ঢাকা, শুক্রবার, ১৮ অক্টোবর ২০১৯, ০২ কার্তিক ১৪২৬, ১৮ সফর ১৪৪১ হিজরী

জাতীয় সংবাদ

মার্কিন রাষ্ট্রদূতের ভাসমান পেয়ারার হাট পরিদর্শন

বরিশাল ব্যুরো ও ঝালকাঠি জেলা সংবাদদাতা : | প্রকাশের সময় : ১২ জুলাই, ২০১৯, ১২:০৬ এএম

 ঝালকাঠিতে ঐতিহ্যবাহী দেশের বৃহত্তম ভাসমান পেয়ারার হাট পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত আমেরিকার রাষ্ট্রদূত আর্ল রবার্ট মিলার। গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় তিনি ঝালকাঠি সদর উপজেলার ভীমরুলী গ্রামের খালে পেয়ারার ভাসমানহাটে এসে পৌঁছান। এ সময় তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান ঝালকাঠির জেলা প্রশাসক মো. জোহর আলী ও পুলিশ সুপার ফাতিহা ইয়াসমিন।

রাষ্ট্রদূত ভাসমান পেয়ারার হাটে নৌ ভ্রমণ করেন। পরে তিনি পেয়ারার ডিঙি নৌকায় চড়ে স্থানীয় পেয়ারা ও সবজি চাষিদের সঙ্গে মিশে যান। তিনি পেয়ারা চাষিদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। ডিঙি নৌকায় চড়ে বৈঠা হাতে রাষ্ট্রদূত নৌকা চালানোর চেষ্টা করেন। খালের দুই তীরে শত শত মানুষ দাড়িয়ে থেকে তা উপভোগ করেন।
ভাসমান পেয়ারার হাট পরিদর্শন শেষে মার্কিন রাষ্ট্রদূত সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। এসময় তিনি উচ্ছ¡াসিতভাবে ভাসমান পেয়ারার হাটের প্রশংসা করেন। এখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে বিমোহিত হয়ে আতিথেয়তারও প্রসংশা করেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত। রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে আমেরিকান অ্যাম্বাসির কর্মকর্তারা ছিলেন।

ঝালকাঠির জেলা প্রশাসক মো. জোহর আলী বলেন, ঝালকাঠি জেলার ব্রান্ডিং হচ্ছে পেয়ারা ও শীতলপাটি। আমাদের পেয়ারার বিশাল বাগান রয়েছে। এখানে একটি ফ্লটিং মার্কেট আছে। একটি খালের ভেতর শত শত ডিঙি নৌকায় পেয়ারা বিক্রি করছেন চাষিরা। মার্কিন রাষ্ট্রদূত দক্ষিণাঞ্চল সফরে এসে আমাদের ভীমরুলী গ্রামে ভাসমান পেয়ারার হাট পরিদর্শনে আসেন। আমরা তাকে ভাসমান হাট ঘুরিয়ে দেখিয়েছি। তিনি এখানকার মানুষ ও ভাসমান পেয়ারার হাটের প্রশংসা করেন।

এদিকে, গতকাল দুপুরে তিনি বরিশাল নগরীর ঐতিহাসিক অক্সফোর্ড মিশন চার্চ পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি চার্চে প্রার্থনায়ও অংশ নেন এবং ফাদারসহ অন্যদের সাথে কুশল বিনিময় করেন। সেখানে অবস্থানরত বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে অবদান রাখা ব্রিটিশ ও বাংলাদেশি নাগরিক লুসি হল্টের সাথেও সাক্ষাৎ করেন মিলার। পরে অক্সফোর্ড মিশন বিদ্যালয় পরিদর্শন করেন তিনি। দুপুর ১টার দিকে রাষ্ট্রদূত নগরীর নতুন বাজার এলাকায় ঐতিহ্যবাহী শংকর মঠ পরিদর্শনে যান। বিকেল ৪টায় একটি বেসরকারি এয়ারলাইন্সে ঢাকার উদ্দেশ্যে বরিশাল ত্যাগ করেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন