ঢাকা, শুক্রবার ১৯ জুলাই ২০১৯, ০৪ শ্রাবণ ১৪২৬, ১৫ যিলক্বদ ১৪৪০ হিজরী।

আন্তর্জাতিক সংবাদ

শব্দের চেয়েও দ্রুত ছুটবে চীনের ‘মৃত্যু পরোয়ানা’

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ৯ জুলাই, ২০১৯, ১২:০৬ এএম

প্রতিনিয়তই নতুন নতুন সাবমেরিন, রণতরী আর যুদ্ধবিমান নামাচ্ছে চীন। বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়ে অস্ত্রাগারে যোগ করতে যাচ্ছে একেবারেই নতুন হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র।

চীনের শত্রুদের জন্য আরেক ‘অশনি সংকেত’। সম্প্রতি এর সর্বশেষ পরীক্ষা চালানো হয়েছে। এক কথায় একে বলা হচ্ছে ‘অদম্য’, ‘অপ্রতিরোধ্য’। বিশ্বের সমকালীন কোনো প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাই একে আটকাতে বা ধ্বংস করতে পারবে না। ব্যর্থ হয়ে যাবে মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা থাড।

এমনকি রুশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এস-৪০০ কিংবা এস-৫০০ও। শব্দের চেয়ে (ঘণ্টায় স্বাভাবিক বেগ ১২৩৬ কিমি.) দশগুণ বেশি গতির এই ক্ষেপণাস্ত্রকে বলা হচ্ছে ‘উড়ন্ত মৃত্যু পরোয়ানা’। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ঘণ্টায় ১২ হাজার কিমি. বেগে প্রতিপক্ষের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানবে চীনের এ ‘মৃত্যু পরোয়ানা’। শনিবার সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের এক প্রতিবেদনে এ খবর দেয়া হয়েছে।

চলতি সপ্তাহেই চীনের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভয়ঙ্কর অস্ত্রটির চার মিনিটের একটি ভিডিও ফুটেজ ভাইরাল হয়েছে। চায়না মূলত অ্যারোস্পেস সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোজলি কর্পোরেশন (সিএএসসি) ফুটেজটি প্রকাশ করেছে। আর সিএএসসি নিয়ন্ত্রণ হয় চীনের শাসক দল চায়নিজ কমিউনিস্ট পার্টি। হাইপারসনিক অস্ত্র নির্মাণে ওয়াশিংটন ও মস্কোর চেয়ে বেইজিংকে এগিয়ে রাখতে দাঁতে দাঁত চেপে সামনে এগিয়ে যাচ্ছে প্রতিরক্ষা প্রতিষ্ঠানটি।

বাণিজ্য ও দক্ষিণ চীন সাগরে বেইজিংয়ের প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যে হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা ওয়াশিংটনের জন্য স্পষ্ট বার্তা বলে মনে করছেন অনেকেই।

ক্ষেপণাস্ত্রটি চীনের প্রথম হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র নয়। ২০১৪ সাল থেকেই দেশটি এর পরীক্ষা করে যাচ্ছে। কিন্তু এই প্রথমবার তারা এমন একটি ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করল যেটাতে ওয়েভরাইডার প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রটি নাম জিংকং-২ বা স্টারি স্কাই-২। ক্ষেপণাস্ত্রটি বর্তমান বিশ্বের যেকোনো মিসাইল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ফাঁকি দিতে সক্ষম।

অনেকটা চোঙাকৃতির বা গোঁজের মতো দেখতে ক্ষেপণাস্ত্রটি নিজের তৈরি করা শব্দের ধাক্কা ব্যবহার করে বায়ুমন্ডলে অভাবনীয় দ্রুত গতিতে ছুটতে পারে। তাই এর আরেক পরিচয় ওয়েভরাইডার। ডংফেং-১৭ নামে মাঝারি পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার মাধ্যমে এর উৎক্ষেপণ করা হয়েছে। এ সময় ঘণ্টায় এর গতিবেগ ছিল ৬ হাজার ৭৯০ থেকে ৭ হাজার ৩৪৪ কিলোমিটার।

অস্ত্র বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ব্যালাস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের মাধ্যমে বায়ুমন্ডলের উপরিভাগে ছুড়ে দেয়ার পরই নিজস্ব চলনশক্তি ব্যবহার করে মিসাইল থেকে পৃথক হয়ে যাবে।

প্রচলিত ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর মতো ধনুকাকৃতির গতিপথের বদলের আঁকাবাঁকা গতি চলতে সক্ষম এটা। অস্ত্র বিশেষজ্ঞ ওই ডংজু বলেন, ‘ওয়েভরাইডারটির উচ্চগতি, নিচু গতিপথ ও মাঝপথে কৌশলতগত দিক বদলানোর ক্ষমতা এটাকে ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার কাছে অপ্রতিরোধ করে তুলেছে।’

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (11)
Tusar Bhuiyan ৯ জুলাই, ২০১৯, ১:৪৩ এএম says : 0
Good
Total Reply(0)
Rj Ruhul ৯ জুলাই, ২০১৯, ১:৪৩ এএম says : 0
আরো গতি সম্পূর্ণ দরকার
Total Reply(0)
Manik Khan ৯ জুলাই, ২০১৯, ১:৪৩ এএম says : 0
দরকার আছে এইগুলা ভারত আমেরিকার জন্য
Total Reply(0)
MD Arif ৯ জুলাই, ২০১৯, ১:৪৩ এএম says : 0
বিশ্বাস করিনা। সব মিথ্যা। পারলে ভারতে দুই চারটা মেরে প্রমান করো দেখাও তো।
Total Reply(0)
মিরাজ আলী ৯ জুলাই, ২০১৯, ১:৪৫ এএম says : 0
চীন এখন বিশ্বের উদীয়মান শক্তি। তবে ভারতের জন্য এটা দু:সংবাদ।
Total Reply(0)
মিরাজ আলী ৯ জুলাই, ২০১৯, ১:৪৫ এএম says : 0
চীন এখন বিশ্বের উদীয়মান শক্তি। তবে ভারতের জন্য এটা দু:সংবাদ।
Total Reply(0)
সৈকত ফকির ৯ জুলাই, ২০১৯, ১:৪৫ এএম says : 0
একটা বড় ধরনের সাফল্য
Total Reply(0)
ALOMGIR HOSSEN ৯ জুলাই, ২০১৯, ২:১৪ পিএম says : 0
thank.very good
Total Reply(0)
ash ৯ জুলাই, ২০১৯, ৫:১৮ এএম says : 0
VAROTER MATHA CHARA DIE WTHAR AGE CHINAR WICHITH VAROTER TENGRI VEGGE LULA KORE DEWA
Total Reply(0)
সাইয়্যেদ আনিস ৯ জুলাই, ২০১৯, ৯:২৬ এএম says : 0
বন্ধুগণ! এততো খুশি হওয়ার কিছু নাই | কারন চীনও মুসলমানদের বন্ধু নয় |
Total Reply(0)
ss miah ৯ জুলাই, ২০১৯, ৪:৫২ পিএম says : 0
পত্রিকা যারা পড়েন নিশ্চয় জানতে পেরেছেন,চিনে এক জায়গায় অভিভাবক থেকে মুসলিম শিশু বাচ্চাদের আলাদা করে রেখেছে,তাদের মাতৃ ভাষা জানবে তো দুরের কথা, অভিভাবকদের সাথে বিচ্চিন্ন করে রেখেছে তাই এরাই বা কতটুকো ভালো ? তারাও ২ দিন আগে ও বাংলাদেশের প্রধান মন্ত্রীর সাথে রাষ্ট্রীয় সুবিদা অসুবিদা নিয়ে আলোচনা করেছে কিন্তু মুসলিম বাচ্চাদের কথা কেউ একবার ভাবলোনা এদের কেন এতো কষ্ট দিচ্ছে চীন? প্রথমত ট্রাম্পের বাসস্থানে,দ্বিতীয়ত ইন্ডিয়াতে মুসলিমদের যে ভাবে হিন্দুদের বাক্য ভাষা বলার পরে ও মুসলিমদের অত্যাচার, মার্ দর করিতেছে তাদেরকে ও পাওয়া উচিত, আর যদি কোনো কারণে এই বোমা আন সাকসেস হইয়া চিনেই থেকে যাই ,তাহলে তো বিচার হয়ে গেলো,দোআ করুন খারাপের বিচার যেন দুনিয়াতেই হয়,বিশ্ব যেন দেখতে পাই,খারাপের প্রতিফল কি ?
Total Reply(1)
Malek ১৫ জুলাই, ২০১৯, ১২:১১ পিএম says : 0
Thank you ss miah.

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন