ঢাকা, বুধবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৩ আশ্বিন ১৪২৬, ১৮ মুহাররম ১৪৪১ হিজরী।

আন্তর্জাতিক সংবাদ

মোদি: ধর্মীয় সম্প্রীতি দেখতে বিশেষজ্ঞদের বাংলাদেশ সফর করা উচিৎ

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ৮ আগস্ট, ২০১৯, ৭:৪৯ পিএম

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে এই বৈঠকে মোদি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশত বার্ষিকী উদযাপনে বাংলাদেশ সরকার গৃহীত কর্মসূচির অংশীদার হতে আগ্রহ প্রকাশ করেন।

ধর্মীয় সম্প্রীতি দেখতে বিশেষজ্ঞদের বাংলাদেশ সফর করা উচিৎ বলে মন্তব্য করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল সকালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে তার সরকারি বাসভবনে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, "বাংলাদেশী মানুষ কিভাবে শান্তিপূর্ণভাবে মিলিমিশে ধর্মীয় সম্প্রীতির সাথে বাস করছে তা প্রত্যক্ষ করতে বিশেষজ্ঞদের বাংলাদেশ সফর করা উচিৎ।"

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বুধবার (৮ আগস্ট) আয়োজিত বাংলাদেশ ও ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের সপ্তম বৈঠকে অংশ নিতে মঙ্গলবার দিল্লী পৌঁছেন। বৈঠকের শুরুতে ভারতের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজের অকাল মৃত্যুতে মন্ত্রী গভীর শোক প্রকাশ করেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে এই বৈঠকে মোদি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশত বার্ষিকী উদযাপনে বাংলাদেশ সরকার গৃহীত কর্মসূচির অংশীদার হতে আগ্রহ প্রকাশ করেন। এ সময় তিনি টানা তিন মেয়াদের জন্য প্রধানমন্ত্রী হওয়ায় শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানান এবং বাংলাদেশের ভূমি ব্যবহার করে সন্ত্রাসী, জঙ্গী ও বিচ্ছিন্নতাবাদীরা যেন ভারতসহ অন্যান্য দেশের ক্ষতি করতে না পারে সে লক্ষে বাংলাদেশের গৃহীত নীতির ভূয়সী প্রশংসা করেন।

রোহিঙ্গা ইস্যুতে ভারতের সহায়তা চাওয়া হলে মোদি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে বলেন, ভারত সরকার রোহিঙ্গা সমস্যাটি ইতোমধ্যেই মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের কাছে উপস্থাপন করেছে। ভারত মনে করে সমস্যাটি অবশ্যই সমাধান করতে হবে।

মোদি বাংলাদেশে ঠাঁই নেয়া রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ প্রত্যাবাসনের জন্য আবারও মিয়ানমারের সঙ্গে আলোচনা করবেন বলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে আশ্বস্ত করেন।

বৈঠকে আসাদুজ্জামান উভয় দেশের সীমান্তে মাদকসহ সকল চোরাচালান বন্ধে ভারত সরকারের সহযোগিতা কামনা করেন। এ সময় ভারতের প্রধানমন্ত্রী সীমান্তে মাদক চোরাচালান, সন্ত্রাসবাদ ও অন্যান্য অপরাধ রোধে একটি নিরাপদ ও কার্যকর সীমান্ত প্রতিষ্ঠায় দুই দেশ এক সঙ্গে কাজ করবে বলে প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। বিমসটেক এই অঞ্চলের শান্তি ও উন্নয়ন কার্যকরী ভূমিকা রাখবে বলে মোদি আশা প্রকাশ করেন।

এ সময় ভারতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার সৈয়দ মোয়াজ্জেম আলী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সচিব মোস্তফা কামাল উদ্দীন, সুরক্ষা সেবা বিভাগের মো. শহিদুজ্জামান, আইজিপি ড. মো. জাভেদ পাটোয়ারী উপস্থিত ছিলেন।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (4)
হারুন ৮ আগস্ট, ২০১৯, ৯:০২ পিএম says : 0
ভারতে কোরবানি তে গরু জবাই করার অনুমতি দেয়া হোক।ভারতে বিশেষজ্ঞ পাটানো উচিত
Total Reply(0)
Rahamot ৮ আগস্ট, ২০১৯, ৯:৪০ পিএম says : 0
কাস্মীরের স্বধীনতা দেওয়া হোক, প্রতিনিঠি পাঠানো হোক
Total Reply(0)
kkio ৮ আগস্ট, ২০১৯, ১০:৪৪ পিএম says : 0
Nature of the politics in the trump era is similar to the hunting nature of Hyena. Totally unpredictable, totally ferocious, and totally immoral. Only Modi/Hacina/Natan in the whole was able to personalize this nature. Sadly this is going to be the nature of politics of the 21st century.
Total Reply(0)
smmozibur binkalam ৮ আগস্ট, ২০১৯, ১১:০২ পিএম says : 0
দাদার তেল মারা কথা শুনে মনে হচ্ছে। দাদা বাংলাদেশ থেকে বড় কিছু চাইবে। আর আমাদের সরকার তো দাদা চাইলে না বলতে লজ্জা পান।
Total Reply(0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন