ঢাকা, সোমবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১ আশ্বিন ১৪২৬, ১৬ মুহাররম ১৪৪১ হিজরী।

জাতীয় সংবাদ

হলফকারী ও আসামিকে গ্রেফতারের নির্দেশ

তথ্য গোপন করে জামিনের চেষ্টা

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ১৩ জুলাই, ২০১৯, ১২:০৫ এএম

 আতœসমর্পনের আদেশ গোপন করে উচ্চ আদালতে পুনরায় জামিন চাওয়ায় আসামি এবং হলফকারিকে গ্রেফতারের নির্দেশ দিলেন হাইকোর্ট। গতকাল বৃহস্পতিবার বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার এবং বিচারপতি কেএম হাফিজুল আলমের ডিভিশন বেঞ্চ এ আদেশ দেন। উক্ত বেঞ্চের ডেপুটি এটর্নি জেনারেল একেএম আমিনউদ্দিন মানিক জানান, দুর্নীতি মামলার আসামি সাতক্ষীরার সিভিল সার্জন অফিসের স্টোর কিপার মো. ফজলুল হক। আসামি মো. ফজলুল হক ছিলেন সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন অফিসের স্টোর কীপার। তিনি ও সিভিল সার্জন ক্ষমতার অপব্যবহার করে ৭ কোটি ১০ লাখ ৪৩ হাজার ৭৪৫ টাকার মালামাল আত্মসাৎ করেন। এ অভিযোগে দুদকের সহকারী পরিচালক মো. মাহতাব উদ্দিন ২০১৭ সালের ২১ মে সিভিল সার্জন ডা. সালাহ আহমেদ ও ফজলুল হককে আসামি করে সাতক্ষীরা সদর থানার মামলা দায়ের করেন। এখনো মামলাটির তদন্ত চলছে।

তিনি আরো জানান, ২০১৭ সালের ২৮ মে সাতক্ষীরা সিনিয়র জুড়িশিয়াল ম্যাজিস্টেট তাকে জামিন দেন। ওই আদেশের বিরুদ্ধে সাতক্ষীরার সিনিয়র দায়রা জজ আদালতে রিভিশন করে দুদক। দায়রা জজ আদালত ২০১৮ সালের ১৮ জুলাই রিভিশন মঞ্জুর করেন। সেইসঙ্গে আসামির জামিন বাতিল করে তাকে ১৫ দিনের মধ্যে ম্যাজিস্টেট আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেন। এ নির্দেশনা সত্তে¡ও আসামি আত্মসমর্পণ না করে দুদকের রিভিশনের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে মামলা বাতিলের আবেদন করেন। ২০১৮ সালের ২৯ জুলাই করা ওই আবেদনের শুনানি হয়। পরে মামলাটি কেন বাতিল করা হবে না-এই মর্মে রুল নিশি জারি করেন। এ নির্দেশনা সত্তে¡ও ফজলুল হক আতœসমর্পণ করেননি। বরং এ আদেশ গোপন করে দুদকের রিভিশনের বিরুদ্ধে আপিল করেন,যা সম্পূর্ণ বিধি বহির্ভুত এবং চাতুর্যপূর্ণ। এ কারণে বিষয়টির শুনানিকালে আদালতের দৃষ্টিতে আসে। এ প্রেক্ষিতে আসামি েেমা. ফজলুল হক ও তার জামিন আবেদনের হলফকারী মো. আবুল হোসেনকে হাইকোর্টে হাজির হতে নির্দেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। তাতেও তারা হাাজির হয়নি। ফলে তাদের গ্রেফতার করে হাজির করানোর নির্দেশ দেন আদালত।এ মামলায় দুদকের পক্ষে শুনানি করছেন অ্যাডভোকেট সৈয়দ মামুন মাহবুব।

 

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন