ঢাকা, শনিবার, ২৪ আগস্ট ২০১৯, ০৯ ভাদ্র ১৪২৬, ২২ যিলহজ ১৪৪০ হিজরী।

জাতীয় সংবাদ

কোন পথে বিএনপি

রফিক মুহাম্মদ | প্রকাশের সময় : ২১ জুলাই, ২০১৯, ৭:৫৯ পিএম | আপডেট : ১২:০৮ পিএম, ২২ জুলাই, ২০১৯

রাজনৈতিক ময়দানে কোন পথে হাঁটছে বিএনপি? দলের সাম্প্রতিক কর্মকান্ডে এ প্রশ্ন যেমন দলের তৃণমূল নেতাকর্মীদের তেমনি তাদের শুভানুধ্যায়ী সমর্থকদের মনেও ঘোরপাক খাচ্ছে। জাতীয়তাবাদী ইসলামী মূল্যবোধকে ধারণ করে বিএনপির জন্ম। অথচ বিএনপির বর্তমান কর্যক্রমে জাতীয়তাবাদ এবং ইসলামী মূল্যবোধ এ দুটোই অনুপোস্থিত। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন গত কয়েক বছর ধরে বিএনপি সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যহীন রাজনীতির পথেই হাঁটছে। নিজস্ব আদর্শ থেকে বিচ্যূত হয়ে রাজনৈতিকভাবে আত্মঘাতি পথে ছুটছে দলটি। আর এ কারণেই তারা কোন রাজনৈতিক ইস্যুতেই জনগণের সাড়া পাচ্ছে না। বিপুল জনসমর্থন থাকার পরও দাবি আদায়ের কোন আন্দোলন-সংগ্রামে দলটি সাফল্য পাচ্ছে না।
রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও বিশিষ্ট রাষ্ট্রবিজ্ঞানী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি অধ্যাপক ড. এমাজ উদ্দিন আহমেদ এ বিষয়ে বলেন, বিএনপি বর্তমানে রাজনৈতিকভাবে অনেকটাই আদর্শচ্যূত। জাতীয়তাবাদী ইসলামী মূল্যবোধের চেতনাকে ধারণ করে বিএনপির জন্ম। সারাদেশের নেতাকর্মী এবং বিপুল পরিমাণ জনসমর্থন বিএনপিকে ইসলামী মূল্যবোধের ধারক হিসেবে দেখতে চায়। তবে দু:খজনক হলেও সত্য যে এ দলটির বর্তমান নেতৃত্বের মধ্যে এর বহি:প্রকাশ তেমন একটা নেই বললেই চলে। শতকরা বিরানব্বই ভাগ মুসলমানের দেশে জনগণ কি চায় তা ধারণ করতে না পারলে রাজনৈতিক ময়দানে সফল হওয়া সম্ভব নয়।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য গঠনের লক্ষে বিএনপি তার আদর্শের বিপরীত আদর্শের কয়েকটি দলের সাথে জোটবদ্ধ হয়। বিশিষ্ট আইনজীবী ড. কামাল হোসেনকে সামনে রেখে গঠিত হয় ‘জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট’। দীর্ঘ এক বছর চেষ্টার পর গত বছর ১৩ অক্টোবর আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু হয় জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের। ঐক্যফ্রন্ট গঠনের পর বিএনপির রাজনৈতিক আদর্শিক জোট ২০ দলীয় জোটের কার্যক্রম অনেকটা স্থবির হয়ে পড়ে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে তখন থেকেই বিএনপির চূড়ান্ত আদর্শিক বিচ্যূতি ঘটে।
ঐক্যফ্রন্টকে সামনে রেখে নির্বাচনে অংশ নিয়ে চরমভাবে ব্যর্থ হওয়ার পর বিএনপির নেতাকর্মীরা অনেকটাই হতাশ হয়ে পড়েন। কারাবন্দি চেয়ারপার্সনকে মুক্ত করতে না পারাটা দিনে দিনে দলের সবার কাছে বেদনার বিষয় হয়ে দাড়াচ্ছে। এ অবস্থায় চেয়ারপার্সনের মুক্তির লক্ষে আন্দোলন গড়ে তুলতে হতাশাগ্রস্ত নেতাকর্মীদের চাঙ্গা করতে দেশের বিভাগীয় পর্যায়ে সমাবেশ কর্মসূচির ঘোষনা দেয় বিএনপি। ইতোমধ্যে দুটি বিভাগীয় শহরে দলটি সমাবেশ সম্পন্ন করেছে। এর মধ্যে গত ৮ জুলাই বরিশালে এবং ২০জুলাই বন্দর নগরী চট্টগ্রামে বিএনপির সমাবেশ হয়েছে। বরিশালের কেন্দ্রীয় হেমায়েত উদ্দিন ঈদগাহ ময়দানে অনুষ্ঠিত সমাবেশে কাংখিত উপস্থিতি না হলেও চট্টগ্রামের সমাবেশ ছিল জনসমুদ্র। তবে দুটি সমাবেশেই নেতাদের বক্তব্য উপস্থিত নেতাকর্মী ও জনগণকে হতাশ করেছে। সমাবেশের প্রধান অতিথি বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর তার গদবাধা গতানুগতিক বক্তব্যের বাইরে জনগণকে নতুন কিছু শোনাতে পারেননি। জনগণ কি শুনতে চায়, তাদের কাছ থেকে দেশের মানুষ কি প্রত্যাশা করে তা থেকে বিএনপির নেতারা সচেতনভাবেই নিজেদের দূরে রেখেছেন এমনটা অনেকের ধারণা। তা না হলে বর্তমান সময়ের সবচেয়ে আলোচিত যে কয়টি ইস্যু রয়েছে সেসব ইস্যুতে বিএনপির মুখপাত্র বা অন্যকোন নেতা কেন একটি কথাও বলেন নি।

বিএনপি যে দিন বরিশালে সমাবেশ করে সেদিন চট্টগ্রামের কয়েকটি স্কুলের শিক্ষার্থীদের ইসকনের প্রসাদ খাওয়ানোর ঘটনায় সারা দেশে তোলপাড় শুরু হয়। আলেম ওলামাসহ অনেকে এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাত জানান। অথচ বিএনপি ওই সমাবেশে এ বিষয়ে একটি কথাও বলে নি। এমনকি এ বিষয়ে আজ পর্যন্ত কোন নিন্দা পর্যন্ত জানায়নি। মুসলমানদের ঈমান-আকিদার পক্ষে কথা বলার জন্যই বিএনপিকে এদেশের মানুষ এত ভালোবাসে। অথচ এই সব বিষয়ে বিএনপি এখন কথা বলাই ভুলে গেছে। এই অদর্শচ্যূতি বিএনপিকে জনগণের ভালোবাসা থেকে ধীরে ধীরে দূরে সরিয়ে দেবে বলেই রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন। বর্তমানে ভয়াবহ বন্যার কবলে দেশ। বরিশালের সমাবেশে বন্য নিয়ে গতানুগতিক কথা বললেও এর জন্য দায়ী করা বা কেন এদেশ হঠাৎ বন্যায় এবং শুষ্ক মৌসুমে নদীগুলো শুকিয়ে যায় সে বিষয়ে কোন নেতাই কোন কথা বলেননি। অথচ মরণ বাঁধ ফারাক্কার বিরুদ্ধে প্রথম সোচ্চার হন বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। তার এসব দেশপ্রেমমূলক কর্মাকা-ই দেশের মানুষের কাছে তাকে তুমুল জনপ্রিয় করে তুলে। অথচ জিয়ার দেখানো সে সব পথ থেকে সরে গিয়ে বিএনপি আজ অন্য পথে হাঁটছে। ফারাক্কার বিরূপ প্রভাবেকর কথা একবারও বলছেনা, ভারত অখুশি হয় এমন কথা তারা বলতে নারাজ। ভারত তোষণের মধ্য দিয়ে রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের এই যে নীতি তা বিএনপির জন্য শুধু ক্ষতিকারকই নয় এটা তাদের জন্য আত্মঘাতি বলেই রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন।

বরিশালের পর ২০ জুলাই চট্টগ্রামে বিশাল জনসভা করে বিএনপি। ওই সভাতেও দলের মুখপাত্র মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ অন্যান্য বক্তরা গতানুগতিক বক্তব্য প্রদান করেছেন। জনগণকে সাথে নিয়ে গণআন্দোলন গড়ে তোলার কথা বলেছেন। অথচ জনগণকে সাথে পাওয়ার জন্য যে কথা বলা প্রয়োজন তার একটিও তারা বলেননি। চট্টগ্রামের সমাবেশের দিন সারাদেশে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কাছে বাংলাদেশের এক হিন্দু মহিলা প্রিয়া সাহার নালিশ নিয়ে তোলপাড় চলছে। ইসলামী মৌলবাদীরা এদেশের হিন্দুদের উপর নির্যাতন করছে, তাদেরকে দেশ ছাড়া করছে এ ধরনের অভিযোগ এনে প্রিয়া সহা আমেরিকার প্রেসিডেন্টের কাছে সাহায্য চেয়েছেন। প্রিয়া সাহার এই নালিশ নিয়ে সারা দেশের সাধারণ মানুষ যখন ক্ষোভে প্রতিবাদে ফেটে পড়ছে, ফেইসবুকসহ সোশাল মিডিয়াতে ক্ষোভ আর নিন্দার ঝড় বইছে তখনও এ বিষয়ে বিএনপির নেতাদের মুখে কোন কথা নেই। অথচ এই প্রিয়া সাহা আজকে যে তথ্য আমেরিকার প্রেসিডেন্টর কাছে উত্থাপন করেছে এটি বিএনপি সরকারকে ঘায়েল করার জন্যই তৎকালীন বিরোধীদল আওয়ামী লীগ ২০০১ সালের পর আবুল বারাকাতকে দিয়ে একটি বই লিখিয়েছে। বইটি ২০০৪ সালে প্রকাশের পর সারা বিশ্বে তা বিতরণ করে বিএনপিকে জঙ্গি মৌলবাদী দল হিসেবে পরিচিত করার চেষ্টা করেছে। সেই বইয়ের তথ্যই প্রিয়া সহা তুলে ধরেছে। এ ইস্যুতেও বিএনপি আজ নিরব।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপির এক নীতিনির্ধারক বলেন, আমরা এখন আমাদের দলের প্রকৃত আদর্শ থেকে অনেকটা দূরে সরে গেছি। এ জন্য দেশের মানুষ আমাদের ডাকে আর সারা দিচ্ছে না। কেননা আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক চরিত্র আর আমাদের রাজনৈতিক চরিত্রের মধ্যে দেশের মানুষ কোন পার্থক্য খুঁজে পাচ্ছেনা। আওয়ামী লীগ ভারতের পরীক্ষিত বন্ধু। তারা সব সময় ভারত তোষণ রাজনীতি করে আসছে। আর বিএনপির জন্মই হয়েছে ভারতের বিরুদ্ধে এদেশের স্বার্থের পক্ষে কথা বলার জন্য। অথচ সেই দল যখন ভারত তোষণ নীতি অনুসরণ করে, দেশের আপামর মুসলিম জনগণের পক্ষে কথা না বলে তখন কর্মী-সমর্থকরা শুধু হতাশই হয় না, তাদের মধ্যে নেতৃত্বে প্রতি এক ধরনের ঘৃণা এবং ক্ষোভেরও জন্ম নেয়। তার সেই ক্ষোভ ও ঘৃণা বুকে নিয়ে তারা ধীরে ধীরে নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ে। এতে দলও দুর্বল হতে থাকে।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (42)
পথিক দেখা সপ্বে ২২ জুলাই, ২০১৯, ১:৩১ পিএম says : 0
বি এন পির উচিত বর্তমান আদালত কে প্রত্যেক আইনজীবি যারা বি এন পির তারা বয়কট করা এবং সাথে সাথে থানা গুলোকে গেরাউ করা। কোটে যেহুতো আওয়ামীলীগের হুকুমে চলে সেখানে যাওয়ার যুক্তি খোজে পাচ্ছিনা। যে আইন ব্যক্তির কথায় সেখানে না যাওয়া অন্যায় কিছু না।
Total Reply(0)
Mohammed Kowaj Ali khan ২১ জুলাই, ২০১৯, ৮:৪৮ পিএম says : 1
বাংলাদেশের স্বাধীনতা রক্ষার জন্য একমাত্র পথ আর মত ইসলাম। লড়াই করেছি পাকহানাদারদের বীরুদ্বে লড়াই করিবো ঘৃণিত উচ্চিস্ট ভারতীয় দালালদের বীরুদ্বে। ইনশাআল্লাহ ।
Total Reply(0)
Jasim Uddin ২২ জুলাই, ২০১৯, ১:২৭ পিএম says : 0
বিএনপি'র এ কেমন রাজনৈতিক কৌশল? শপথ নেয়ায় একজনকে বহিষ্কার, চারজনকে সাদোরে গ্রহণ! সবশেষে মির্জা ফখরুলের শপথ বর্জন। একটি দলে এতো গোঁজামিল সিদ্ধান্ত হয় কেন?
Total Reply(0)
Abul Kalam Azad ২২ জুলাই, ২০১৯, ১:৩০ পিএম says : 0
আল্লাহ পথে আগাবে।দেখবেন আল্লাহ আপনার সমস্যা সমাধান করে দিবে।
Total Reply(0)
শরিফ খান ২২ জুলাই, ২০১৯, ১:২৬ পিএম says : 0
বঙ্গবন্ধুর সৈনিক ডঃ কামাল হোসেন যখন বিএনপি'র কান্ডারী হিসেবে সামনে এলেন তখনই বিএনপি শহীদ জিয়ার দল থেকে ভারতের তোষণকারী দল হিসেবে পরিণত হয়ে গেল।
Total Reply(0)
Masud Rahman ২২ জুলাই, ২০১৯, ১:১৮ পিএম says : 0
Even now give pure election bnp will win for sure. AwL bideshi party
Total Reply(0)
Md Rezve ২২ জুলাই, ২০১৯, ১:১৯ পিএম says : 0
জালিমের জুলুম দীর্ঘস্হায়ী নয় । একদিন জনগণ তাদের ভোটাধিকার ফিরে পাবেই পাবে তখন দেখা যাবে জালিমেরা কোন পথে ।
Total Reply(0)
Shahdat Hossain ২২ জুলাই, ২০১৯, ১:১৯ পিএম says : 0
বিএনপি যখন উল্টো পথে হাটছে তাহলে আশারাখি আগামীতে সুষ্ঠু নির্বাচন হবে এবং রাত ৩টা বাজে ভোটের বাক্স ভরা হবে না।
Total Reply(0)
Md Tybur Rahman ২২ জুলাই, ২০১৯, ১:২৯ পিএম says : 0
আমি চাই বিএনপি সব কাজে ধর্যধারন করুক।কারন সব কিছু দেখছেন সেই মালিক।যিনি ন্যায় বিচার করেন।
Total Reply(0)
Md Jahid ২২ জুলাই, ২০১৯, ১:২৯ পিএম says : 0
বিএনপির উচিত হবে মাঠ গরম না করে জেল হলে আইনি ভাবে লড়াই করা , কারণ উচ্চ আদালতে হয়তো জামিন পাবেন , জনগণের কথা মাথায় রেখে আন্দোলন করা উচিত হবে,
Total Reply(0)
ইয়াসিন আলী বেগ ২২ জুলাই, ২০১৯, ১:২৯ পিএম says : 0
এত মুসলিম অত্যাচার হচ্ছে ভারতে প্রতিদিনই তিনজন চারজন পাঁচজন করে মারা যাচ্ছে অথচ বিএনপি এ বিষয়টা নিয়ে একটি টু শব্দ করলো না। দাদাদের এত ভয় কিসের?
Total Reply(0)
মোহাম্মদ গোলাম দস্তগীর ২২ জুলাই, ২০১৯, ১:১৫ পিএম says : 0
বিএনপি তার প্রতিষ্ঠাতা শহীদ জিয়াউর রহমানের নীতি এবং আদর্শ থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন পথে চলে গেছে। শহীদ জিয়ার কর্মকাণ্ডে অনুপ্রাণিত হয়ে আমরা বিএনপি সাপোর্ট করা শুরু করেছিলাম।পরবর্তীতে খালেদা জিয়া তার এই আলোক মশাল বহন করে সামনের দিকে দেশকে এবং বিএনপি সমর্থক কে এগিয়ে নিয়ে গেছেন। দেশের আমল উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রেখেছেন।কিন্তু হতাশার বিষয় এই যে খালেদা জিয়া জেলে থাকা অবস্থায় বিএনপি নেতারা দুরভিসন্ধিমূলক ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে কিছু কুচক্রী মহলের সহায়তায় সম্পূর্ণ ভারতের পেটে চলে গেছে। ভারতের বিরুদ্ধে একটা মাত্র কথা বলতে উনারা ভয় পান। নিজেদের নীতি ও আদর্শ পরিবর্তন না করলে এই দল আর কখনো তাদের পূর্বের অবস্থানে অর্থাৎ জনগণের মনে ফিরতে পারবে না।
Total Reply(0)
Masudur Rahman Mithu ২২ জুলাই, ২০১৯, ১:১৯ পিএম says : 0
উত্তর দক্ষিণ পূর্ব পশ্চিম সব দিকেই এবং সব পথেই বিএনপি।
Total Reply(0)
Asifur Rahaman Khan ২২ জুলাই, ২০১৯, ১:২০ পিএম says : 0
গণতন্ত্রের পথে, জনগণের ক্ষমতায়নের পক্ষে
Total Reply(0)
Mohasin Hasan ২২ জুলাই, ২০১৯, ১:২০ পিএম says : 0
দেশ কোন পথে?
Total Reply(0)
Harun Rashid ২২ জুলাই, ২০১৯, ১:২০ পিএম says : 0
সঠিক পথে,,,,,
Total Reply(0)
Faruk Mohammad ২২ জুলাই, ২০১৯, ১:২০ পিএম says : 0
বিএনপি সঠিক পথেই আছে, চোর-ডাকাত বেঈমানেরা কোন পথে সেটা নিয়ে শিরোনাম করা উচিৎ
Total Reply(0)
Abu Hanif ২২ জুলাই, ২০১৯, ১:২১ পিএম says : 0
সঠিক পথে বিএনপি।
Total Reply(0)
S R Reko Remix ২২ জুলাই, ২০১৯, ১:২১ পিএম says : 0
সময় বলে দিবে কোন পথে...... জালীমরা অত্যাচার বেশিয় করে.......
Total Reply(0)
Saiful Alam Shelly ২২ জুলাই, ২০১৯, ১:২১ পিএম says : 0
BNPr proti jonogoner ekhno astha ase!
Total Reply(0)
Md Shijlu ২২ জুলাই, ২০১৯, ১:২৫ পিএম says : 0
বিএনপি যে পথে আছে সে পথে আরও ১০ বসর থাকলে বিএনপির কিচ্চুই হবেনা।
Total Reply(0)
Abdul Wahab ২২ জুলাই, ২০১৯, ১:২৫ পিএম says : 0
বি এন পির ভরা ডুুবি নয় অন্ধকারে প্রশাসন দিয়ে ভোট চুরি না করে দিনে বেলা আসত কার ভরা ডুবি হত দেশের জনগন দেখত
Total Reply(0)
Milton Sarker ২২ জুলাই, ২০১৯, ১:৩১ পিএম says : 0
যেই পথে এসেছিলো সেই পথে !
Total Reply(0)
Ahsan Zamil ২২ জুলাই, ২০১৯, ১:৩২ পিএম says : 0
বিএনপি নিজেকে বিলুপ্ত করলে তা আওয়ামী লীগের জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে। আবেগহীনভাবে চিন্তা করে দেখুন ।
Total Reply(0)
Abdur Razzak ২২ জুলাই, ২০১৯, ১:৩৩ পিএম says : 0
বিএনপি নেতাদের মধ্যে কোন ঐক্য নেই। এজন্যই গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছে দেশের অন্যতম রাজনৈতিক দল বিএনপি। আমরা মনে করি কোনো সিদ্ধান্তে স্থির থাকতে না পারার পেছনে যোগ্য নেতৃত্বের সংকট। আর এই সংকট মোকাবেলা করার সামর্থ্য বিএনপির নাই।
Total Reply(0)
ইসমাইল হোসেন ২২ জুলাই, ২০১৯, ১:৩৫ পিএম says : 0
সেকুলারিজম নামক একটি ভারতীয় ইমপোর্ট মেটেরিয়াল এখন বিএনপি'র মূলনীতিতে পরিণত হয়েছে। ঐ দাদারা এখন নিজেই সেক্যুলারিজম থেকে বেরিয়ে এসে অগ্র হিন্দুবাদী রাজনীতি শুরু করেছেন এবং তাদের দেশের জনগণের আদর্শ মতে তাই এখন তাদের কাছে বেশি ভালো লাগছে।দেখুন গত ইলেকশনে শুধুমাত্র হিন্দুত্ববাদ বিক্রি করে কিভাবে মোদি দাদা ক্ষমতায় চলে আসলেন। ওনাকে রাতের আধারে ভোট চুরি করতে হয় নি। জনগণই ওনার কথায় একমত হয়ে উনাকে ভোট দিয়েছেন। যাই হোক বিএনপি এই সেকুলারিজম ভুলে গিয়ে ইসলামী মূল্যবোধের দল হয়ে যদি আবার ফেরত আসে জনগণ বুক পেতে তাদের ধারণ করবে।
Total Reply(0)
Md. Mofazzal Hossain ২২ জুলাই, ২০১৯, ১:৩৬ পিএম says : 0
ঘুরে দাঁড়াতে হলে বিএনপিকে মোটা দাগে চারটি কাজ করতে হবে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে। নেতা–কর্মীদের ক্ষমতায়ন করে অধিকতর গণতান্ত্রিক ভাব আনতে হবে দলে ভেতরে। অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক নীতির পরিবর্তন, পরিমার্জন ও পরিশোধন করতে হবে। অভ্যন্তরীণ নীতি বলতে দলীয় কর্মসূচি প্রণয়ন, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পর্কের পুনর্মূল্যায়ন, বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সম্পর্কে মাত্রা কী হবে তা নির্ধারণ করতে হবে। এর পাশাপাশি বিএনপির নিজস্ব বুদ্ধিবৃত্তিক কাঠামো দাঁড় করা হবে। প্রতিপক্ষকে বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে মোকাবিলার জন্য নিজস্ব আদর্শিক বয়ান দাঁড় করানোর মতো বুদ্ধিজীবীর দল বিএনপিতে আছে বলে মনে হয় না। পারিপার্শ্বিক অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির জাগরণের প্রয়োজন হতে পারে। তবে বিএনপি কি দেশের অন্যতম প্রধান দল হিসেবে এর নেতৃত্ব দিতে প্রস্তুত?
Total Reply(0)
M N Ahmed ২২ জুলাই, ২০১৯, ১:৩৭ পিএম says : 0
আরেকটি বিষয়, বিএনপির ছাত্রসংগঠনের নেতৃত্বে প্রকৃত শিক্ষার্থীদের আনতে হবে। বুড়ো, বিবাহিত, অছাত্রদের নিয়ে চাঁদাবাজি, হল দখল, টেন্ডারবাজি করানো যায়, দল দাঁড় করানো যায় না। তাতে করে জনসমর্থনও থাকে না, নেতৃত্বেরও বিকাশ ঘটে না।
Total Reply(0)
Nusrat Fariha ২২ জুলাই, ২০১৯, ১:৩৭ পিএম says : 0
যাঁরা মনে করছেন বিএনপি হারিয়ে যাবে বা গেলে ভালো। বিএনপি হারিয়ে গেলে তা আওয়ামী লীগের জন্যও ক্ষতিকর হবে। শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বীর অভাবে আওয়ামী লীগ নানা ধারায় বিভক্ত হয়ে ব্র্যাকেটবন্দী হয়ে পড়তে পারে। বিএনপিতে যদি পরিবার না থাকে, তবে আওয়ামী লীগেও পারিবারিক ধারার আবেদন কমতে পারে।
Total Reply(0)
Mir Irfan Hossain ২২ জুলাই, ২০১৯, ১:৩৮ পিএম says : 0
বাংলাদেশের রাজনৈতিক কাঠামোই বদলে দেওয়ার নেতৃত্ব দিতে পারে বিএনপি। বিএনপি এই সুযোগ নেবে, না হারিয়ে যাবে—তা বিএনপির ওপরই নির্ভর করছে। নিজেদের প্রস্তুত করতে পারলে জনগণই বিএনপিকে ক্ষমতায় নিয়ে আসবে। ইতিহাসে এর উদাহরণ আছে।
Total Reply(0)
Kamal Hossain Khan ২২ জুলাই, ২০১৯, ১:৩৯ পিএম says : 0
বাংলাদেশে কোনো দলই নিজেদের জনবান্ধব রাজনৈতিক সংগঠন হিসেবে দাঁড় করাতে পারেনি। বিএনপি এই সুযোগ নিতে পারে। যেটা অন্য কোনো দলের পক্ষে এই মুহূর্তে সম্ভব নয়। আওয়ামী লীগ এখন সরকারে। নানা হিসাব–নিকাশ নিয়ে আওয়ামী লীগকে ব্যস্ত সময় পার করতে হবে। আবার বাম, ইসলামপন্থী দলগুলোর তেমন জনসমর্থনও নেই। তাই এই সুযোগে বিএনপি ইউরোপের সোশ্যাল ডেমোক্র্যাট ঘরানার উদারপন্থী দল হিসেবে আবির্ভূত হতে পারে।
Total Reply(0)
MD FOKHRUL ISLAM ২২ জুলাই, ২০১৯, ১:৩৯ পিএম says : 0
নির্বাচনী পরাজয়কে বিএনপির ইতিবাচকভাবে চিন্তা করতে হবে। এই পরাজয় দল পুনর্গঠনের বিশাল সুযোগ এনে দিয়েছে বিএনপির সামনে। সাধারণত ক্ষমতায় থাকলে রাজনৈতিক দলগুলোর পুনর্গঠন সম্ভব নয়। সরকারে থাকলে নানা ধরনের ধান্দা–ফিকির কাজ করে কর্মীদের মাথায়। অনেক দেনা–পাওনার হিসাব থাকে। টেন্ডারবাজি, দখল, পাল্টা দখল, এলাকা নিয়ন্ত্রণ, স্থানীয় বিভিন্ন ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ, জলমহাল, বালুমহাল, ঝুট ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ—হাজারো চিন্তা থাকে কর্মীদের মাথায়। এখন যেহেতু সরকারে নেই, তাই বিএনপির সামনে বিশাল সুযোগ। প্রকৃত অর্থেই একটি রাজনৈতিক দল হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠা করার।
Total Reply(0)
Obaidul Islam Shanto ২২ জুলাই, ২০১৯, ১:৪০ পিএম says : 0
জনগণের সাড়া ব্যতীত বিএনপির পক্ষে বড় কোনো রাজনৈতিক পরিবর্তন আনা সম্ভব নয়। এখন প্রশ্ন হতে পারে, আওয়ামী লীগের প্রতিও তো তেমন জনসমর্থন নেই। তাহলে আওয়ামী লীগ সরকারে টিকে আছে কী করে? কারণ হচ্ছে সরকারি দল সব সময় রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহারের সুযোগ পায়। এই সুযোগ বিএনপিও পেয়েছে। ব্যবহারও করেছে। কিন্তু টিকতে পারেনি। আওয়ামী লীগ পারছে। আওয়ামী লীগের বুদ্ধিবৃত্তিক স্তর ও দক্ষতার সঙ্গে বিএনপির বিশাল পার্থক্য রয়েছে।
Total Reply(0)
Kbd K. Hadi ২২ জুলাই, ২০১৯, ১:৪১ পিএম says : 0
বিএনপি অবশ্যই নিষ্ক্রিয় না। তবে এখন যা করছে তাকে ঠিক সক্রিয়তাও বলা যায় না। বিএনপির পক্ষ থেকে যুক্তি দেওয়া হতে পারে, দলের কয়েক লাখ নেতা–কর্মীর বিরুদ্ধে মামলা আছে। গুম, খুনও কম হয়নি। নির্বাচনের আগে বিএনপির অনেক নেতা–কর্মীকে আওয়ামী লীগ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তাড়া খেয়ে ধানখেতে পর্যন্ত ঘুমাতে হয়েছে।
Total Reply(0)
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ২২ জুলাই, ২০১৯, ১:৪২ পিএম says : 0
বিএনপি কিন্ত ঠিক পথেই আছে। বরং আপনাদের ভাবা উচিৎ আওয়ামী লীগকে নিয়ে। এত পূরানো একটি দলকে এখন ক্ষমতায় থাকতে হচ্ছে ...র ভোটে।
Total Reply(0)
এম সোহেল ২২ জুলাই, ২০১৯, ১:৪৩ পিএম says : 0
আজকের বিএনপির নেতৃত্বকে অনেক আধুনিক ও যুগোপযুগি কৌশলী হতে হবে।
Total Reply(0)
Mahbubur Rahman ২২ জুলাই, ২০১৯, ১:৪৪ পিএম says : 0
বিএনপির গায়ে ভোট চুরির অপবাদ নেই। আপনার উপদেশ পরে মানব। আমরা আন্দালিব, রুপম, মফাজ্জল, সাঈদ এদের উপদেশ আগে চাই।
Total Reply(0)
Ahsan ২২ জুলাই, ২০১৯, ১:৪৫ পিএম says : 0
"সরকারের ওপর জনসাধারণ সন্তুষ্ট নয়। কিন্তু বিএনপি সরকারের অজনপ্রিয়তার সুযোগও নিতে পারেনি। বিএনপির নেতৃত্বের দুর্বলতা, সময়কে অনুধাবনের অক্ষমতা, একগুঁয়েমি, বিভিন্ন পর্যায়ে যোগ্য ও দক্ষ নেতা নির্বাচনে ব্যর্থতার কারণেই দীর্ঘ সময় ধরে দলটি ক্ষমতার বাইরে।" এটাই প্রকৃত কারণ।
Total Reply(0)
RubelBD ২২ জুলাই, ২০১৯, ১:৪৬ পিএম says : 0
ইংরেজ উপনিবেশ শাষনের সময় জনসমর্থন কংগ্রেস,মুসলিম লিগের প্রতি ছিল কিন্তু ক্ষমতায় তারা ছিল না কারন যখন বন্দুরে নল কথা বলে তখন অন্য কারও কথা শোনা যয়না। ব্রিটিশ ,পাকিস্তানি শাষনের সময় ও আন্দোলন চলেছে,বিদ্যালয়ের সামনের রাস্তায় বিরোধিদলের নির্বাচনি পোস্টার থাকলে তখন ও বিদ্যালয়ের সম্মানিত শিক্ষক মহদয়দের জেলে নিয়ে যাওয়া হয়নি ,মৃত ব্যক্তির নামে ও মামলা তখন হয়নি । ক্ষমতায় থাকাটা কোনো দলের আসল নয় দরকার জনপ্রিয়তা আর সেটা থাকলে নিরপেক্ষ নির্বাচনকে ভয় গেতে হয় না।
Total Reply(0)
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ২২ জুলাই, ২০১৯, ১:৪৭ পিএম says : 0
This is an unprecedented situation where a party has to face combined force of law enforcers, administration, election commission, court and political opponent in power. Under the circumstances democracy can't survive
Total Reply(0)
আবুল হোসেন সিরাজী ২২ জুলাই, ২০১৯, ১:৪৯ পিএম says : 0
দৈনিক ইনকিলাবকে এবং এর সম্পাদক কে আন্তরিক ধন্যবাদ এমন একটি সুন্দর আর্টিকেল লেখার জন্য। রফিক মোহাম্মদ ভাই সবসময় ভাল বিশ্লেষণ ধর্মী লেখা লিখবেন আপনার হাতে এক ধরনের মোহনী শক্তি আছে বলে আমার মনে হয়। সব সময় বিএনপি'র সমালোচনা না করে ভালো দিকগুলো মাঝেমধ্যে তুলে ধরবেন বলে আশা করি।
Total Reply(0)
মোঃ ইকরাম উল্যাহ ২২ জুলাই, ২০১৯, ১:৫৪ পিএম says : 0
সেই ছাত্র জীবন থেকে দৈনিক ইনকিলাব পড়ছি এবং সবসময় দেখেছি জাতীয়তাবাদ ও দেশের জনগণের প্রকৃত মনের কথা এই পত্রিকাটিতে ছাপানো হয়। বিএনপিকে যদি আগের রাস্তায় ফিরতে হয় তাহলে দৈনিক ইনকিলাবের দেখানো পথে হাঁটা উচিত।রফিক মোহাম্মদ ভাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ এমন একটি সুন্দর লেখা দেবার জন্য। আশা করি বাহাউদ্দীন ভাই ভালো আছেন এবং এই বিরূপ পরিবেশে নিজেকে সামহাউ খাপ খাইয়ে রেখেছেন। ক্যারি অন।
Total Reply(0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন