ঢাকা, মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০১৯, ০১ শ্রাবণ ১৪২৬, ১২ যিলক্বদ ১৪৪০ হিজরী।

জাতীয় সংবাদ

ছাদ দেখানোর কথা বলে পাশবিক নির্যাতনে খুন

শিশু সায়মা হত্যায় ঘাতকের লোমহর্ষক বর্ণনা

বিশেষ সংবাদদাতা | প্রকাশের সময় : ৮ জুলাই, ২০১৯, ১২:০৫ এএম

নির্মম। বর্বর। নিষ্ঠুর। অমানবিক। অমানুষিক। কোনো শব্দ দিয়েই যেন এই ঘটনার ধিক্কার জানানো সম্ভব নয়। সাত বছর বয়সী মেয়ে সামিয়া আফরিন সায়মাকে নির্মমভাবে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়। মৃতদেহে মেলে রক্তের দাগ। ধর্ষণের সময় চিৎকার করায় মুখ চেপে ধরে ধর্ষক হারুন অর রশিদ। হত্যার পর গলায় রশি পেঁচিয়ে টেনে নিয়ে যায় সায়মাকে। ছাদ দেখানোর কথা বলে ঘাতক হারুন আটতলার লিফট থেকে ছাদে নিয়ে যায় সায়মাকে। সেখানে নবনির্মিত নবম তলার ফ্ল্যাটে শিশুটিকে ধর্ষণ ও অমানুষিক নির্যাতন চালায় সে। গতকাল দুপুরে ঢাকা মহানগর পুলিশের মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এভাবেই লোমহর্ষক বর্ণনা দেন অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) আব্দুল বাতেন। এ সময় সায়মার বাবা আবদুস সালাম বলেন, আজকের পর যেন ঘটনাটা ধামাচাপা পড়ে না যায়। দ্রুত সময়ের মধ্যে আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি চাই।

রাজধানীর ওয়ারীর বনগ্রামের স্কুলছাত্রী সায়মাকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত হারুন অর রশিদকে গতকাল রোববার সকালে কুমিল্লার তিতাসের ডাবরডাঙ্গা এলাকা থেকে গ্রেফতার করে ডিবি। অভিযুক্ত হারুন গ্রেফতারের পর স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে ডিবির কাছে।
উল্লেখ্য, হারুন সায়মাদের বাড়ি যে ভবনে, সেটির আটতলার বাসিন্দা পারভেজের খালাতো ভাই। তার বাড়ি নারায়ণগঞ্জে। দুই মাস ধরে হারুন আটতলার ওই ফ্ল্যাটেই ছিল। হারুনের স্বীকারোক্তির বর্ণনা দিয়ে অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) আব্দুল বাতেন সাংবাদিকদের বলেন, এ ধরনের ঘটনা অত্যন্ত কুরুচির পরিচায়ক। মানবতাবিরোধী অপরাধ। এ ধরনের অপরাধীরা সাধারণত ধর্ষণের পর যখন ভাবে এ অপকর্মের কারণে সে বাঁচতে পারবে না, তখনই হত্যার মতো ঘটনা ঘটায়। এ ক্ষেত্রেও তাই ঘটিয়েছে ঘাতক হারুন।

তিনি আরো বলেন, গত ৫ জুলাই শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে সাড়ে ৬টার মধ্যে এ ঘটনা ঘটে। ওই দিন মাকে বলে শিশু সায়মা আটতলায় যায়। সেখানে ফ্ল্যাট মালিক পারভেজের একটি বাচ্চা আছে তার সঙ্গে খেলা করতে। সেখানে গেলে পারভেজের স্ত্রী জানায় তার মেয়ে ঘুমাচ্ছে। সেখান থেকে বাসায় ফেরার উদ্দেশে লিফটে ওঠে সায়মা। লিফটেই সায়মার সঙ্গে দেখা হয় পারভেজের খালাতো ভাই হারুনের। হারুন সায়মাকে লিফট থেকে ছাদ দেখানোর প্রলোভন দেখিয়ে ছাদে নিয়ে যায়। সেখানে অত্যন্ত পাশবিকভাবে সায়মাকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। সায়মা চিৎকার করলে মুখ চেপে ধর্ষণ করে। সায়মাকে নিস্তেজ দেখে গলায় রশি লাগিয়ে টেনে নিয়ে যায় রান্নাঘরে। সেখানে সিঙ্কের নিচে মৃতদেহ রাখা হয়। এরপর পারভেজের বাসায় না ফিরে পালিয়ে যায় হারুন। হারুন পারভেজের খালাতো ভাই। পারভেজের বাসায় দুই মাস ধরে থেকে তার রংয়ের দোকানে কাজ করে আসছিল।
আব্দুল বাতেন আরও বলেন, হারুনকে মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করে রিমান্ড চাওয়া হয়েছে। হারুন গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার তিতাস থানার ডাবরডাঙ্গা এলাকায় গিয়ে গা-ঢাকা দেয়।

ওয়ারীর বনগ্রাামের যে বহুতল ভবনে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনাটি ঘটেছে, তার সপ্তম তলায় থাকত সে। আর শিশুটি পরিবারের সঙ্গে থাকত ষষ্ঠতলার ফ্ল্যাটে। শিশুর বাবা আবদুস সালাম নবাবপুরের একজন ব্যবসায়ী। গত ফেব্রুয়ারিতে ওই ভবনে ফ্ল্যাট কেনার পর তিনি পরিবার নিয়ে সেখানে ওঠেন। তার দুই ছেলে, দুই মেয়ের মধ্যে সবার ছোট সায়মা রাজধানীর একটি স্কুলে নার্সারিতে পড়ত। অন্য ফ্ল্যাটের শিশুদের সঙ্গে খেলতে যাওয়ার কথা বলে প্রতিদিনের মতোই বাসা থেকে বের হয়েছিল সে। কিন্তু রাত হওয়ার পরও না ফেরায় তার পরিবার খোঁজাখুঁজি শুরু করে। পরে নবম তলায় খালি ফ্ল্যাটের ভেতরে তাকে পাওয়া যায় গলায় রশি পেঁচানো, মুখ বাঁধা ও রক্তাক্ত অবস্থায়।

শিশু সায়মার লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেছেন ওয়ারী থানার এসআই হারুন অর রশিদ। প্রতিবেদনে তিনি উল্লেখ করেছেন, শিশুটির মাথার বামপাশে সামান্য থেঁতলানো জখম রয়েছে। মুখ দিয়ে রক্ত বের হওয়ার চিহ্ন রয়েছে। গোপনাঙ্গ রক্তাক্ত ও থেঁতলানো। নবম তলার উত্তর-পশ্চিম পাশের ফ্ল্যাটের রান্নাঘরে লাশ পাওয়া যায়।

ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের ফরেনসিক বিভাগের প্রধান ডা. সোহেল মাহমুদ জানান, মেয়েটিকে ধর্ষণ করা হয় এবং পরে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। ময়নাতদন্ত শেষে শনিবার বিকালে আজিমপুর কবরস্থানে দাফন করা হয় শিশুটিকে।

ধর্ষকের ফাঁসি চাইলেন সায়মার মা-বাবা
গতকাল দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে সায়মার বাবা আবদুস সালাম সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে কান্নায় ভেঙে পড়েন। এ সময় তিনি বলেন, আমার মেয়েকে দু’ভাবে নির্যাতিত করা হলো। আমি সর্বোচ্চ তিন থেকে ছয় মাসের মধ্যে আসামির ফাঁসি কার্যকর চাই। খুবই অল্প সময়ের মধ্যে আসামিকে গ্রেফতার করায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সাংবাদিকদের ধন্যবাদ জানান তিনি।

দেশবাসীর উদ্দেশে তিনি বলেন, যাদের সন্তান আছে তারা এসব কুরুচিপূর্ণ ব্যক্তির কাছ থেকে কিভাবে আপনার সন্তানদের দূরে রাখবেন বিষয়টি ভেবে দেখবেন। আমি আমার মেয়েকে দেখে রাখতে পারিনি। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে মেয়েটা আমার স্ত্রীকে বলে ১০ মিনিটের জন্য বাইরে গেল। এরপর আমার মেয়েটা আর ফিরল না, তাকে নৃশংসভাবে খুন করা হলো। দুই দিন ধরে আমি একফোঁটা পানিও খেতে পারিনি। ঘরে গেলে মেয়ের কাপড়চোপড়, ছবি দেখে আর ঠিক থাকতে পারি না। আমার পুরো পরিবারটা বিধ্বস্ত হয়ে গেল।
সায়মার বাবা আবদুস সালাম আরো বলেন, মসজিদে মাগরিবের নামাজ পড়ে বাসায় আসি। বাসায় ফিরে সায়মার মাকে জিজ্ঞেস করি মেয়ে কোথায়? তিনি জানান, ওপরের ফ্ল্যাটে খেলতে গেছে। পরে ৯ তলার নির্মাণাধীন ফ্ল্যাটে তার লাশ পাই।

ভেজাগলায় মেয়ের স্মৃতিচারণ করে চলেন বাবা আবদুস সালাম। পরক্ষণেই চোখ মুছতে মুছতে বলেন, আজকের পর যেন ঘটনাটা ধামাচাপা পড়ে না যায়। দ্রুত সময়ের মধ্যে আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি চাই।
সন্তান হারানোর কষ্টে কাতর মা সানজিদা আক্তার। তার আহাজারিতে কেঁপে উঠছে চারপাশ। আহাজারির মাঝে একটাই চাওয়া বিচার চান সন্তান হত্যার। তিনি বলেন, আমি কিভাবে থাকব। এমন নির্মমভাবে আমার মেয়েকে হত্যা করা হয়েছে। আমি এর বিচার চাই। প্রকাশ্যে ওই ঘাতকের ফাঁসি চাই।

ধর্ষক হারুনের ফাঁসির দাবিতে উত্তাল সোশ্যাল মিডিয়া
ধর্ষক হারুনের ফাঁসির দাবিতে উত্তাল সোশ্যাল মিডিয়া। দাবি উঠেছে, জনসম্মুখে তার শাস্তির ব্যবস্থা করা হোক। শিশু সায়মাকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় নাহিদ বোরহান নামের একজন তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে লিখেছেন, ওয়ারীর শিশু সায়মার ধর্ষণ ও হত্যাকারী হারুনুর রশিদ। প্রশাসনকে ধন্যবাদ। এই জানোয়ারের সর্বোচ্চ শাস্তি চাই।
হারুনের গ্রেফতার হওয়া ছবিসহ তার পোস্টের নিচে এ কে সাইফুল ইসলাম নামের একজন লিখেছেন, এদের আমাদের কাছে ছেড়ে দেয়া হোক। ওদের মতো পশুদের চামড়া তুলে লবণ এবং লঙ্কা গুঁড়া লাগিয়ে রোদে শুকাতে দিতে হবে। শুকানোর পর আবার লবণ মরিচ দিতে হবে। এভাবে বারবার দিতে হবে।

শিশু সায়মা ছবি পোস্ট করে এস কে লাভলী নামের আরও একজন লিখেছেন, ‘নিচের এই ছবিটা আমাকে খুব কস্ট (কষ্ট) দিচ্ছে, কিছুতেই মন সরাতে পারছি না...। আমিও এক কন্যা সন্তানের হতভাগ্য মা... পেটের দায়ে যখন বাসা থেকে বাইরে যা-ই... তখন কাজে মন বসাতে খুব কস্ট (কষ্ট) হয়... মন থাকে বাসায় পড়ে, আমার মেয়ে ঠিক আছে তো...? কোন বিপদ ওকি মারছে না তো...? একটু পর পর কল দিচ্ছি একবার কল রিসিভ না করলে মনের ভয়ে কতকিছুই না ভেবে হাত-পা ঠান্ডা হয়ে যায়। যদি কোনো বিপদ হয়ে যায় তাহলে আমি কী করব কিভাবে বাঁচব... আল্লাহর কসম, আমি যদি জীবনে একবারও এমন কোনো জানোয়ারের দেখা পাই... কচুকাটা করে কাটব, ওই জানোয়ারকে বুঝিয়ে দেবো বাকি জানোয়ারদের যে-ই এ-ই মেয়ে মানুষ তোকে দুনিয়াতে আলো দেখিয়েছে আবার এ-ই মেয়ে মানুষই... কেটে কুত্তারে খাওয়াচ্ছি... হয়তো কুত্তাও ছুঁয়ে দেখবে না ওসব নরপিশাচের মাংস।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (22)
Syed Zahidun Nabi ৮ জুলাই, ২০১৯, ১:০৫ এএম says : 0
এ কেমন সমাজ ? কোন চেতনা অবশ করা ভয়ের পরিবেশে আমরা বাস করছি। দূর্ভাগ্য এদেশের মানুষের। @যে সমাজে ভিক্ষুকের টাকা ছিনতাই হয়। @প্রকাশ্যে রাস্তায় ফিল্মি স্টাইলে মানুষকে কুপিয়ে মারা হয়। @প্রতিদিন দেশের কোথাও না কোথাও ধর্ষণ হচ্ছে শিশু থেকে বৃদ্ধা। @প্রতিটি খাবার ভেজাল মিশ্রিত। @শিক্ষকের কাছে ছাত্রী নিরাপদ নয়। প্রায় সব অপরাধের পেছনে কাজ করে মাদক ও ক্ষমতা। ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্ট দূতারতের মতো যদি ষাট হাজার মাদক ব্যবসায়ীও হত্যা করতে হয়, তবে তাই করুন।
Total Reply(0)
Nancy Machan ৮ জুলাই, ২০১৯, ১:০৫ এএম says : 0
Just look at this innocent little girl. Where is your heart Who did this should be hung in public no need for this
Total Reply(0)
Amla Chowdhury ৮ জুলাই, ২০১৯, ১:০৫ এএম says : 0
Can't stop my tears for her . Can't remove her face from eyes She had painful death. Why would someone wants to be rape a child!? Why ?? Why ?! Only God knows what the child went through. Duahs are for the family may Allah give them sabar in such hard time. May Allah give jannatul ferdhaus to sayma... Her killer should be stone to death in public...
Total Reply(0)
Sudip Bhattacharjee ৮ জুলাই, ২০১৯, ১:০৫ এএম says : 0
হারুনকে মিরপুর চিড়িয়াখানার বাঘের মুখে ছেড়ে দিয়ে লাইভ-টেলিকাষ্ট করা হউক।মানবিক সমাজ গঠনে ২/৩টা অমানবিক ঘটনার সাক্ষী দেশের জন্য মঙ্গলজনক।
Total Reply(0)
Shafiqul Alam ৮ জুলাই, ২০১৯, ১:০৬ এএম says : 0
বাড়ী টাকে ধ্বংস করে মা মনির নামে, পার্ক, পাঠাগার চাই। আমরা অসভ্য অমানুষরা মনে রাখুক। নিজেদের জংলীপনা।
Total Reply(0)
Parveen Ferdousi ৮ জুলাই, ২০১৯, ১:০৬ এএম says : 0
এটা কে জানোয়ারের সাথে তুলনা করলে জানোয়ার কে অপমান করা হবে ।কারন জানোয়ারেরও মায়া আছে।
Total Reply(0)
Selina Yesmin Shelly ৮ জুলাই, ২০১৯, ১:০৬ এএম says : 0
ওকে মারা একেবারেই ঠিক হবে না। মিউজিয়ামে সংরক্ষিত করে রাখা হোক। মা, তুমি ফেরেস্তা তুল্য। নাগরিক হবার আগেই তোমাকে এমন পৈশাচিকতার শিকার হতে হলো। শতকোটি ধিক্কার কলুষিত রাষ্ট্রকে
Total Reply(0)
Shahin Miah ৮ জুলাই, ২০১৯, ১:০৭ এএম says : 0
আল্লাহর দোহাই ওরে ক্রসফায়ার দে নইলে সে আরো ভয়ন্কর হয়ে যাবে তখন সে হাজারটা ধর্ষন করতে ভয় পাবেনা
Total Reply(0)
abul ৮ জুলাই, ২০১৯, ১:০৭ এএম says : 0
বাবা আর মায়ের প্রতি সমবেদনা ছাড়া কিছু জানানোর নাই . আর নরপশুর জন্য ক্রসফায়ার চাই . আদালত জামিন হাজত নষ্ট করার কোনো কারণ নাই . আশাকরি বুদ্দিজীবীরা একমত হবেন ]
Total Reply(0)
Mtc Mam ৮ জুলাই, ২০১৯, ১:০৭ এএম says : 0
বিশ্ব এগিয়ে যাচ্ছে ঊননায়নে মানুষ এখন আর যৈনোতা কে তেমন গুরুত্ব দেয় না জাপন তো একে বারেই না চিন তাইওয়ান প্রেম বিমুখ সেখান বাংলাদেশের অন্যান্য ঊননায়নে পিছিয়ে কিন্তু শাররীক চাহিদায় কুকরের চাইতেও অদম লজজালাগে বাংলাদেশি বলে পরিচয় দিতে , কি নিয়ে আমাদের গর্ব ভন্ড চেতনা বাজ রা বলতে পারেন কি ? এই মানুষ গুলকে মানুষ হিসাবে তৈরীকরার কিছু স্কুল খুবই জরুরী , বিদেশ গুরে আসুন দেখবেন - এমন দেশটি কোথায় খুঁজে পাবে না কো তুমি . এটা কত ভুল
Total Reply(0)
Tarik Chowdhury ৮ জুলাই, ২০১৯, ১:০৭ এএম says : 0
একবার চিন্তা করে দেখেন যদি আপনার মেয়ে হত, তারপর বলেন ইসলামী আইন কি বর্বর বলে মনে হয়??
Total Reply(0)
Tamjith Rahman ৮ জুলাই, ২০১৯, ১:০৮ এএম says : 0
বাংলাদেশ এ বছরের মধ্যে ধর্ষণে ভারতকে ছাড়িয়ে এক নম্বারে অবস্থান করবে
Total Reply(0)
অানন্দ রায় ৮ জুলাই, ২০১৯, ১:০৮ এএম says : 0
স্বীকার যখন করেই ফেলছে ওকে এখনও ক্রসফায়ারে দেওয়া হচ্ছেনা কেন?বিচারের নামে দেরি করার কোন মানে হয়না। ওর বাবা মাকেসহ ক্রসফায়ারে দেওয়া হোক তাহলে বাবা মায়েরা সন্তানকে সুশিক্ষা দিবে।
Total Reply(0)
Md Masud Rana ৮ জুলাই, ২০১৯, ১:০৮ এএম says : 0
এক সময় বাংলাদেশে অনেক এসিড সন্ত্রাসী ছিলো সরকার অনেক কঠোর হয়েছিলো এসিড সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে ,৯০দিনের মধ্যে মামলা নিষ্পত্তি করার বিধান করেছিলো এর ফলে অনেক কমে গেছে এসিড সন্ত্রাসী , সরকারের কাছে আবেদন ধর্ষণের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড রেখে ,১৫ দিনের মধ্যে মামলার নিষ্পত্তির বিধান যেন করে, ত‍াহলেই ধর্ষণ কমে যাবে....!!
Total Reply(0)
Farzana Akhtar ৮ জুলাই, ২০১৯, ১:০৮ এএম says : 0
ক্রসফায়ার করে আর কতজনকে দমন করা যাবে, মুলের দিকে নজর দিতে হবে নাহলে এসব চলতেই থাকবে, আইন আছে কিন্তু প্রয়োগ নাই আমজনতা চিতকার করে বল্লেও কিছু হবেনা
Total Reply(0)
M H Mirazul Islam ৮ জুলাই, ২০১৯, ১:০৯ এএম says : 0
বিচারের নামে কালক্ষেপণ নয়। শিশু ধর্ষকের একমাত্র শাস্তি মৃত্যুদণ্ড। বর্তমান বিচার ব্যবস্থায় সে আশা করা আকাশ কুসুম কল্পনা করার মতো। অপরাধ যখন প্রমাণিত তখন ক্রসফায়ার চাই।
Total Reply(0)
M.a. Baten Mukta ৮ জুলাই, ২০১৯, ১:০৯ এএম says : 0
যেহেতু সে নিজেই জবানবন্দি দিয়েছে তাই আর কোন আলামতের প্রয়োজন না হলেও চলবে সুতরাং তার জবানবন্দির প্রেক্ষিতে তাকে ক্রসফায়ার দেওয়া হোক.....
Total Reply(0)
shafiqul islam ৮ জুলাই, ২০১৯, ১:১৮ এএম says : 0
Ae Dorshok ke Prokasshe Puru Jatike Dekhiyer Akhon e Fashi Deya dorkar. Karon Adalotke Ba police ke Jati Bisshas kore na. Dorshoke dorshoke pura desh mohamarite akranto. Kisodin jel khete tara beriyer jay jel theke. ar manosh o ek somoy agolo vole jay. tai gotona sondehatit vabe promanito hole bisarer dirgo sotrota bad diye. Shathe shathe Fashi deya osit. Ata pora jatir nojore ashbe & shikkha pabe. pore fashi holeo agolo manosh vule jay. tai shathe shathe bisarer ray howa osit.
Total Reply(0)
Mohammed Kowaj Ali khan ৮ জুলাই, ২০১৯, ১:২৪ এএম says : 0
জাতি ভোট চুন্নি মুক্ত বাংলাদেশ চায়।
Total Reply(0)
Mohammed Kowaj Ali khan ৮ জুলাই, ২০১৯, ১:২৪ এএম says : 0
জাতি ভোট চুন্নি মুক্ত বাংলাদেশ চায়।
Total Reply(0)
Mohammed Kowaj Ali khan ৮ জুলাই, ২০১৯, ৬:০৯ এএম says : 0
জাতি ............ মুক্ত বাংলাদেশ চায়।
Total Reply(1)
MNA ৮ জুলাই, ২০১৯, ৯:৩৩ এএম says : 0
No cross fire, Tar 3ta paa kete dewa hokk.
Muhammad Zahir Rayhan ৮ জুলাই, ২০১৯, ১:১০ পিএম says : 0
সন্ধ্যার পর মেয়েকে বাসা থেকে একা একা বের হতে না দেয়া এটাই সায়মার আম্মু ভুল ছিলো অসাবধানতা কারনেই কত বড়ো ক্ষতি হয়ে গেলো যে সমস্ত সন্তানের মায়েরা আছেন তাদের উদ্দেশ্যে বলবো আপনারা আপনার বাচ্ছা মেয়ে হোক বা ছেলে সন্ধ্যার পরে একা একা যেনো বাসার বাহিরে না থাকে আজকের সমাজ কতনা বয়ঙ্কর হয়ে উঠতেছে দিন দিন খারাফের দিকে যাচ্ছে মানুষ যেনো পশুর চেয়ে ও খারাফ হয়ে গেছে আল্লাহ রক্ষা করুন আমি।
Total Reply(0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন