ঢাকা, বুধবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৩ আশ্বিন ১৪২৬, ১৮ মুহাররম ১৪৪১ হিজরী।

মহানগর

মধুতে ছাত্রলীগের মারামারি, সাংবাদিকের মোবাইল ভাংচুর

বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ১০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ৪:৪২ পিএম | আপডেট : ৪:৪৬ পিএম, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভনের প্রটোকল দেওয়াকে কেন্দ্র করে কেন্দ্রীয় নেতাদের সংঘর্ষের ঘটনায় দায়িত্ব পালনকালে এক সাংবাদিকের মোবাইল চিনিয়ে নেয়ার ঘটনা ঘটেছে।

আজ মঙ্গলবার দুপুর ১টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) মধুর ক্যান্টিনে এই ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, সোমবার রেজোয়ানুল হক শোভন মধুর ক্যান্টিনে আসেন। পরে যাওয়ার সময় তাঁর সাথে গাড়িতে ওঠে ছাত্রলীগের অন্য দুই সিনিয়র নেতা জহির এবং আল নাহিয়ান খান জয়সহ আরও কয়েকজন। এদিকে গাড়িতে না উঠতে পেরে ঝামেলা করা শুরু করে বিদ্যুত। ফলে একপর্যায়ে শোভন অন্যদেরও গাড়ি থেকে নামিয়ে দেন। এটাকে কেন্দ্র করে জহির এবং বিদ্যুতের মধ্যে হাতাহাতি হয়। একপর্যায়ে দুজন দুজনকে বাঁশ দিয়ে আঘাত করতে তেড়ে যান।

এসময় ঘটনাস্থলে দায়িত্ব পালনরত ইনকিলাবের রিপোর্টারের হাত থেকে মোবাইল কেড়ে নেয় আরেক কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়। এসময় এ রিপোর্টারকে জোর করে শোভনের গাড়ীতে উঠিয়ে নিয়ে যায়।

ভুক্তোভূগী রিপোর্টার ইমন সাংবাদিকদের জানান, মধুর ক্যান্টিনের বাইরে পাব্লিক প্লেসে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এসময় সেখানে পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গেলে আমার মোবাইল কেড়ে নেয়া হয়। ছাত্রলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন আমাকে জোর করে গাড়ীতে উঠায়। পরে অনুরোধ করলে হাতিরপুল বাজারের কাছে আমাকে গাড়ি থেকে নামতে দেয়া হয়।

অভিযোগের বিষয়ে ছাত্রলীগ সভাপতি শোভন বলেন, ঘটনাস্থালে তাকে কেউ চিনেনা। তাকে কেউ যদি মারধর করে সেজন্য তাকে আমার গাড়িতে উঠিয়ে নেওয়া হয়। কিন্তু তাকে জোর করা হয়নি। তার মোবাইল থেকে ভিডিও ডিলিট করার বিষয়টি জানিনা।

অভিযুক্ত সহ-সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় বলেন, আমি তাকে গাড়িতে উঠাই নাই। তবে তাকে যে গাড়িতে উঠানো হয়েছে তা শোভন ভাই জানেন।

মোবাইল ছিনিয়ে নিয়ে ভিডিও ডিলেট করার বিষয়ে তিনি বলেন, আমি ডিলিট করিনি।

 

 

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন