ঢাকা, শুক্রবার, ১৮ অক্টোবর ২০১৯, ০২ কার্তিক ১৪২৬, ১৮ সফর ১৪৪১ হিজরী

জাতীয় সংবাদ

আজ বঙ্গবন্ধুর শাহাদতবার্ষিকী

জাতীয় শোক দিবস বেদনাবিধুর দিন

ইয়াছিন রানা | প্রকাশের সময় : ১৫ আগস্ট, ২০১৯, ১২:০১ এএম

আজ অশ্রুভেজা শোকাবহ ১৫ আগস্ট। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী। ১৯৭৫ সালের রক্তঝরা এই দিনে রাষ্ট্র হারায় তার স্থপতিকে। জাতি হারিয়েছে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালিকে আর আমরা হারিয়েছি আমাদের শ্রেষ্ঠ নেতাকে। অমানিশার অন্ধকারে ঢেকে যায় গোটা বাংলাদেশ। ভোরের আলো ফোটার আগেই ধানমন্ডি ৩২ নাম্বারে রচিত হয় ইতিহাসের কলঙ্কিত অধ্যায়।

পঁচাত্তরের এই দিনে শুধু তিনিই নন, স্ত্রী বেগম শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব, তিন পুত্র- শেখ কামাল, শেখ জামাল ও ১০ বছরের শিশুপুত্র শেখ রাসেল, দুই পুত্রবধূ সুলতানা কামাল, রোজী জামাল ও সহোদরসহ মোট ২৬ জন আত্মীয়-পরিজন নির্মম হত্যাকান্ডের শিকার হন। একাত্তরের পঁচিশে মার্চ মধ্যরাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর নৃশংস গণহত্যা ঘটনার সঙ্গে পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট মধ্যরাতের এই বর্বর হত্যাকান্ডই তুলনীয় হতে পারে। যেখানে নারী-শিশুসহ নির্বিচারে গণহত্যা চালানো হয়। মুক্তিযুদ্ধের মূল চেতনায় আস্থাহীন দেশীয় কিছু রাজনীতিকের পাশাপাশি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে বঙ্গবন্ধু নৃশংসভাবে শহীদ হন সেই কালরাতে। তবে প্রবাসে থাকায় প্রাণে রক্ষা পান বঙ্গবন্ধুর দুই মেয়ে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা।

১৫ আগস্টের নির্মম সেই হত্যাযজ্ঞে আরো নিহত হন বঙ্গবন্ধুর ছোট ভাই পঙ্গু মুক্তিযোদ্ধা শেখ আবু নাসের, ভগ্নিপতি আবদুর রব সেরনিয়াবাত, তার ছেলে আরিফ সেরনিয়াবাত, মেয়ে বেবী সেরনিয়াবাত, শিশু পৌত্র সুকান্ত বাবু, বঙ্গবন্ধুর ভাগ্নে শেখ ফজলুল হক মনি, তার অন্তঃস্বত্ত্বা স্ত্রী আরজু মনি, নিকটাত্মীয় শহীদ সেরনিয়াবাত, আবদুল নঈম খান রিন্টু এবং বঙ্গবন্ধুর জীবন বাঁচাতে ছুটে আসা প্রেসিডেন্টের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা কর্মকর্তা কর্নেল জামিল উদ্দিন আহমেদসহ কয়েকজন নিরাপত্তা কর্মকর্তা ও কর্মচারী। জাতি আজ গভীর শোক ও শ্রদ্ধায় স্মরণ করবে এসব শহীদকে।

সেদিন যা ঘটেছিল : বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, ‘আমার সবচেয়ে বড় গুণ, আমি আমার দেশের মানুষকে ভালোবাসি। আর আমার দোষ, তাদের আমি বেশি ভালোবাসি।’ দেশ আর মানুষের প্রতি যার ছিল এই অগাধ ভালোবাসা; যার হাতে জ্বলেছে বাঙালি জাতির দুয়ারে উদ্দীপনার আলো; তাকেই নৃশংসভাবে গুলি করে হত্যা করে নিষ্ঠুর ঘাতকরা। অমানিশার অন্ধকারে ঢেকে দেয় গোটা বাংলাদেশ। ভোরের আলো ফোটার আগেই ধানমন্ডি ৩২ নাম্বারে রচিত হয় ইতিহাসের কলঙ্কিত অধ্যায়। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট অতিপ্রত্যুষে ধানমন্ডির ৩২ নাম্বারের বাসভবনে কাপুরুষোচিত আক্রমণ চালায় ঘাতক দল। সে নারকীয় হামলার পর দেখা গেছে, ভবনটির প্রতিটি তলার দেয়াল, জানালার কাচ, মেঝে ও ছাদে রক্ত, মগজ ও হাড়ের গুঁড়ো ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে। গুলির আঘাতে দেয়ালগুলোও ঝাঁঝরা হয়ে গেছে। চার পাশে রক্তের সাগরের মধ্যে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে ছিল ঘরের জিনিসপত্র। প্রথম তলার সিঁড়ির মাঝখানে নিথর পড়ে আছেন চেক লুঙ্গি ও সাদা পাঞ্জাবি পরিহিত স্বাধীনতার মহানায়ক জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লাশ। তার তলপেট ও বুক ছিল বুলেটে ঝাঁঝরা। পাশেই পড়ে ছিল তার ভাঙা চশমা ও অতিপ্রিয় তামাকের পাইপটি। অভ্যর্থনা কক্ষে শেখ কামাল, মূল বেডরুমের সামনে বেগম মুজিব, বেডরুমে সুলতানা কামাল, শেখ জামাল, রোজী জামাল, নিচতলার সিঁড়ি সংলগ্ন বাথরুমে শেখ নাসের এবং মূল বেডরুমে দুই ভাবীর ঠিক মাঝখানে বুলেটে ক্ষতবিক্ষত রক্তাক্ত অবস্থায় পড়েছিল ছোট্ট শিশু শেখ রাসেলের লাশ। লুঙ্গিতে জড়ানো শিশু রাসেলের রক্তভেজা লাশ দেখে খুনিদের প্রতি চরম ঘৃণা-ধিক্কার জানানোর ভাষা খুঁজে পান না মানবতাবাদী বিশ্বের কোনো মানুষ। এভাবেই নারকীয় পৈশাচিক হত্যাযজ্ঞের মাধ্যমে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করা হয়।

ইতিহাস বলছে, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করার পরপরই স্বাধীনতাবিরোধী দেশীয় ও আন্তর্জাতিক চক্র বাঙালি জাতির সর্বশ্রেষ্ঠ অর্জন স্বাধীনতাকে ধ্বংস করার চেষ্টা চালায়। অপপ্রয়াস চালানো হয় বাঙালির বীরত্বগাথা ইতিহাস মুছে ফেলারও। মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধ্বংস ও অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশকে সাম্প্রদায়িক বাংলাদেশে পরিণত করতে বারবার কাটাছেঁড়া করা হয় সংবিধানকে। যাতে রাষ্ট্রীয় চার মূলনীতি-ধর্মনিরপেক্ষতা, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও জাতীয়তাবাদ সংবিধানে উপেক্ষিত হয়।

শুধু তাই নয়, বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মধ্য দিয়ে দেশে জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার অপসারণ, হত্যা, ক্যু, ষড়যন্ত্রের রাজনীতিও চালু হয়। গণতন্ত্রকে পাঠানো হয় নির্বাসনে। চালু হয় সামরিক একনায়কতন্ত্র। সেই সাথে জাতির জনকের আত্মস্বীকৃত খুনি মোশতাক, ফারুক, রশিদচক্রকে হত্যাকান্ডের দায়ভার থেকে মুক্তি দিয়ে কুখ্যাত ইনডেমনিটি (দায়মুক্তি) অধ্যাদেশ জারি করা হয়। জিয়াউর রহমানের শাসনামলে সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে আইন করে খুনিদের আইনের হাত থেকে রক্ষা করা হয়। রুদ্ধ করে দেয়া হয় বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচারের পথ।

কিন্তু এতসব প্রতিকূলতার মধ্যেও দেশ-বিদেশে বঙ্গববন্ধু হত্যার বিচারের জোর দাবি ওঠে। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর কুখ্যাত ইনডেমনিটি আইন বাতিল করে বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডের বিচারের পথ উন্মুক্ত করে। বিচারে নিম্ন আদালত ঘাতকদের ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদন্ড প্রদান করেন। পরবর্তীতে নিম্ন আদালতের এ রায় হাইকোর্টও বহাল রাখেন। কিন্তু ২০০১ সালের পর সুপ্রিম কোর্টে বিচারক নিয়োগ না দেয়াসহ নানা কারণে বিচারের পথে বেশ কিছু প্রতিবন্ধকতা দেখা দেয়। ফলে রায় কার্যকরে বিলম্ব হতে থাকে। কিন্তু ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকার গঠনের পর উচ্চ আদালত পর্যায়ের বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার উদ্যোগ নেয়। সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ হাইকোর্টের রায় বহাল রাখে। অবশেষে দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর ২০১০ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি ৫ খুনিকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে রায় কার্যকর করা হয়। তবে এখনো দন্ডপ্রাপ্ত ৫ খুনি বিদেশে পালিয়ে আছে।

এদিকে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে প্রেসিডেন্ট মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী পৃথক পৃথক বাণী দিয়েছেন। দিবসটি উপলক্ষে আজ সারাদেশে সাধারণ ছুটি থাকবে। সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ভবন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও বেসরকারি ভবনগুলোতে অর্ধনমিত রাখা হবে জাতীয় পতাকা।
কর্মসূচি : এদিন রাষ্ট্রীয় কর্মসূচির মধ্যে সকাল সাড়ে ৬টায় প্রেসিডেন্ট মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ধানমন্ডির বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর প্রাঙ্গণে জাতির জনকের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন। এ সময় সশস্ত্র বাহিনী গার্ড অব অনার প্রদান করবে ও বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে।

আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে সকাল ৬টা ৩০ মিনিটে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন দলটির শীর্ষসহ সব পর্যায়ের নেতারা। সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে বনানী কবরস্থানে ১৫ আগস্টের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন, মাজার জিয়ারত, ফাতেহা পাঠ, মোনাজাত ও মিলাদ মাহফিল হবে।

৯টা ১০ মিনিটে হেলিকপ্টারে করে প্রধানমন্ত্রী টুঙ্গিপাড়ার উদ্দেশে রওনা হবেন এবং ১০টার দিকে বঙ্গবন্ধুর মাজারে গিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন। পুষ্পস্তবক অর্পণের পর প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু এবং ১৫ আগস্টের হত্যাযজ্ঞে নিহত অন্য শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে ফাতেহা ও মোনাজাতে অংশ নেবেন।

এরপর ঢাকায় বঙ্গবন্ধু ভবন প্রাঙ্গণে মহিলা আওয়ামী লীগের মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে বাদ আসর। দুপুরে অসচ্ছল, এতিম ও দুস্থদের মধ্যে খাদ্য বিতরণ করা হবে। মিলাদে প্রধানমন্ত্রী অংশগ্রহণ করবেন। আর আগামীকাল বিকাল ৪টায় ঢাকার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে দলটির উদ্যোগে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করবেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এছাড়া মন্দির, গির্জা, প্যাগোডাসহ উপাসনালয়ে হবে বিশেষ প্রার্থনা। এর অংশ হিসেবে সকাল ৯টায় ওয়াইএমসিএ চ্যাপেল, ১৯ সেনপাড়া, পর্বতা, মিরপুর-১০-এ খ্রিষ্টান সম্প্রদায়, সকাল ১০টায় রাজধানীর মেরুল বাড্ডা আন্তর্জাতিক বৌদ্ধ বিহারে বৌদ্ধ সম্প্রদায় এবং সকাল সাড়ে ১১টায় ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে হিন্দু সম্প্রদায় প্রার্থনা সভার আয়োজন করেছে।

দলের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ১৫ আগস্ট জাতির পিতার ৪৪তম শাহাদতবার্ষিকী, জাতীয় শোকদিবস যথাযথ মর্যাদা ও ভাবগম্ভীর পরিবেশে দেশবাসীকে নিয়ে পালন করার জন্য আওয়ামী লীগ, সহযোগী, ভ্রাতৃপ্রতিম, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠন এবং সংস্থাগুলোর সর্বস্তরের নেতা-কর্মী, সমর্থকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

একই সঙ্গে আওয়ামী লীগের সব জেলা, মহানগর, উপজেলা, পৌর, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডসহ সব শাখাকে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কর্মসূচি গ্রহণ করে দিবসটি পালন করার অনুরোধ জানিয়েছেন।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (10)
Shohel Hossain Parvez ১৫ আগস্ট, ২০১৯, ৩:৩৯ এএম says : 0
১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ৪৪ তম শাহাদাৎ বার্ষিকীতে বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি
Total Reply(0)
Aminul Jony ১৫ আগস্ট, ২০১৯, ৩:৩৮ এএম says : 0
salute. rest in peace. father of the nation.
Total Reply(0)
Sajal Banerjee ১৫ আগস্ট, ২০১৯, ৩:৪৬ এএম says : 0
বিনম্র শ্রদ্ধা জাতির পিতা ও বঙ্গমাতা সহ সকল শহীদদের প্রতি...
Total Reply(0)
Ornob Aslam ১৫ আগস্ট, ২০১৯, ৩:৩৮ এএম says : 0
শ্রদ্ধা জানাই হে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
Total Reply(0)
ইব্রাহিম রহমান ১৫ আগস্ট, ২০১৯, ৩:৪৬ এএম says : 0
হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি বাংলার রাখাল রাজা জাতির মহান নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও ফজিলাতুন্নেছা মুজিব সহ শেখ কামাল শেখ জামাল শেখ রাসেল সহ সকল শহীদদের প্রতি রইল বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি আল্লাহ বঙ্গবন্ধুর পরিবারকে বেহেশতের উত্তম মাকাম দান করুক.... আমিন
Total Reply(0)
Golam Faroque ১৫ আগস্ট, ২০১৯, ৩:৪৭ এএম says : 0
বাংলার মহানায়ক, মুকুটহীন সম্রাট, জাতির জনক, হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি,স্বাধীনতার মহান স্থপতি বঙ্গবন্ধুর 44তম শাহাদাত বার্ষিকিতে জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা।
Total Reply(0)
Mohammad Azam ১৫ আগস্ট, ২০১৯, ৩:৪৭ এএম says : 0
I salute him as the father of nation and the architect of Bangladesh.
Total Reply(0)
Khan Mohammad Zahirul Islam ১৫ আগস্ট, ২০১৯, ১০:০২ এএম says : 0
15 ই আগস্ট যারা শহীদ হয়েছেন, হে আল্লাহ তুমি তাদেরকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন, আমরা সবাই তাদের জন্য দোয়া প্রার্থনা করছি।
Total Reply(0)
Syed Zulfikar Ali ১৫ আগস্ট, ২০১৯, ১০:০৩ এএম says : 0
হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী, মহান স্বাধীনতার স্থপতি, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান সহ তাঁর পরিবারের সকল শহীদদের প্রতি রইলো বিনম্র শ্রদ্ধা।
Total Reply(0)
Iftekhar Azom ১৫ আগস্ট, ২০১৯, ১০:০৩ এএম says : 0
পিতা তুমি ঘুমাও শান্তিতে,,।। আমরা জেগে আছি,তোমার স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে,,,।।। বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি।
Total Reply(0)

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন