ঢাকা, সোমবার, ১৪ জুন ২০২১, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৮, ০২ যিলক্বদ ১৪৪২ হিজরী

অভ্যন্তরীণ

কোরবানির গোশতে আল্লাহু লেখা

সাটুরিয়া (মানিকগঞ্জ) উপজেলা সংবাদদাতা | প্রকাশের সময় : ১৬ আগস্ট, ২০১৯, ১২:০২ এএম

মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলায় কোরবানির গরুর মাংসে একটি টুকরোতে আল্লাহু লেখা ও আরো দুটি টুকরোতে আরবি হরফে মিম লেখা ভেসে ওঠেছে।

ঘটনাটি ঘটেছে সাটুরিয়া উপজেলার দরগ্রাম ইউনিয়নের নওগাও এলাকায় আল মাদরাসা হেদায়েতুল ইসলাম নামের একটি মাদরাসায়।
এ খবর ছড়িয়ে পড়লে ওই এলাকার শত শত উৎসুক জনতা ভিড় করে আল্লাহু লেখা ও মিম লেখা মাংসগুলো একনজর দেখার জন্য।
জানা যায়, ঈদুল আজহার দিন উপজেলার নওগাও গ্রামের কোরবানির গরুর মাংস সমাজের জন্য একত্রে করে ভাগ করে তার থেকে দুটি ভাগ (৩/৪ কেজি) মাংস এলাকার আল মাদরাসা হেদায়েতুল ইসলামের ছাত্রদের জন্য দেয়া হয়। পরে দিন মঙ্গলবার মাদরাসার অধ্যক্ষের বাড়িতে মাংস রান্না করার সময় আল্লাহ ও মিম লেখা মাংস গুলো দেখতে পাওয়া যায়।

মাদরাসার ছাত্র মো. কবির হোসেন জানায়, মাংসের টুকরোতে আল্লাহ ও মিম লেখা ভেসে উঠেছে এ খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকার শত শত উৎসুক জনতা ভিড় করে আল্লাহ লেখা ও মিম লেখা মাংসগুলো একনজর দেখার জন্য। বর্তমানে আল্লাহ লেখা ও মিম লেখা মাংসগুলো মাদরাসার পাশের দোকানের ফ্রিজে রাখা হয়েছে। গতকাল দুপুরে আল মাদরাসা হেদায়েতুল ইসলামের অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা সোহাইল আহম্মেদ জানায়, মঙ্গলবার সকালে মাদরাসার ছাত্রদের জন্য কোরবানির মাংস তার স্ত্রী রান্না করার সময় সে মাংস নাড়া দিতে গিয়ে পাতিলের মধ্যে মাংসের উপরে মিম হরফরের মাংসের দুটি টুকরা দেখতে পায়। পরে আরো নাড়লে আল্লাহ লেখা মাংস খন্ডটি দেখে তা তুলে নেয়। পরে স্থানীয় মানুষ জন ও এলাকার মুফতি মোশারফ হোসেনকে দেখালে তিনি নিশ্চিত করেন মাংসের টুকরোতে আল্লাহ ও মিম লেখা ভেসে উঠেছে। মাংসের টুকরোগুলো খাওয়া জায়েজ হলেও তা তারা খাবে না জানিয়ে বলেন পরিস্কার কাপড় দিয়ে বেঁধে মাংসগুলো মাটিতে পুঁতে রাখা হবে।

সাটুরিয়া সৈয়দ কালুশাহ বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের অধ্যক্ষ জাহিরুল হক খান টিটু বলেন, তিনি নিজ চোখে মাংসে একটি টুকরোতে আল্লাহ লেখা ও আরো দুটি টুকরোতে আরবি হরফ মিম লেখা গুলো দেখেছেন। এটি একটি অলৌকিক ঘটনা।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

গত ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন