ঢাকা, শনিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৬ আশ্বিন ১৪২৬, ২১ মুহাররম ১৪৪১ হিজরী

জাতীয় সংবাদ

১৫ আগস্ট আমেরিকান দূতাবাস সারারাত খোলা ছিল

জাতীয় শোক দিবসের আলোচনা সভায় মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ২৪ আগস্ট, ২০১৯, ১২:০০ এএম

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেছেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট পাকিস্তানি দূতাবাস ও আমেরিকান দূতাবাস সারারাত খোলা ছিল। বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের বিচার হয়েছে। এখন এই হত্যার হুকুমদাতাদেরও বিচার হবে।

গতকাল জাতীয় প্রেসক্লাবে মুক্তিযোদ্ধা ফাউন্ডেশন আয়োজিত ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধুকে যারা গুলি করে হত্যা করেছে, আমরা তাদের বিচার করেছি। কিন্তু যারা হুকুম দিয়ে হত্যা করিয়েছে তাদের বিচার হয়নি। উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, বিমানবন্দরে মাঝে মাঝে সোনা চোরাচালান ধরা পড়ে। সেখানে কারা ধরা পড়ে? দুবাই থেকে ঢাকায় যাদের নামে সোনা পাঠানো হয়, তারা কি কোনোদিন ধরা পড়ছে? ধরা পড়ে নাই। যারা বঙ্গবন্ধুকে হত্যার হুকুম দিয়েছে তাদের বিচার হয়নি।
তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধুর খুনি। খুনি না হলে আত্মস্বীকৃত খুনিদের বিদেশে পাঠিয়ে বড় বড় পদে পদায়ন করতেন না। বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের যাতে বিচার না হয়, এর জন্য ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করে বিচারের রাস্তা বন্ধ করেছিলেন। খুনি বলেই জিয়ার মন্ত্রিসভায় শাহ আজিজসহ যারা একাত্তরে পাকিস্তানের পক্ষে ছিল, তাদেরকে নিয়েই মন্ত্রিসভা গঠন করেছিলেন।

মন্ত্রী জানান, চলতি বছরে ১৬ ডিসেম্বরের আগে মুক্তিযোদ্ধাদের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে এবং তাদের আইডি কার্ড দেয়া হবে। আইডি কার্ডে লেখা থাকবে মুক্তিযোদ্ধারা কী কী সুবিধা পাবেন।

বিসিএস পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে প্রশ্ন থাকবে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, বিসিএস পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে ১০০ নম্বরের প্রশ্ন থাকবে। যেসব স্থানে আমরা হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছি, সেসব স্থানে স্মৃতিফলক তৈরি করা হবে। যেসব জায়গায় বদ্ধভূমি আছে, সেসব জায়গায় অন্য নকশায় স্মৃতিফলক হবে। ঢাকা শহর থেকে শুরু করে দেশের প্রত্যেকটি সড়কের নামকরণ করা হবে মুক্তিযোদ্ধাদের নামে। এছাড়া, আর্থিকভাবে অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাদের বাড়িঘর তৈরি করার জন্য প্রত্যেকের নামে ১৫ লাখ টাকা করে সরকারিভাবে অনুমোদন দেয়া হবে। এরইমধ্যে তা মন্ত্রণালয় থেকে পাস হয়ে গেছে। মুক্তিযোদ্ধা ফাউন্ডেশনের সভাপতি গাজী মো. দেলোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ডা. মোস্তফা জালাল উদ্দিন, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জিএম কামরুল ইসলাম, মুক্তিযোদ্ধা ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম বাবলু প্রমুখ।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (1)
আসলাম ২৪ আগস্ট, ২০১৯, ৮:৪৫ এএম says : 0
পুরনো ইতিহাস বলে আর কি লাভ ?
Total Reply(0)

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন