ঢাকা, সোমবার , ১৮ নভেম্বর ২০১৯, ০৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ২০ রবিউল আউয়াল ১৪৪১ হিজরী

সম্পাদকীয়

পরিবেশ দূষণ ও মানব সমাজ

আফতাব চৌধুরী | প্রকাশের সময় : ৫ আগস্ট, ২০১৯, ১২:০১ এএম

পৃথিবীতে মানুষের আবির্ভাবের পরই তাকে প্রকৃতি লালন করে আসছে। মাতৃদুগ্ধের প্রয়োজন ফুরাতেই তাকে প্রকৃতির উপর নির্ভর করতে হয়। আদিম মানুষ এক সময় গুহাবাসী ছিল, জীবন ছিল যাযাবরের। ধীরে ধীরে আগুন এবং তারও পরে কৃষির আবিস্কার তাকে যাযাবর জীবন থেকে অব্যাহতি দেয়। কৃষির আবিস্কারের ফলে মানুষের গৃহপালিত জন্তু ও স্থায়ী বসবাসের প্রয়োজন হয়ে পড়ে।

মানুষের প্রয়োজন হয়ে পড়ে মেঘ, বৃষ্টি, রোদ থেকে তার সন্তান, আবাস ও গৃহপালিত জন্তুর সুরক্ষার। শুরু হয় সমাজবদ্ধ জীবনের প্রয়োজন, সঞ্চয় ভাবনা। আয়-উপার্জনের মাধ্যমে জীবনযাপন শুরু করে। সুনির্দিষ্ট ভৌগোলিক সীমায় বসবাস করে গড়ে তোলে সমাজ। ধীরে ধীরে বিকশিত হয় বেশভ‚ষা এবং গোড়াপত্তন করল সভ্যতার।

মানুষের প্রয়োজন ও অভাব ভাবনাই মানুষকে অনুসন্ধিৎসু করে আবিস্কারের পথে নামতে সহায়তা করে। এই আবিষ্কারই ধীরে ধীরে পরিবর্তন আনে জীবনযাপনে এবং আধুনিক করে তোলে কৃষিখাত। অধিক ফসল উৎপাদনে মনোযোগী হয়।

বা®পচালিত ইঞ্জিনের আবিস্কার মানব সমাজে আমূল পরিবর্তন নিয়ে আসে। শুরু হয় শিল্প বিপ্লব। কুটির শিল্পের জায়গায় এলো বৃহৎ ও ভারি শিল্প। পানি, স্থল ও আকাশপথে পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলে। মানব সমাজ প্রবেশ করে আধুনিক যুগে। চাহিদা ও সুযোগের জন্য চলল নিত্যনতুন প্রচেষ্টা- মানুষের আহরণ ও সঞ্চয় ইচ্ছা প্রভাব বিস্তর করে পানি, বায়ু, ভ‚মি ও প্রাণীক‚লের উপর। মানব মনের এই অসীম অভিলাষ তাকে করে অসংযমী ও অহংকারী।

সভ্যতার ক্রমবিকাশ, জনবিস্ফোরণ, অসীম সঞ্চয় ভাবনা, উন্নয়ন ও সুবিধা ভোগের অভিলাষ অচিরেই বয়ে আনল প্রদূষণের দুর্ভাবনা। এই প্রদূষণ জনিত প্রাকৃতিক দুর্যোগ ডেকে আনলো বিপদ। পৃথিবীর পরিবেশ ব্যবস্থার চার মূল উপাদান পানি, বায়ু, ভ‚মি ও প্রাণীক‚ল আজ দূষণের ভয়াবহ শিকার। সামগ্রিকভাবে পরিবেশ দূষণকে তার উপাদানগুলোর দূষণের নিরিখে দেখা যায়। যথা (১) বায়ু দূষণ (২) পানি দূষণ (৩) শব্দ দূষণ (৪) ভ‚মি দূষণ।

বায়ু দূষণঃ বায়ু দূষণের প্রধান পাঁচটি প্রাথমিক উপাদান যার ৭০ শতাংশ বায়ুমন্ডলকে দূষিত করে। সেগুলোর অন্যতম কার্বন মনোক্সাইড, নাইট্রোজেন অক্সাইড, হাইড্রোকার্বন, সালফার অক্সাইড। যদিও প্রকৃতিতে একশ ভাগ অদূষিত বায়ুর উপস্থিতি অসম্ভব তথাপি বায়ু দূষণের ৯৫ শতাংশ কারণ মনুষ্যসৃষ্ট উদ্যোগ, যানবাহন, যথেচ্ছ বন ধ্বংস। বিভিন্ন উদ্যোগে সৃষ্ট কার্বন মনোক্সাইড এমন একটি গ্যাস যার ০.৫ শতাংশ উপস্থিতি মানুষের মৃত্যুর জন্য যথেষ্ট। আগ্নেয়গিরির জ্বালামুখের উদগীরণ বনপতি ও অরণ্য দহন এবং এ জাতীয় প্রাকৃতিক বিড়ম্বনায় বায়ু দূষিত করলেও প্রাকৃতিক নিয়মেই এর প্রকোপ প্রশমিত হয়। মনুষ্যসৃষ্ট দূষণ মানুষ সীমিত রাখতে পারে কেবল সঠিক অনুধাবন ও সংযমী ব্যবহারে। নাইট্রিক এসিড এবং সালফিউরিক এসিড এর সঙ্গে হাইড্রোক্লোরিন মিলে যে অ্যাসিড ঘণীভবন ও পরে অ্যাসিড বৃষ্টির সৃষ্টি করে তা কৃষি, স্মৃতিসৌধ, অট্টালিকা ইত্যাদির ভয়ঙ্কর ক্ষতি সাধন করে। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে মার্বেল, চ‚নাপাথর, সেÐট আদি দ্বারা নির্মিত সৌধগুলো এবং আগ্রার তাজমহলের ক্ষতি অ্যাসিড বৃষ্টির প্রভাবে হয়েছে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন। মানুষের মাত্রাতিরিক্ত লোভ, অহং পৃথিবীতে এ পর্যন্ত যত যুদ্ধ ও আগ্রাসন উপহার দিয়েছে তা যে বায়ুমন্ডলকে কিভাবে দূষিত করেছে তার পরিসংখ্যান মানুষের অস্তিত্বকে প্রশ্নচিহ্নের পাশে দাঁড় করায়। মানুষ মনে হয় ভুলেই গেছে, তার পূর্বপুরুষ যে বায়ুতে পৃথিবীতে প্রথম শ্বাস নিয়েছে, সেটিই তার শেষ নিঃশ্বাসের আগে কাজে লাগবে। পৃথিবী কি একা মানুষের? একের অস্তিত্ব অন্যের উপর নির্ভরশীল নয়কি? এ সত্য আবারও মনে করানোর প্রয়োজন হল।

পানি প্রদূষণঃ জীবজগতের অস্তিত্বের জন্য অক্সিজেনের পরই বিশুদ্ধ পানি প্রয়োজন। পৃথিবীর তিন চতুর্থাংশ বা প্রায় ১.৩ বিলিয়ন কিউবিক কিলোমিটার পানিমগ্ন। এ পানিমন্ডলের প্রায় ৯৭.৫ শতাংশ লবণাক্ত সমুদ্র পানি। পৃথিবীর ৭১ শতাংশ সাগর মহাসাগরে আবৃত্ত। ১.৮ শতাংশ পানি হিমবাহ রূপে আনটারটিকা, গ্রিনল্যান্ড ও পর্বত শিখরে অবস্থিত। শুধু ০.৭০ শতাংশ পানি বিশুদ্ধ রূপে আমরা পাই।

প্রকৃতির স্বাভাবিক নিয়মেই পানি দূষন শুরু হয়। তবে শিল্প উদ্যোগ ও কারখানা, নদ-নদী, হ্রদকে ক্রমাগত দূষিত করছে। দ্রæত অপরিকল্পিত শহরীকরণ, জনবিস্ফোরণ দিনের পর দিন কঠিন ও তরল বর্জ্য জলাধারগুলোকে বিষাক্ত করছে। খনিজ নিস্কাশন বৈদ্যুতিক প্রকল্প স্থাপন, কৃষিক্ষেত্রে রসায়ন প্রয়োগ পানিকে ব্যবহারের অনুপযুক্ত করছে। দেশ ও জাতির প্রগতি বহুল পরিমাণে নির্ভর করে জনসাধারণের সুস্বাস্থ্যের উপর। স্বাস্থ্য সুরক্ষার পূর্বশর্ত বিশুদ্ধ পানীয়জলের যোগান ও উপযুক্ত নিকাশি ব্যবস্থা। উন্নয়নশীল ও অনুন্নত দেশে প্রতি বছর কয়েক লক্ষ নাগরিক ও শিশু পানিবাহিত সংক্রামক রোগের শিকার হন। এর মধ্যে লক্ষাধিক প্রাণও হারান। বিশ্বব্যাংকের হিসাবে আগামী দশকে পৃথিবীর মোট বিশুদ্ধ পানির চাহিদা মেটাতে মোট ৬০০-৮০০ লক্ষ আমেরিকান ডলার প্রয়োজন যা অধিকাংশ বিকাশমান ও অনুন্নত দেশের পক্ষে যোগান অসম্ভব। বিশুদ্ধ পানির অপ্রতুলতা কেবল মানব সমাজকেই নয় স¤পূর্ণ জীববৈচিত্র্যকে সমস্যায় ফেলেছে। সীমিত স¤পদ পানির সংরক্ষণ ও সুরক্ষার দায়িত্ব মানুষকেই নিতে হবে। নইলে নিকট ভবিষ্যতে ‘পানিযুদ্ধ’ অসম্ভব মনে হয় না।

শব্দ দূষণঃ শব্দ দূষণ বলতে আমরা বুঝি অপ্রার্থিত এবং অবাঞ্ছিত শব্দ। মুক্ত বায়ুমন্ডলে অথবা বদ্ধ ক্ষেত্রে শব্দ তখনই দূষণ সৃষ্টি করে যখন শব্দ মাত্রা কোলাহল সৃষ্টি করে এবং বিরক্তি ও অসস্তির কারণ হয়। বিরক্তি ও অসস্তি উৎপন্নকারী উচ্চ শব্দ জীবজগৎ ও পরিবেশের উপর বিরূপ প্রভাব ফেলে। শব্দ পরিমাপের একক ডেসিবেল। বিশ্ব স^াস্থ্য সংস্থার মতে শব্দসীমা মানুষের বাসস্থানের আশপাশে দিনে ৪৫ ডেসিবেল ও রাতে ৩৫ ডেসিবেল এর ভিতর হওয়া বাঞ্চণীয়। কেন্দ্রীয় প্রদূষণ বোর্ডের অনুমোদিত শব্দসীমা-শিল্প এলাকায় দিনে ৭৫ ডেসিবেল রাতে ৬৫ ডেসিবেল। বাজার এলাকায় দিনে ৬৫ ডেসিবেল রাতে ৫৫ ডেসিবেল। আবাসিক এলাকায় দিনে ৫০ ডেসিবেল রাতে ৪৫ ডেসিবেল। স্পর্শকাতর এলাকা যেমন হাসপাতাল, শিক্ষা, প্রতিষ্ঠান ইত্যাদিতে দিনে ৫০ ডেসিবেল ও রাতে ৪০ ডেসিবেল।

শব্দ দূষণের প্রধান উৎসসমূহ হল ভারি ও মাঝারি শিল্প-ভারি ও মাঝারি নির্মাণকল্প, পরিবহন ক্ষেত্রে যানবাহন ও তাদের হর্ণ, লাউডস্পিকার, বোমা ও আতসবাজি, উপগ্রহ নিক্ষেপ, বিভিন্ন প্রকার উচ্চশব্দযুক্ত বাদ্য। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে তীব্র শব্দ দূষণ মানুষের বিশেষত শিশুদের ব্যক্তিত্বের বিনাশ ঘটায় এবং অসংলগ্নতার জš§ দেয়। শব্দ দূষণের প্রকোপে নানা রোগ-পাকস্থলীর ঘা, শিরঃপীড়া, স্মৃতিভ্রষ্ট, মানসিক বিকার দেখা দেয়। প্রতিটি মানুষের মন ও শরীরকে কর্মক্ষম রাখার জন্য একটি সুনির্দিষ্ট সময় অবধি গভীর ঘুমের দরকার। অধিক রাতে আবাসিক এলাকায় লাউডস্পিকার ব্যবহার আইনত নিষিদ্ধ করার পিছনে মানুষের সুনিদ্রা ও সুস্থ্যতার কথাই ভাবা হয়েছে। ১২৫ ডেসিবেল মানুষের কানে অসহ্য জ্বালা যন্ত্রণা সৃষ্টি করে এবং ১৫০ ডেসিবেল মানুষের মৃত্যুর কারণ হয়ে থাকে। দীর্ঘদিন উচ্চশব্দ শ্রবণে নিদ্রাহীনতা সৃষ্টি করে, উচ্চ শব্দ মস্তিস্কের অতি স–ক্ষ¥ কেন্দ্রগুলোকে আঘাত করে নিষ্কক্রীয় করার ক্ষমতা রাখে। বিনোদনের স্বার্থে তরুণ স¤প্রদায়ের কাছে উচ্চশব্দের বাদ্য আনন্দদায়ী বলে প্রতীয়মান হলেও তা বয়স্ক ও অসুস্থ ব্যক্তির পক্ষে অত্যন্ত অসহনীয় ও পীড়াদায়ক।

ভ‚মি প্রদূষণঃ মানব জীবনে ভ‚মি স¤পর্ক তার জš§দাতার পরেই। মাটির গুরুত্ব বায়ু, পানি, আদির ন্যায় অনস্বীকার্য। অথচ মানুষ স্ব-ইচ্ছায় ও অনিচ্ছায় এ মাটি বা ভ‚মিকে যথেচ্ছ ব্যবহার করে এর ক্ষতি করছে। দূষিত করছে এর স্বাভাবিকতা। খাদ্য শস্যের বাড়তি চাহিদা ও আধুনিক যন্ত্রের সাহায্যে কৃষিকার্য, খনিজ উত্তোলন, শিল্প উদ্যোগ জনবসতি স্থাপন ইত্যাদি বিভিন্নভাবে মাটিকে পরিবর্তিত করে তুলছে। সর্বংসহা পৃথিবীর, সমুদ্র, নদ-নদী, মরুভ‚মি, মালভ‚মি আর সুজলা-সুফলা শস্যভ‚মি আজ অসুস্থতার শিকার। যে ভ‚মিতে এক সময় বন জঙ্গল ছিল তা কোথাও মরুভ‚মিতে পরিণত হয়েছে, মাটির লোনার অংশে বৃদ্ধি মাটিকে ধীরে ধীরে নি®ফলা করে ফেলছে। ওয়ার্ল্ড রিসোর্স ইনষ্টিটিউটের প্রাক্কলন অনুসারে মানুষের অপব্যবহার পৃথিবীর ভ‚মি স¤পদের ১১ শতাংশকে এরূপ ক্ষতিগ্রস্ত করেছে যে, এ ভ‚মির শস্য উৎপাদন ক্ষমতা বহুলাংশে বিনষ্ট হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা বাংলা ভারত ও চীনের মিলিতভাবে প্রায় ১.২ বিলিয়ন হেক্টর, তাছাড়া স¤পূর্ণ পৃথিবীর ৩৫ শতাংশ শস্য উৎপাদন অক্ষম ভ‚মি ও ১৭ শতাংশ তৃণগুল্ম বৃক্ষ আবৃত্ত ভ‚মিও মনুষ্য সৃষ্ট কারণে ক্ষতিগ্রস্ত। অন্য এক সমীক্ষায় জানা গেছে, কৃষির অপব্যবহার ২৮ শতাংশ, বৃক্ষছেদন ৩০ শতাংশ, অত্যধিক গবাদি পশুচারণ ৩৫ শতাংশ এবং খনিজ উত্তোলন ও নির্মাণকল্প অবশিষ্ট ৭ শতাংশ ভ‚মির ক্ষতি করে চলেছে।

যদিও নির্মাণকল্প, শহরীকরণ, যুদ্ধ, খনি উত্তোলন এবং সেরূপে অন্যান্য প্রক্রিয়া ভ‚মিক্ষয় ও ভ‚মির বিভিন্ন স্তরের গঠনের পরিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ, তবে ভ‚মিক্ষয়ের অন্যতম কারণ বন ধ্বংস ও কৃষি। বন জঙ্গল ভ‚মিকে ঢেকে রাখে এবং ঘর্ষণ, রোদ ও বৃষ্টি থেকে ক্ষয় রোধ করে। এ ভ‚মির বন ধ্বংস হলে বা কৃষি কাজ শুরু হলে বিপরীত ফল হয়। তাছাড়া উš§ুক্ত ভ‚মির অভ্যন্তরে কৈশিক আকর্ষণ ও বিকর্ষণে মাটিকে পানি করে লবণযুক্ত করে।

পৃথিবীতে মানুষই অদ্বিতীয় জীব যার এ পর্যন্ত অর্জিত বুদ্ধি ও জানার ক্ষমতা তাকে প্রকৃতির নানারূপ যেমন গ্রীষ¥, শীত, মরু, মালভ‚মি, মহাকাশ, সাগর, পর্বত অতিক্রম করতে শিখিয়েছেÑযা অন্য প্রজাতির জীবকে সীমিত ক্ষেত্রে বেঁঁধে রেখেছে। আদিম গুহাবাসী মানুষ আজ মহাকাশ বিজয়ী। জিন ট্রান্সফার, স্ট্রিংথিওরি উদ্ভাবন হয়েছে মানুষের শ্রেষ্ঠ প্রচেষ্টার ফলে। মানুষ তার শ্রেষ্ঠত্ব বজায় রাখে সৃজনশীলতার ও সৃষ্টিশীলতার ভিন্নতার মাধ্যমে। পরিবেশ দূষণ যে মানব সভ্যতার কাছে বিপদ ও আশঙ্কা উপস্থিত করেছে, তার নিরসন ও প্রশমনের দায়িত্বও সৃজনশীল ও বুদ্ধিমান মানুষের।

দূষণ ১০০ শতাংশ নিরসন সম্ভব না হতে পারে তবে গণ সচেতনতা, নৈতিক শিক্ষা, সুচারু সংযমী স¤পদ আহরণ ব্যবস্থা, পরিবেশ বিষয়ক পাঠ্যস–চি, সুস্থ বন্টন ও দারিদ্র দূরীকরণ, যৌথ অংশীদারিতে বন সৃজন, পানি ও বায়ু সুরক্ষা আইন, জীববৈচিত্র্যের অনুক‚লে প্রকল্প গ্রহণ, ভ‚মি সংরক্ষণ ব্যবস্থা সর্বোপরি নিয়ন্ত্রিত ও সংযমী মানব স¤পদ উন্নয়ন দূষণমুক্ত সমাজ ব্যবস্থা সৃষ্টি করতে পারে। প্রতিটি মানুষের সদিচ্ছা ও স্বচেষ্টায় বায়ু, পানি, ভ‚মি ও সমাজকে দূষণ মুক্ত রাখা সম্ভব। নিজের জন্যই প্রত্যেকের এ বিষয়ে দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন আবশ্যক। সমাজবদ্ধ জীব মানুষ তার সুবুদ্ধি, সংহত চেতনা ও উদ্যমের সঙ্গে পরিবেশকে সুরক্ষা করতে পারে।

লেখকঃ সাংবাদিক ও কলামিস্ট। বৃক্ষরোপণে জাতীয় পুরস্কার (১ম স্বর্ণপদক) প্রাপ্ত।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

গত ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন