ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৫ অক্টোবর ২০১৯, ৩০ আশ্বিন ১৪২৬, ১৫ সফর ১৪৪১ হিজরী

আন্তর্জাতিক সংবাদ

৬১ এনজিওর চার সুপারিশ

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ২২ আগস্ট, ২০১৯, ১২:০২ এএম

মিয়ানমার সঙ্কটের অবনতিতে সতর্ক করেছে ৬১টি বেসরসারি সংগঠন বা এনজিও। তারা নিরাপদ ও স্বেচ্ছায় প্রত্যাবর্তন প্রক্রিয়ায় শরণার্থীদের জড়িত করার আহ্বান জানিয়েছে। এ বিষয়ে একটি বিবৃতি দিয়েছে সেভ দ্য চিলড্রেন। তাতে বলা হয়েছে, মিয়ানমারে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের ফেরত পাঠানোর খবরে তাদের মধ্যে আতঙ্ক ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। বলা হয়েছে, মিয়ানমারে এখন যে অবস্থা তা নিরাপত্তা ও অধিকারের নিশ্চয়তা দেয় না। এর প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ওই ৬১টি এনজিও চারটি সুপারিশ উত্থাপন করেছে। তাতে বলা হয়েছে- ১. রোহিঙ্গাদের ভবিষ্যত সম্পর্কে সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় তাদের অর্থপ‚র্ণ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। ২. মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের মানবাধিকারের প্রতি সম্মান দেখাতে হবে। ৩. রোহিঙ্গাদের শিক্ষা, জীবিকা নির্বাহ ও সুরক্ষায় সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে। ৪. মধ্যম/দীর্ঘ মেয়াদী সমাধান বের করতে হবে। সেভ দ্য চিলড্রেন ওই ৬১টি এনজিও’র পক্ষ থেকে দেয়া বিবৃতিতে বলেছে, জাতিসংঘের বিভিন্ন এজেন্সি, স্থানীয়, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ১৩০টির বেশি এনজিও বাংলাদেশ সরকারকে সহযোগিতা করেছে রোহিঙ্গাদের জীবনধারণে সহায়তায়। কিন্তু রোহিঙ্গাদের টিকে থাকার জন্য আরও অনেক মৌলিক সমর্থন প্রয়োজন। তাদের অধিকার, নিরাপত্তা ও মর্যাদা প্রয়োজন। তাদের অনেকেই দেশে ফিরে যেতে চান। কিন্তু আরও সহিংসতা ও নিষ্পেষণের ভয়ে তারা আতঙ্কিত। মিয়ানমারে অবনতিশীল পরিস্থিতি সম্পর্কে সেভ দ্য চিলড্রেন লিখেছে, মিয়ানমারে রয়েছে বৈষম্যমুলক নীতি। এর অর্থ হলো, রাখাইনে বসবাসকারী রোহিঙ্গা সম্প্রদায় চলাচলে অব্যাহতভাবে কঠিন বিধিনিষেধের মুখে থাকবে, তাদের শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবার অধিকার ও জীবন ধারণের অধিকার থাকবে সীমিত। প্রায় এক লাখ ২৮ হাজার বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা ও অন্যান্য মুসলিম স¤প্রদায় এখনও মধ্য রাখাইনে বন্দিশিবিরে আটক আছেন সেই ২০১২ সাল থেকে। তারা বাড়ি ফিরতে পারছেন না। কক্সবাজারে রোহিঙ্গা বন্দিশিবির সম্পর্কে সেভ দ্য চিলড্রেন লিখেছে, গত দুই বছর ধরে রোহিঙ্গা শরণার্থীরা কক্সবাজারে শরণার্থী শিবিরে বেঁচে আছেন মানবিক সাহায্যের ওপর নির্ভর করে। বাংলাদেশ সরকারের নেতৃত্বের অধীনে মানবাধিকার বিষয়ক স¤প্রদায়ের সমন্বিত উদ্যোগে এই আশ্রয়শিবিরের অবস্থা উন্নত হয়েছে, বর্ষা মৌসুমের জন্য প্রস্তুতি দৃঢ় করা হয়েছে, রোগ ছড়িয়ে পড়া রোধে সহায়তা করা হয়েছে। তা সত্তে¡ও এ আশ্রয়শিবিরের অবস্থা এখনও করুণ। সেখানে নিরাপত্তা নিয়ে ক্রমবর্ধমান উদ্বেগ রয়েছে। বিবিসি, রয়টার্স।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন