ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২০, ২৯ শ্রাবণ ১৪২৭, ২২ যিলহজ ১৪৪১ হিজরী

জাতীয় সংবাদ

ভারতের সহায়তায় ১২ জেলায় হাইটেক পার্ক স্থাপন করা হবে

যশোরে তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক কর্মশালায় প্রতিমন্ত্রী পলক

বিশেষ সংবাদদাতা, যশোর ব্যুরো : | প্রকাশের সময় : ২৯ আগস্ট, ২০১৯, ১২:০১ এএম

বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে যশোরের শেখ হাসিনা সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কে গতকাল বুধবার ‘তথ্য প্রযুক্তি এবং উদ্ভাবন বিষয়ে ভারত-বাংলাদেশ সহযোগিতা ও সম্ভাবনা’ শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। সফটওয়্যার পার্কে বিনিয়োগকারী আইটি/আইটিইএস কোম্পানিসমূহের উৎপাদিত উদ্ভাবনী সেবাসমূহ ব্র্যান্ডিং এবং এক্ষেত্রে ভারত-বাংলাদেশ সহযোগিতার ক্ষেত্রসমূহ চিহ্নিত করার লক্ষ্য নিয়ে এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়।

কর্মশালার প্রধান আলোচক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক এমপি বলেন, ভারতের প্রযুক্তি ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশও অনেক সমৃদ্ধ হতে পারে। বর্তমানে ভারতের আর্থিক সহায়তায় দেশের ১২টি জেলায় হাই-টেক পার্ক স্থাপন হচ্ছে। আলোচনায় অংশগ্রহন করেন ভারতীয় হাই কমিশনার শ্রীমতি রীভা গাঙ্গুলী দাস, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর মো. আনোয়ার হোসেন পিএইচডি এবং ফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজ এর রিসোর্স পারসন সৌম্য বসু।

শ্রীমতি রীভা গাঙ্গুলী দাস তার বক্তব্যে সফটওয়্যার শিল্পে বাংলাদেশের দ্রæত অগ্রগতির প্রশংসা করেন এবং এ শিল্পে বাংলাদেশ-ভারত আগামীতে যৌথভাবে কাজ করতে পারবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
পরে ‘বাংলাদেশে স্টার্ট-আপ কালচার’: সমস্যা, সম্ভাবনা এবং চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক প্যানেল আলোচনায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন যুক্তরাষ্ট্রের সিলিকন ভ্যালির তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ মিজ টিনা জাবিন। যশোর জেলা প্রশাসক জনাব মোহাম্মদ শফিউল আরিফের সভাপতিত্বে বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক (সচিব) জনাব হোসনে আরা বেগম এনডিসি আইটি/হাই-টেক শিল্পের বিকাশে বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের গৃহীত বিভিন্ন কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা করেন।

দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে আইসিটি শিল্পের সুষম বিকাশ ও উন্নয়ন সাধন করার উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে এই প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছিলো। এই পার্কে আধুনিক সকল সুযোগ-সুবিধাসহ ১৫ তলা মাল্টি-টেন্যান্ট বিল্ডিং; আন্তর্জাতিক থ্রি-স্টার মানের আবাসন ও জিমনেসিয়ামের সুবিধাসহ ১২ তলা ডরমিটরি বিল্ডিং; একটি ক্যান্টিন ও এ্যাম্ফিথিয়েটার; ৩৩ কেভিএ পাওয়ার সাব-স্টেশন; ফাইবার অপটিক ইন্টারনেট লাইন এবং অন্যান্য ইউটিলিটি সার্ভিস দেওয়া হচ্ছে। ২০১৭ সালের ১০ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এই সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কের উদ্বোধন করেন।

 

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন