ঢাকা, বুধবার, ১৬ অক্টোবর ২০১৯, ০১ কার্তিক ১৪২৬, ১৬ সফর ১৪৪১ হিজরী

মহানগর

ডিএনসিসির নতুন ওষুধ প্রয়োগ শুরু

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ১০ আগস্ট, ২০১৯, ১২:০১ এএম

চীন থেকে আনা মশার নতুন কীটনাশকের আনুষ্ঠানিক প্রয়োগ গতকাল শুক্রবার থেকে শুরু করেছে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি)। এলজিআরডি মন্ত্রী তাজুল ইসলামকে সঙ্গে নিয়ে এসব কীটনাশক প্রয়োগ শুরু করেন ডিএনসিসি মেয়র আতিকুল ইসলাম। অন্যদিকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি) আজ শনিবার থেকে নতুন ওষুধ ছিটানোর কাজ শুরু করবেন বলে জানিয়েছেন মেয়র সাঈদ খোকন।
গতকাল শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর মোহাম্মদপুর টাউন হল বাজারে আনুষ্ঠানিকভাবে কীটনাশক প্রয়োগ শুরু করা হয়। নতুন পদক্ষেপ হিসেবে মোটরসাইকেলে করে এই কীটনাশক ছিটানো হয়।
এসময় এলজিআরডি মন্ত্রী তাজুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশ সরকার সর্বাত্মকভাবে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় কাজ করছে। শুক্রবার ছুটির দিনেও আমরা কাজ করেছি। সচিবালয়ে গেলে দেখবেন আমাদের মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সব কর্মকর্তা কাজ করছেন। এই ধারা স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের গ্রাম পর্যায়ের দপ্তরেও অব্যাহত আছে। দুই সিটি কর্পোরেশনকে আমরা নতুন করে এক হাজার ৬০০ কর্মী দিয়েছি। মন্ত্রী তাজুল ইসলামকে বিভিন্ন স্থান ঘুরে দেখান ডিএনসিসি মেয়র আতিকুল ইসলাম ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে শিশুদের পাঠ্য বইয়ে সচেতনতামূলক অধ্যায় অন্তর্ভুক্তির তাগিদ দিয়ে মন্ত্রী বলেন, বিশ্বের অনেক দেশেই দেখেছি শিশুদের পাঠ্য সিলেবাসে ডেঙ্গু বা মশার বিষয়ে পড়ানো হয়। ডেঙ্গু বিষয়ে আমাদের বছরের ৩৬৫ দিন কাজ করতে হবে। আমাদের সবার দায়িত্ব আছে। সরকার তার সব শক্তি প্রয়োগ করলেও শহরের সব বাসার পরিবেশ ঠিক করতে পারবে না। কিন্তু প্রতিটি বাড়ির মালিক যদি একদিকে নিজ নিজ উদ্যোগে কাজ করেন তাহলে শহরের সব বাড়ি একদিনে পরিষ্কার হয়ে যাবে।
এদিকে মশা নিধনের জন্য আনা নতুন ওষুধ আজ শনিবার থেকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রতিটি ওয়ার্ডে ছিটানো হবে বলে জানিয়েছেন মেয়র সাঈদ খোকন। একই সঙ্গে কোরবানির ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বর্জ্য অপসারণ করা হবে বলেও জানান তিনি। গতকাল শুক্রবার পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী ধোলাইখাল মাঠ পরিদর্শনের সময় সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
মেয়র বলেন, মশা নিধনের জন্য বিদেশ থেকে আনা নতুন ওষুধ আজ শনিবার থেকে ছিটানো হবে। দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অবস্থিত আবাসিক ভবন ও ফ্ল্যাটের ভেতর সিটি কর্পোরেশনের কর্মীরা মশা নিধনের কার্যক্রম চালাবেন। মশা নিধনের জন্য দক্ষিণ সিটির ৭৫টি ওয়ার্ডকে ১০টি অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছে। প্রতিটি অঞ্চল তদারকি করতে একজন করে সরকারি প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব। এডিস মশার লার্ভা নিধনে নাগরিকদের নিজ নিজ বাড়ি ঘর আঙিনা ও এর আশপাশের কোথাও যেন তিন দিনের বেশি পানি জমে না থাকে সেদিকে সতর্ক থাকার আহবান জানান মেয়র।
তিনি বলেন, নির্ধারিত স্থানে পশু কোরবানি কোনো কারণে সম্ভব না হলে যেখানেই কোরবানি করবেন সেখানে পানি কিংবা রক্ত জমতে দেবেন না। পশুর রক্ত পানি দিয়ে ধুয়ে সেখানে ব্লিচিং পাউডার দিতে হবে। এছাড়াও সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে সবাইকে বড় ব্যাগ দেওয়া হবে। সেই ব্যাগে বর্জ্য ঢুকিয়ে নির্ধারিত স্থানে রাখবেন। আমাদের পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা গিয়ে বর্জ্য সংগ্রহ করবেন।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন