ঢাকা, শনিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৬ আশ্বিন ১৪২৬, ২১ মুহাররম ১৪৪১ হিজরী

ব্যবসা বাণিজ্য

ব্ল্যাকলিস্টেড ঠিকাদারদের কাজ দেবেন না

পিপিএসসির সভায় পরিকল্পনামন্ত্রী

অর্থনৈতিক রিপোর্টার : | প্রকাশের সময় : ২৩ আগস্ট, ২০১৯, ১২:০১ এএম

সরকারি কোনো সংস্থা থেকে ব্ল্যাকলিস্টেড বা কালো তালিকাভুক্ত কোনো ঠিকাদার যেন অন্য কোনো সংস্থার কাজ না পায়, তা নিশ্চিত করার নির্দেশনা দিয়েছেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। তিনি বলেছেন, ব্ল্যাকলিস্টেড ঠিকাদাররা যেন অন্য কোনো সংস্থার কাজ না পায়, সেজন্য ব্যবস্থা নিতে হবে। এদের খুঁজে বের করতে হবে এবং দ্রুত একটি সার্কুলার জারি করতে হবে। এক্ষেত্রে সেন্ট্রাল প্রকিউরমেন্ট টেকনিক্যাল ইউনিট (সিপিটিইউ) দ্রুত একটি সার্কুলার জারি করবে। পাবলিক-প্রাইভেট স্টেকহোল্ডার কমিটির (পিপিএসসি) ১৩তম সভায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন। গতকাল রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের (এনইসি) সম্মেল কক্ষে এ সভার আয়োজন করে সিপিটিইউ’র পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অব গভর্ন্যান্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (বিআইজিডি)।


সভায় পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, অনেক ঠিকাদার আছে যারা কোনো একটি সংস্থা থেকে ব্ল্যাকলিস্টেড হয়েছে। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতর (এলজিইডি), বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি), পানি উন্নয়ন বোর্ডসহ সরকারি অন্য সংস্থাগুলো হয়তো এদের নাম জানে না। তাই এসব ঠিকাদারের তালিকা করে তা অভ্যন্তরীণভাবে প্রচার করতে হবে। এসব ঠিকাদারদের কাজে রাখার কোনো মানে হয় না।
পরিকল্পনামন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় জানানো হয়, সরকারি ক্রয় কার্যক্রমে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও গুণগত মান নিশ্চিত করতে নাগরিক সম্পৃক্ততা বাড়ানোর উদ্যোগ হিসেবে পিপিএসসি গঠন করা হয়েছে।
এম এ মান্নান বলেন, এবার প্রথম মাসেই বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) ভালো বাস্তবায়ন হয়েছে। আমরা পিডিদের (প্রকল্প পরিচালক) টাকা সরাসরি দিয়ে দিয়েছি। এবার শুরুতেই আমরা ছক্কা মেরেছি। প্রকল্প দুই বারের বেশি সংশোধন করা যাবে না। তিন বার সংশোধনের জন্য আনলে আমি অনুমোদন দেবো না, তা প্রধানমন্ত্রীর সামনে উপস্থাপন করা হবে। মূল প্রবন্ধে বিআইজিডির ফেলো মির্জা হাসান জানান, সরকারি কাজে নাগরিকদের অংশগ্রহণের বিষয়টি প্রথম পর্যায়ে পাইলট আকারে শুরু করা হয়েছিল। এখন ৪৮টি উপজেলায় বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে সব উপজেলাতেই তা স¤প্রসারণ করা হবে। আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মোহাম্মদ শহিদুল হক বলেন, এখন প্রকল্প শেষে অডিট করা হয়। তখন আর কাউকে খুঁজে পাওয়া যায় না। তাই প্রকল্প চলাকালীনই অডিট করা প্রয়োজন।


আইএমইডির সচিব আবুল মনসুর মো. ফয়েজউল্লাহ বলেন, এডিপি বাস্তবায়নের অন্যতম প্রতিবন্ধকতা যথাসময়ে প্রকল্পের কাজ শেষ না হওয়া। ৭০ থেকে ৭৫ শতাংশ প্রকল্পই নির্ধারিত সময়ে শেষ হয় না। সভায় আরও বক্তব্য রাখেন পরিকল্পনা সচিব মো. নূরুল আমিন, সিপিটিইউ’র মহাপরিচালক মো. আলী নূর, বিশ্বব্যাংকের লিড প্রকিউরমেন্ট স্পেশালিস্ট জাফরুল ইসলাম এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন