ঢাকা, শনিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৬ আশ্বিন ১৪২৬, ২১ মুহাররম ১৪৪১ হিজরী

সারা বাংলার খবর

জামালপুরের ডিসির নারী কেলেঙ্কারি : ঘটনার তদন্তে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ২৪ আগস্ট, ২০১৯, ১২:০০ এএম

একের পর এক নারী কেলেঙ্কারির অভিযোগ উঠেছে জামালপুরের জেলা প্রশাসক আহমেদ কবীরের বিরুদ্ধে। স¤প্রতি অফিসের এক নারী সহর্কমীর সাথে আপত্তিকর অবস্থায় তার একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। এ ঘটনায় প্রশাসনের মধ্যে তোলপাড় শুরু হয়েছে। এদিকে জামালুপরের ডিসির এই নারী কেলেঙ্কারির ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। এ বিষয়ে মান্ত্রপরিষদ বিভাগ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম ইনকিলাবকে বলেন, বিষয়টি তদন্তাধীন। তদন্ত শেষ করার আগে কিছু বলা যাবে না।

এ বিষয়ে জামালপুরের জেলা প্রশাসক আহমেদ কবীর ইনকিলাবকে আমি শুক্রবার দুপুরে সার্কিট হাউসে সংবাদ সম্মেলন করেছি। সেখানে বলেছি ‘আমি মানসিকভাবে খুবই বিপর্যস্ত অবস্থায় আছি। আপনারা আমাকে একটু সময় দেবেন। প্রকৃত ঘটনা জানতে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আপনারা ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।

তবে ভিডিওটিতে দেখানো কক্ষটি তার অফিসের বিশ্রাম নেয়ার কক্ষ এবং ভিডিওর ওই নারী তার কার্যালয়ে অফিস সহায়ক হিসেবে কর্মরত বলে জেলা প্রশাসক নিশ্চিত করেন। এ সময় জেলা প্রশাসক সাংবাদিকদের এ বিষয়ে সংবাদ পরিবেশন না করার জন্য অনুরোধ করেন। ভিডিওটির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটি একটি সাজানো ভিডিও। একটি হ্যাকার গ্রæপ দীর্ঘদিন ধরে নানাভাবে ভয়ভীতি দেখিয়ে আমাকে বø্যাকমেইল করার চেষ্টা করছিল। আমি বিষয়টি গুরুত্ব দেইনি।

৪ মিনিট ৫৮ সেকেন্ডের ভিডিওটিতে দেখা যায়, জামালপুর জেলা প্রশাসক আহমেদ কবীর তার অফিসের গোপনীয় কক্ষের বেডরুমে সানজিদা ইয়াসমিন সাধনা নামে এক নারী কর্মচারীকে জড়িয়ে ধরে চুমু খেতে খেতে ওই কক্ষের ইলেট্রিক লাইটের সুইচ অফ করছেন। এছাড়া ওই নারীর সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায়ও দেখা যায় তাকে। ফুটেজে দেখা গেছে সিএ এম-২ ক্যামেরায় এটি ধারণ করা হয়েছে। উল্লেখ্য জেলা প্রশাসকের নারী কেলেঙ্কারি নিয়ে র্দীঘদিন ধরে জামালপুরের নানা মহলে গুঞ্জন, কানাঘুষা চলছিল। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের কর্মকর্তা জানান, বৃহস্পতিবার রাত ১২টায় ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর নিজেকে বাঁচাতে তার সাথে ঘনিষ্ঠ সর্ম্পকিত ঊর্ধ্বতন কর্মকতাসহ এক সাংবাদিক নেতা নিয়ে রাতভর মিটিং করেন। ভোর ৬টায় মিটিং শেষে উপস্থিতরা জেলা প্রশাসকের বাসভবন থেকে বেরিয়ে যান।

 

 

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (8)
Nirob Prodhan ২৪ আগস্ট, ২০১৯, ১:২১ এএম says : 0
ঘটনা বাজে ভাবে নিবেন না, মহিলার দুর্দশার কথা শুনে তাকে জড়িয়ে ধরে শান্তনা দেয়া দোষের কিছু নয়! ইনি একজন মহান ডিসি।
Total Reply(0)
Nazmul Haque ২৪ আগস্ট, ২০১৯, ১:২২ এএম says : 0
সরল মনে করেছে, এটা কোন অপরাধ নয়,,
Total Reply(0)
Aiyub Rahman ২৪ আগস্ট, ২০১৯, ১:২২ এএম says : 0
অযোগ্য লোক ডিসি হলে এই অবস্থাই হয়! ওনাকে ক্ষমা করা হোক। অতি চেতনায় এমনিতেই ওনারা গরম থাকে! তাছাড়া দেশে এখন চেতনা বিহীন যোগ্য লোকের অনেক অভাব !
Total Reply(0)
সাউদা হুরাইরা ২৪ আগস্ট, ২০১৯, ১:২২ এএম says : 0
ঈদের অনেকদিন ছুটির পরে কলিগের সাথে একটু কোলাকুলি করতেই পারে এতে দোষের কিছু নেই
Total Reply(0)
Yousuf Chowdhury ২৪ আগস্ট, ২০১৯, ১:২৩ এএম says : 0
এগুলো সব মিথ্যা বানোয়াট সাজনো নাটক মানুষকে হেয় প্রতি পুর্ন করার জন্য । জেলা প্রশাসকের অধিনস্ত কাছের লোক দুশমনি করতেছে । মনেহয় নিয়োগ সংক্রান্ত ব্যাপারে দ্বিমত হয়েছে সেজন্য কাছের লোক তাকে অসন্মানিত করার জন্য এগুলি করতেছে । আমাদের কাজ শুধুই কি পরের সমালোচনা করা ?
Total Reply(0)
Shobuj Hossan ২৪ আগস্ট, ২০১৯, ১:২৩ এএম says : 0
সে প্রেম করতেই পারে। সেতো আর জোর করে কিছু করিনি মহিলাটায় রাজি ছিল।।
Total Reply(0)
তানিয়া ২৪ আগস্ট, ২০১৯, ৮:৩০ এএম says : 0
বিষয়টির যথাযথ তদন্ত হওয়া দরকার।
Total Reply(0)
Nannu chowhan ২৪ আগস্ট, ২০১৯, ৯:৪০ এএম says : 0
Bangladeshtake montri mp hote aromvo kore proshashoner shakhai proshakhai dolio vittite ojoggo choritro hin bektider niog dia desher proshashonke tolanite paosaiase....
Total Reply(0)

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন