাম কিছু প্রতিষ্ঠান আইন ভঙ্গ করে সরকারি সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ করছিল। নিয়ম অনুযায়ী কোন প্রতিষ্ঠান সরকারি সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ করতে হলে এনবিআরের একটি সার্টিফিকেট লাগে। এই আইন মানা হচ্ছিল না। সরকার এখন এ বিষয়ে খুব সজাগ। আমরা বলেছি, যে আইনটি আছে সেটি যেন মেনে চলা হয়।

সার্কুলারে বাস্তবায়নাধীন ‘সরকারি ব্যয় ব্যবস্থাপনা শক্তিশালীকরণ : অগ্রাধিকার কার্যক্রমসমূহের ধারাবাহিকতা রক্ষা’ শীর্ষক কর্মসূচির আওতায় প্রণীত ‘জাতীয় সঞ্চয় অনলাইন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম’ এর মাধ্যমে প্রাতিষ্ঠানিক তহবিল বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সঞ্চয়পত্র বিধিমালা, ১৯৭৭ যথাযথভাবে অনুসরণের বিষয়টি নিশ্চিত করার জন্য ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

২০১৫ সালের ১০ মে সব ধরনের সঞ্চয়পত্রের সুদ হার গড়ে দুই শতাংশ কমানো হয়, কিন্ত বিক্রি কমেনি। এর পরেও দুই দফা সঞ্চয়পত্রের সুদের হার কমানোর উদ্যোগ নিয়েছিলেন সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। কিন্তু সামাজিক নিরাপত্তার অন্যতম এই ক্ষেত্রটিতে শেষ পর্যন্ত কমানো সম্ভব হয়নি।

নতুন বাজেটে মুনাফার উপর কর বাড়ানো হয়েছে। এতোদিন সঞ্চয়পত্রের মুনাফা থেকে সরকার পাঁচ শতাংশ উৎসে কর কেটে রাখতো। ১ জুলাই থেকে ১০ শতাংশ করে কাটবে।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন