ঢাকা, শনিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৬ আশ্বিন ১৪২৬, ২১ মুহাররম ১৪৪১ হিজরী

সারা বাংলার খবর

সিরাজদিখানে ২ কোটি ২৬ লাখ টাকার রাস্তার কাজে অনিয়ম

রাস্তার পার ভরাটের কাজে মাটির সাথে কলাগাছ!

সিরাজদিখান(মুন্সীগঞ্জ) উপজেলা সংবাদদাতা | প্রকাশের সময় : ১৯ আগস্ট, ২০১৯, ৩:৫৫ পিএম

সিরাজদিখানে ২ কোটি ২৬ লাখ টাকার রাস্তার কাজে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। রাস্তার পার ভরাটের কাজে মাটির নিচে কলাগাছ দেওয়া হয়েছে। উপজেলার একটি গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা নন্দনকোনা-থৈরগাঁও সংস্কার কাজে অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। রাস্তার দুই পার বাঁধতে মাটি ভরাটের কাজে কলাগাছ ব্যবহার করেছেন ঠিকাদার! রাস্তার সংস্কার কাজে পিঁচঢালাই করার লক্ষ্যে এখন রাস্তা প্রস্তুত হলেও, কলাগাছ পঁচে রাস্তার পিঁচ ঢালাইয়ের আগেই রাস্তা ভেঙ্গে গেছে বেশ কয়েকটি স্থানে।

সরোজমিনে জানাযায়, উপজেলা বীরতারা রোড নামক রাস্তার প্রায় সাড়ে ৪ কিলোমিটার রাস্তার সংস্কার কাজের ট্রেন্ডার পায় মের্সাস মোনালিসা নামের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। গত এক মাস পূর্বে রাস্তার দুই পাশে মাটি ভরাটের কাজ শুরু করা হয়। রাস্তার নন্দনকোনা-থৈরগাঁও অংশে মাটি ভরাটের কাজে একাধিক স্থানে কলাগাছ ও গাছের ডালপালা ব্যবহার করা হয়েছে। অতি বৃষ্টিতে এখনি বিভিন্ন জায়গায় ভেঙ্গেছে এবং বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। তবে গর্তগুলো ভরাটে আবারও বালু-মাটি-কলাগাছ ও গাছের ডাল-পালা ব্যবহার করা হচ্ছে।

উপজেলা প্রকৌশলী অফিস সূত্রে জানাযায়, উপজেলার জিপসরা-তাজপুর অংশে রাস্তাটি প্রস্থে ১২ ফুট এবং তাজপুর থেকে উপজেলা পর্যন্ত ১ কিলোমিটার রাস্তা ১৮ ফুট প্রস্থ। রাস্তার দুই ধারে ৩ ফুট করে মাটি ভরাটের কথা রয়েছে। কাজের বরাদ্দ প্রায় ২ কোটি ২৬ লাখ টাকা। মের্সাস মোনালিসা ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের স্বত্তাধিকারী মোঃ বিল্লাল হোসেন রাস্তাটি পিঁচঢালাই কাজ করার লক্ষ্যে প্রস্তুত করছেন।

স্থানীয়রা জানান, মাটি ভরাটের কাজে কলাগাছের ব্যবহার এলাকায় এই প্রথম দেখলাম। অন্যদিকে ওই কলাগাছ ঢেকে দেওয়ার কাজে (গোড়বাধ) রাস্তার পাশের নিচের অংশের মাটি কেটে এনে কোনরকম ঢেকে দেয়া হয়েছে। এখন কলাগাছ পঁচে গিয়ে ওই স্থানের মাটি দেবে গেছে। রাস্তার কাজে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের অনিয়ম করার জন্য ঠিকাদারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানান এলাকাবাসী।

কোলা ইউনিয়নের হাসান রানা মাসুদ(৩৬) বলেন, রাস্তার পাশে তিন ফিট মাটি দিয়ে ভড়াটের কথা থাকলেও সেখানে ব্যবহার করছে কলাগাছ। তবে আমি ইনজিয়ার সাহেবকে বলেছিলাম মাটির প্রয়জন হলে আমাকে জানালে আমি ব্যস্থা করে দিব। কিন্ত সে আমার সাথে যোগাযোগ করেনি। রাস্তার ঠিকাদার পুনরায় কলাগাছ দিয়ে রাস্তা নির্মান করে।আমি বাদা দিলেও সে শুনেনি।

এ বিষয়ে ঠিকাদার মোঃ বিল্লাল হোসেনের কাছে জানতে তার মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করা হলে সে লাইনটি বার বার কেটে দেন।
উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ শোয়াইব বিন আজাদ বলেন, বিষয়টি জানতে পেরেছি, তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন