ঢাকা, সোমবার, ১৪ অক্টোবর ২০১৯, ২৯ আশ্বিন ১৪২৬, ১৪ সফর ১৪৪১ হিজরী

অভ্যন্তরীণ

সুনামগঞ্জে হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন

সুনামগঞ্জ জেলা সংবাদদাতা | প্রকাশের সময় : ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ১২:০১ এএম

সুনামগঞ্জে ফেরদৌস মিয়া নামের এক মুদি দোকানী হত্যা মামলায় সানি মিয়া নামের এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড ও ৫০ হাজার টাকা অর্থদন্ড অনাদায়ে আরো ৩ মাসের কারাদন্ড দিয়েছেন আদালত।

গতকাল রোববার দুপুর পৌণে ১২ টায় এ রায় ঘোষণা করেন সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন।

যাবজ্জীবন কারাদন্ড প্রাপ্ত সানি মিয়া জেলার জগন্নাথপুর উপজেলার ঘোষগাঁও গ্রামের মৃত আব্দাল মিয়ার ছেলে।
আদালত সূত্র জানায়, ২০০৮ সালের ১৪ জুন দিনগত রাত অনুমান সোয়া ৮ টার দিকে জগন্নাথপুর শিবগঞ্জ রোডে রাস্তার পূর্ব পার্শ্বে শাহরিন ভেরাইটিজ স্টোর নামক মুদি দোকান ব্যবসায়ী। রাত সাড়ে ৮ টার দিকে মুদি দোকানী ফেরদৌসের বড় ভাই রাজন মিয়া দোকানের থেকে বাড়ি ফেরার পথ দিয়ে চাচাতো ভাই নাজমুল ও প্রতিবেশী জাহের মিয়াসহ বাড়ি ফিরছিলেন। এই পথের কোনাপাড়া জালাল উদ্দিন রোড নামক কাচা রাস্তার মধ্যবর্তী স্থানে পৌছলে জ্যোৎস্নার আলোতে রাস্তায় মবিলের মতো কি যেন পড়ে আছে মনে হলে মোবাইলের আলোতে দেখতে পান তার ছোট ভাই ফেরদৌসের দোকানের চাবি পড়ে আছে দেখে সঙ্গে থাকা নাজমুল ও জাহেরকে ছোট ভাইয়ের দেকানের বাচির ঝুমটা দেখায়। সঙ্গে সঙ্গে পাশের ঝোপে গিয়ে দেখে ফেরদৌস রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছে ও তার শরীরে ধাড়ালো অস্ত্রের অসংখ্য আঘাত এবং পাশেই ধাড়ালো অস্ত্র হাতে ঘোষগাঁও গ্রামের মৃত আবদাল মিয়ার ছেলে সানি মিয়া দাড়িয়ে আছে। সঙ্গে সঙ্গে ফেরদৌসের বড় ভাই রাজন মিয়া ঘাতক সানি মিয়াকে ধরতে গেলে ধাড়ালো অস্ত্র দিয়ে রাজনকেও আঘাত করে সানি পালিয়ে যায়। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় ফেরদৌস ও রাজনকে তাদের বাড়িতে নিয়ে এলে ফেরদৌস মারা যায় এবং রাজনকে হাসপাতালে পাঠানো হয়। এ ঘটনায় নিহত ফেরদৌস ও আহত রাজনের বড় ভাই শাহীন মিয়া বাদি হয়ে ১৫ জুন জগন্নাথপুর থানায় সানি মিয়া, সাজ্জাদ মিয়া, আনোয়ার মিয়া, মো.নূর আলম, আজম মিয়া ও রবি’র বিরুদ্ধো হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে পুলিশ সানি মিয়ার বিরুদ্ধো আদালতে সার্জশীট দাখিল করে।

দীর্ঘ শুনানী শেষে আদালত সানি মিয়াকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো ৩ মাসের কারাদন্ড প্রদান করেন এবং সাজ্জাদ মিয়া, আনোয়ার মিয়া, মো.নূর আলম, আজম মিয়া ও রবিকে বেখসুর খালাস প্রদান করেন।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন