ঢাকা, সোমবার, ২৬ আগস্ট ২০১৯, ১১ ভাদ্র ১৪২৬, ২৪ যিলহজ ১৪৪০ হিজরী।

সারা বাংলার খবর

নারায়ণগঞ্জ থেকে নৌ-পথে বাংলাদেশ ভারত ও ভুটান ট্রেড শুরু

নারায়ণগঞ্জ থেকে স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ১৮ জুলাই, ২০১৯, ৭:৫১ পিএম

নদীপথে ভুটান থেকে ভারত হয়ে বাংলাদেশে পাথর আমদানির মাধ্যমে বাংলাদেশ ভারত ভুটান ট্রেডের নবযাত্রার সূচনা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জের সোনাগাঁয়ের মেঘনা ঘাটে বাংলাদেশ ভারত ভুটান ও বসুন্ধরা গ্রুপের শীর্ষ ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ট্রেডের উদ্বোধন করা হয়। প্রথমবারের মতো ভুটান থেকে পাথরবাহী একটি ভারতীয় জাহাজ ধুবরি থেকে যাত্রা শুরু করে মঙ্গলবার বাংলাদেশে এসে পৌঁছায়। বসুন্ধরা গ্রুপ আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে ইন্দো বাংলা রুট ব্যবহার করে আসা প্রথম আমদানি করা পাথর গ্রহণ করা হয়।
বসুন্ধরা গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সাফওয়ান সোবহানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অতিথিদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ভারতের হাই কমিশনার শ্রীমতি রীভা গাঙ্গুলি দাশ, ভূটানের রাষ্ট্রদূত সোনম টি রাবগি, নৌ-পরিবহন মন্ত্রনালয়ের অতিরিক্ত সচিব আতিকুর রহমান, বিাাইডাব্লিউটিএ’র চেয়ারম্যান কমোডর মাহাবুব উল ইসলাম ও বসুন্ধরা গ্রুপের পরিচালক মিসেস সাফওয়ান সোবহান।আসামের ধুবরি থেকে ১৬০ কিলোমিটার দূরে ভূটানের ফুয়েন্ট শোলিং থেকে ট্রাকে করে এনে সেখান থেকে নদীপথে জাহাজের মাধ্যমে এই পাথর আনা হয়েছে। জাহাজটি ১ হাজার মেট্রিকটন পাথর পরিবহন করছে, যা স্থলপথে পরিবহন করতে ৫০টিরও বেশি ট্রাক প্রয়োজন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভারতের হাই কমশিনার শ্রীমতী রীভা গাঙ্গুলি দাশ বলেন, ভূটান েেথক ভারত হয়ে বাংলাদেশে নদীপথে পাথর আমদানি তিনটি দেশের মধ্যে ট্রেডের নবসূচনা করলো। এটি একটি ঐতহিাসকি মুর্হুত। এই ঐতহিাসকি উদ্যোগ ভারত ভূটান বাংলাদদেশকে নিয়ে আমরা নতুন স্বপ্ন দেখতে পারি। আগামী দিনগুলোর বাণজ্যি এভাবেই হওয়া উচতি। এতে তিন দেশের মধ্যে সর্ম্পকের আরো উন্নতি ঘটবে এবং আমরা সেটাকে আরো নতুন ও উচ্চ মাত্রায় নিয়ে যাবো।
ভূটানের রাষ্ট্রদূত সোনম টি রাবগি বলেন, এই উদ্যোগরে মাধ্যমে আমাদের বাণজ্যিক সম্পর্কের উন্নতি ঘটবে। এতে ভারত ভূটান ও বাংলাদেশ একদিকে উপকৃত হবে অন্যদিকে প্রতবেশী দেশগুলোর মধ্যাকার সম্পর্কের উন্নতি ঘটবে। এতে পরিবহন ও অন্যান্য খরচও কমবে। নদীপথে পরিবহন একটি পরিবেশবান্ধব উপায়।
বিআইডাব্লিউটিএ’র চেয়ারম্যান কমোডর এম মাহবুব উল ইসলাম বলনে, এটি আমাদের ত্রিদেশীয় যোগাযোগ বৃদ্ধি করবে। দেশগুলোর বানিজ্যিক সর্ম্পক বাড়াবে এবং আমাদের জাতিগত সংযোগ ও সর্ম্পক বাড়াতে সহায়তা করবে। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর স্বাধীনতার পর আবারো এই নদীপথের ট্রানজিট সুবিধা চালু হলো। নদীপথের মাধ্যমে আমাদের দক্ষিণ এশিয়ার যোগাযোগ ব্যবস্থা বাড়ানো ও আমাদের মধ্যাকার সস্পর্কের উন্নতি সম্ভব।তিনি আরো বলেন, ড্রেজিং এবং নদীপথের অন্যান্য র্কাযক্রমে বসুন্ধরা গ্রুপ আমাদের ভালো অংশীদার। তারা খুবই আন্তরকি। নদীপথের যে কোন সমস্যা সমাধানে সব সময় বিআইডাব্লিউটিএ প্রস্তুত আছে এবং এক সাথে কাজ করলে যে কোন সমস্যা সমাধান সম্ভব।উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে অতিথিবৃন্দ ফিতা কেটে আনুষ্ঠানিকভাবে ত্রিদেশীয় এই ট্রেডের শুভসূচনা করেন।

 

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (2)
Mustafizur Rahman Ansari ১৮ জুলাই, ২০১৯, ১০:৫৮ পিএম says : 0
It's a good news for Bangladesh,Bhutan and India.save Maximum fuel and energy.
Total Reply(0)
Mustafizur Rahman Ansari ১৮ জুলাই, ২০১৯, ১০:৫৮ পিএম says : 0
It's a good news for Bangladesh,Bhutan and India.save Maximum fuel and energy.
Total Reply(0)

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন