ঢাকা, সোমবার, ১৪ অক্টোবর ২০১৯, ২৯ আশ্বিন ১৪২৬, ১৪ সফর ১৪৪১ হিজরী

আন্তর্জাতিক সংবাদ

কাশ্মীরে গুম যৌন নির্যাতন ধর্ষণ গণগ্রেফতার চলছে

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হামলায় আহত অনেকের মৃত্যু

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ১২:০১ এএম

কাশ্মীর পরিস্থিতিতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে মার্কিন প্রশাসনে চিঠি লিখেছেন যুক্তরাষ্ট্রের সাতজন আইন প্রণেতা। এর মধ্যে রয়েছেন কংগ্রেসম্যান ও সিনেটর। চিঠিতে তারা বলেছেন, কাশ্মীরে ভয়াবহ সব ঘটনার অভিযোগ সংক্রান্ত রিপোর্ট পাচ্ছি আমরা। এর মধ্যে রয়েছে জোরপূর্বক গুম, গণগ্রেফতার, ধর্ষণ, যৌন নির্যাতন, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক পর্যায়ের নেতাদের টার্গেট করে আটক রাখা। পাকিস্তানের অনলাইন ডন এ খবর দিয়ে বলছে, এক সপ্তাহেরও কম সময়ের মধ্যে মার্কিন প্রশাসনকে লেখা কংগ্রেসম্যান ও সিনেটরদের তৃতীয় চিঠি এটি। এ চিঠিতে ভারত দখলীকৃত জম্মু-কাশ্মীরের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগের বিষয়টি জোরালোভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। বলা হয়েছে, এ উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে। শুরু হতে পারে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধ।

একটি চিঠিতে চারজন সিনেটর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে কাশ্মীর সঙ্কটসহ ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বিরোধ নিষ্পত্তিতে গঠনমূলক ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন। এমন আহ্বানে দক্ষিণ এশিয়ার পারমাণবিক এই দুটি দেশের মধ্যে মধ্যস্থতার প্রয়োজন হতে পারে। ওদিকে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেওকে চিঠি লিখেছেন কংগ্রেসওম্যান জয়াপাল এবং কংগ্রেসম্যান জেমস পি ম্যাগভার্ন। এতে তারা জম্মু-কাশ্মীরে মানবাধিকার লঙ্ঘনের রিপোর্ট তদন্তের জন্য অবিলম্বে আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম ও নিরপেক্ষ মানবাধিকার বিষয়ক পর্যবেক্ষকদের প্রবেশের অনুমতি দেয়ার দাবি জানান।

এ সপ্তাহে কাশ্মীর পরিস্থিতি, বিশেষ করে সেখানকার মানবাধিকার নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন যুক্তরাষ্ট্রের কয়েক ডজন আইনপ্রণেতা। কেউ কেউ সতর্ক করেন যে, এই বিরোধ নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে। আর তা থেকে দক্ষিণ এশিয়ার পারমাণবিক শক্তিধর ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে আরেকটি যুদ্ধ শুরু হয়ে যেতে পারে। এখানে উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসে যখন গ্রীষ্মকালীন অবকাশ চলছে, তখনই কাশ্মীরের স্বায়ত্তশাসন বাতিল করে ভারত। সেখানে অনির্দিষ্টকালের কারফিউ জারি করে। কেড়ে নেয়া হয় জনগণের মৌলিক অধিকার। এমন অবস্থায় বেশ কিছু আইণপ্রণেতা নিন্দা জানিয়েছেন। কিছু আইন প্রণেতা উত্তেজনা প্রশমিত করতে নিজের প্রভাবকে ব্যবহার করতে আহ্বান জানিয়েছেন ট্রাম্প প্রশাসনের প্রতি।

নিন্দার এই ঝড় ক্রমশ বাড়তে থাকে এই সপ্তাহে, যখন শরতকালীন অধিবেশনের জন্য ওয়াশিংটনে ফিরতে শুরু করেছেন আইন প্রণেতারা। এ মাসের শেষের দিকে কাশ্মীর ইস্যুতে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র বিষয়ক কংগ্রেশনাল প্যানেলে। অন্যদিকে কয়েক ডজন আইন প্রণেতা বিষয়টিকে সামনে নিয়ে এসেছেন। অন্যসব প্যানেলেও একই রকম শুনানি হতে পারে। তবে যখন নতুন অধিবেশন শুরু হবে তখন পররাষ্ট্র বিষয়ক প্যানেলে সাধারণ বিতর্ক হতে পারে কাশ্মীর ইস্যুতে। এখন পর্যন্ত দেয়া বিবৃতিগুলোতে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট তুলে ধরা হয়েছে। তা হলো- ১. কাশ্মীরে মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে কঠোর নিন্দা জানাতে হবে। ২. ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে আরেকটি যুদ্ধ এড়াতে হবে এবং ৩. উত্তেজনা প্রশমনে যুক্তরাষ্ট্রকে অধিক সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে।

রিপাবলিকান ও ডেমোক্রেট দলের আইন প্রণেতারা আরো একটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট তুলে ধরেছেন। তা হলো, পরিস্থিতির যাতে সুযোগ নিতে না পারে জঙ্গিরা তা নিশ্চিত করতে হবে পাকিস্তানকে। সা¤প্রতিক ক‚টনৈতিক তৎপরতার মধ্যে কংগ্রেসনাল একজন কর্মকর্তা বলেছেন, ভারতের কর্মকান্ডে কাশ্মীরের প্রতি ক্যাপিটল হিলে যথেষ্ট সহানুভ‚তি সৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু এই সহানুভ‚তি নষ্ট হয়ে যেতে পারে, যদি এর ভিতর যুক্ত হয়ে পড়ে জঙ্গিরা। ওদিকে, বিরোধ মীমাংসায় যুক্তরাষ্ট্র বা তৃতীয় কোনো দেশের মধ্যস্থতার বিরোধী ভারত। কিন্তু মনে হচ্ছে ওয়াশিংটন অনেকটাই বুঝতে পেরেছে যে, কাশ্মীরের মতো বিরোধ বাইরের সহায়তা ছাড়া সমাধান সম্ভব নয়।

এরই মধ্যে চারজন সিনেটর চিঠিতে লিখেছেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রতি আমরা আহ্বান জানাচ্ছি টেলিযোগাযোগ ও ইন্টারনেট সেবা পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করতে। প্রত্যাহার করতে হবে অচলাবস্থা ও কারফিউ। মুক্তি দিতে হবে কাশ্মীরের বন্দিদের। অন্যদিকে সিনেটর বব ক্যাসি বলেছেন, কয়েক দশকের মধ্যে জম্মু ও কাশ্মীরের মর্যাদা পরিবর্তন করে ভারত ভয়াবহ এক অবস্থান নিয়েছে। এ নীতির কারণে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পাবে। জম্মু ও কাশ্মীরের নিরাপত্তা নিয়ে তিনি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। অন্যদিকে ভারতের কর্মকান্ডকে অগ্রহণযোগ্য বলে মন্তব্য করেছেন কংগ্রেসওম্যান রাশিদা তৈয়বা। তিনি বলেছেন, এর মধ্য দিয়ে লাখ লাখ মানুষকে বিপদের মুখে ঠেলে দেয়া হয়েছে। এতে ভারত ও কাশ্মীরের গণতন্ত্রের ভয়াবহ ক্ষতি করা হয়েছে। তাই অন্যায়ভাবে আটক, ধর্ষণ ও নির্যাতনের ভয়ে ভীত হওয়া উচিত নয় সেখানকার মানুষের। কাশ্মীরে যোগাযোগ ব্যবস্থা পুনঃস্থাপন, মানবাধিকারের প্রতি সম্মান প্রদর্শন, গণতান্ত্রিক আদর্শকে সমুন্নত রাখতে, ধর্মীয় স্বাধীনতা ও কাশ্মীরের উত্তেজনা প্রশমনের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের আইন প্রণেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন কংগ্রেসওম্যান ইলহান ওমর।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হামলায় কাশ্মীরে আহত অনেকের মৃত্যু এদিকে গত ৫ আগস্ট থেকে কারফিউ জারি করে কাশ্মীরিদের ওপর চালানো ভারতীয় বাহিনীর দমন-পীড়নের ঘটনা একে একে বের হয়ে আসছে। সেই সময় সেনাবাহিনী ও পুলিশের হামলায় গুরুতর আহত অনেকেই হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। এদের অনেকেই এখন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যাচ্ছেন।

অবস্থাদৃষ্টে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ভারতীয় বাহিনী পরিকল্পিতভাবেই কাশ্মীরে দমন-পীড়ন চালিয়েছে। যাতে ঘটনাস্থলে কেউ মারা না যায় - এদিকে তারা বেশ সজাগ ছিল। ভারতীয় বাহিনীর বর্বরতায় স¤প্রতি ১৭ বছরের মেধাবী ছাত্র আসরার আহমেদ খানের মৃত্যুতে কাশ্মীরের শ্রীনগরে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। গত ৬ আগস্ট আসরার তার বাড়ির সামনের রাস্তায় বন্ধুদের সঙ্গে ক্রিকেট খেলছিল। এ সময় কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই সেনাবাহিনীর টহল দল তাদের ওপর ছররা গুলি ও কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে। কাঁদানে গ্যাসের ছোট সিলিন্ডারটি আসরারের মাথার ওপর বিস্ফোরিত হয়। তখন থেকেই সহপাঠীদের সঙ্গে হাসপাতালে ভর্তি ছিল মেধাবী ওই ছাত্র। এক মাস মৃত্যুর সঙ্গে লড়ে স¤প্রতি মারা যায় সে। তার বাবা ফেরদৌস আহমেদ খান জানান, তার নিরপরাধ ছেলেকে ভারতীয় বাহিনী বিনাকারণে গুলি করে হত্যা করেছে। সাংবাদিকদের তিনি হাসপাতালের রিপোর্ট দেখিয়ে বলেন, আসরারের ডেথ রিপোর্টে স্পষ্ট লেখা আছে, ছররা গুলি ও টিয়ারগ্যাসের শেলের আঘাতে তার মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু কাশ্মীরের ঊর্ধ্বতন সেনা কর্মকর্তা লে. জে. কেজেএস ধিলন বলেন, পাথরের আঘাতে আসরারের মৃত্যু হয়েছে। ভারতীয় বাহিনীকে লক্ষ্য করে কাশ্মীরিদের নিক্ষেপ করা পাথরই তার মাথায় আঘাত লেগেছে।

শুধু তাই নয়, ভারতের সরকার দাবি করছে- কাশ্মীরে কারফিউ জারির পর দেশটির আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে কেউ মারা যানি। এ ছাড়া গত ২৯ আগস্ট শ্রীনগরে গোলাম মোহাম্মদ নামে এক দোকানদারকে মোটরসাইকেলে করে এসে তিন বন্দুকধারী গুলি করে হত্যা করে। এ সময় দোকানে তার স্ত্রীও বসেছিল। এসব ঘটনা এতদিন যোগাযোগব্যবস্থা বন্ধ থাকায় প্রকাশ পায়নি। এখন একে একে প্রকাশ পাচ্ছে। এ কারণে কাশ্মীর উপত্যকায় নতুন করে ছড়িয়ে পড়ছে উত্তেজনা।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (10)
Rumi Chy ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ১:৫৬ এএম says : 0
উগান্ডা জাতির কাছে ভালো কিছু আশা
Total Reply(0)
Rubel ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ১:৫৬ এএম says : 0
আল্লাহ তুমি রক্ষা করো
Total Reply(0)
Md Asadullah ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ১:৫৮ এএম says : 0
কাশ্মীর স্বাধীন হবেই ইনশাল্লাহ ,আল্লাহর জমিনে জালিমদের রাজত্ব ক্ষনিকের ,মহান আল্লাহ পাক আমাদেরকে শহীদ হওয়ার সুযোগ এভাবেই দান করেন যারা ঈমানদার তারা এটাকে আখেরাতের পুরুষ্কার লাভের উত্তম সময় হিসাবে কাজে লাগিয়ে পুরুস্কার হিসাবে শহীদের মর্যাদা লাভ করবে ,এমনিতেই মানুষ তো আর পৃথিবীতে চিরকাল বেঁচে থাকেনা ,তাই জীবন থাকতে যত নেক আমল করা যায় তত ভালো ,আল্লাহ কাশ্মীরের সকল শহীদদের জিহাদে জয় যুক্ত করুন ,আর যাদের অবদানে আজ ফিলিস্তিন ,তাজাকিস্তান ,তুর্কিমিনিস্তান সহ পৃথিবীর বহু দেশ স্বাধীন হয়েছে সেসব দেশ থেকে স্বাধীনতা বিরোধিতা কারীদের ঘাড় ধরে তাড়িয়ে দিতে হবে
Total Reply(1)
anisul ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ১০:০২ এএম says : 1
সাথে বালুচিস্তান, pak occupied kashmir, আর পাখতুন স্বাধীন হবে ... পাকিস্তান টুকরো টুকরো হবে
Mustafizur Rahman ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ১:৫৮ এএম says : 0
হে আমার রব,, হে সু-বিশাল আরশের মালিক,, এই পৃথীবিতে আপনার বেহেশতী নেয়ামতে ঘেরা কাশ্মীরকে আপনি রক্ষা করুন-- কাশ্মীর ও জম্মুকে পৃথক করার স্বরযন্ত্র আপনি ব্যর্থ করে দিন। ভারতের যালেমদের আপনি পরাস্থ করুন। মুশরেকদের আপনি লাঞ্চিত করুন,তাদের চেহারা লাল রক্তবর্ণ করে দিন। কাশ্মীরের মুসলমানদের আপনি হেফাযত করুন। সেখানকার মা বোনদের হেফাযত করুন। সেখানকার মুজাহীদদের উপর আপনার রহমের ছায়া দিন,গায়েব থেকে সাহায্য করুন।
Total Reply(0)
Mohammad Shamim ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ১:৫৯ এএম says : 0
এক হও সমস্ত মুসলিম জাতি আজ কাশ্মীরের জমিনে আমাদের মুসলিম ভাইদের উপর অতোচার চলে আমরা আজ দারি দারি দেখি আজ আমাদের সমাজের আলেমরা জগরা করার কারনে এক আলেম আরেক আলেমের গিবদ করার নে আজ বি ধর্মিরা আমাদের মুসলিম দের উপর হাত তোলার সাহস পেয়েছে
Total Reply(0)
Md Asif ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ১:৫৯ এএম says : 0
আল্ললাহর কাছে আর একজন উওমর চাই যেনো যতো কাফের মশিকদের ধংসকরে ইসলামের বিজয় আসে,শান্তুি ফিরে আসে আমিন
Total Reply(0)
SH Shamim Bin Chahel ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ১:৫৯ এএম says : 0
ভারত নিজের মৃত্যু নিজে ডাকতেছে!! পাকিস্তান, তুরস্ক, ইরান, মালোশিয়া, চীনের টার্গেটে পরিণত হয়েছে!! ভারতের অস্তিত্ব বিলুপ্ত হবেই ইনশাআল্লাহ!!!
Total Reply(0)
Ruposhi Bangla ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ২:০০ এএম says : 0
দক্ষিন পু'ব এশিয়াকে অস্তিস্থিশীল হওয়ার মুলে হল ভারত, এই মু'তিপুজকদের কারনে নেপাল, শ্রীলংকা, ভুটান ও বাংলাদেশের মানুষও অশান্তিতে আছে এই ভারতের কারনে। আমরা মুসলিমরা চাই৷ ভারত কে একেবারে ধংস করে দেওয়া হউক।
Total Reply(0)
Tajul Hoq ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ২:০০ এএম says : 0
আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আপনার কাছে ফরিয়াদ করছি মোদির মতো মানুষকে তুমি দুনিয়া থেকে চিরতরে নিয়ে নেব আর তার অনুসারী যত মানুষ আছে তাদেরকে তুমি হেদায়েত দাও আর মুসলমানকে তুমি বিজয় লাভ করে দাও আমিন
Total Reply(0)
anisul ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ১০:০৫ এএম says : 2
comments গুলো পড়ছি আর হাসছি ........... ওরে শকুনের অভিসাপ এ গরু মরে না ........... হিংসে না করে নিজেদের উন্নতি কর!!!!!!!!!!
Total Reply(1)
kuli ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ৭:২১ পিএম says : 0
ওরে হিন্দু আনিস চুপ কর।

এ সংক্রান্ত আরও খবর

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন