ঢাকা, শনিবার , ০৭ ডিসেম্বর ২০১৯, ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ০৯ রবিউস সানি ১৪৪১ হিজরী

জাতীয় সংবাদ

বাংলাদেশ ও জনগণের স্বার্থহানী হয় ভারতের এমন প্রস্তাবে রাজি হবেন না - প্রধানমন্ত্রীকে ড. মোশাররফ

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ২ অক্টোবর, ২০১৯, ১:৫৭ পিএম

বাংলাদেশ ও এদেশের জনগণের স্বার্থহানি হয় এবং দেশের জনগণের ক্ষতি হয়- ভারতের এমন কোনও প্রস্তাবে রাজি না হওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন। তিনি বলেন, আপনাকে (প্রধানমন্ত্রী) এখন থেকেই সাবধান করতে চাই। আপনি ভারতে যাচ্ছেন, ভালো কথা। কিন্তু বাংলাদেশ ও এদেশের জনগণের স্বার্থহানি হয় এবং দেশের জনগণের ক্ষতি হয়- ভারতের এমন কোনও প্রস্তাবে আপনি রাজি হবে না। আর যদি স্বার্থহানিকর কোনও প্রস্তাবে রাজি হন তবে এদেশের মানুষ কিন্তু সবকিছু দেখছে।

বুধবার (২ অক্টোবর) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে জাতীয়তাবাদী টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ আয়োজিত এক মানববন্ধন কর্মসূচিতে তিনি এসব কথা বলেন। বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি দাবিতে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ও তিস্তার পানি বণ্টন বিষয়ে আলোচনার পাশাপাশি ৮টি সমঝোতা স্মারক সামনে রেখে আগামীকাল বৃহস্পতিবার (৩ অক্টোবর) ভারত সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সফরকালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে আগামী শনিবার (৫ অক্টোবর) দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বসবেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে খন্দকার মোশাররফ বলেন, ‘আমাদের দেশের প্রধানমন্ত্রী ভারত যাচ্ছেন। এরআগে ভারত থেকে এসে তিনি বলেছিলেন, ভারতকে এতো দিয়েছি, তারা এই কোনোদিন ঋণ শোধ করতে পারবে না। আজ আমরা প্রধানমন্ত্রীকে বলতে চাই, বাংলাদেশ ও বাংলাদেশের জনগণের স্বার্থবিরোধী এমন কোনও কথা বা কাজ আপনি করে আসবেন না- যাতে জাতীয় স্বার্থ ব্যাহত হয়। এমন কিছু করবেন না যাতে করে এশিয়া উপমহাদেশে আবার একটা অশান্তির আগুন জ্বলে উঠে। আপনি বলেছেন, ভারতকে অনেক দিয়েছেন। আর দেয়ার কিছু নাই।’

দুর্নীতিবিরোধী অভিযানের বিষয়ে মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘আজকে প্রধানমন্ত্রী স্বীকার করেছেন যে, ১/১১ কে ঠেকানোর জন্য তিনি দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও ক্যাসিনোর বিরুদ্ধে অভিযান চালাচ্ছেন। আমাদের প্রশ্ন- দেশ ১/১১ এর দিকে যাবে- এমন পরিস্থিতি কেন সৃষ্টি করেছেন?’

বিএনপির এই স্থায়ী কমিটির সদস্য বলেন, ‘সাবেক ডিএমপি কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়া বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী স্বদিচ্ছা প্রকাশ করেছেন বলেই এই অভিযান চলছে’। আমাদের প্রশ্ন- প্রধানমন্ত্রী আগে কেন স্বদিচ্ছা প্রকাশ করেননি? আজকে ক্যাসিনো চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে যে অভিযান চলছে আমরা মনে করি এর মাধ্যমে চুনোপুঁটিদের গ্রেফতার করা হয়েছে। এ ধরনের কাণ্ড-কারখানা সরকারের সমর্থন ও প্রশাসনের সহযোগিতা ছাড়া কিছুতেই সংঘটিত হতে পারে না।’

আয়োজক সংগঠনের সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মো. ফখরুল আলমের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল আবদিন ফারুক, হাবিবুর রহমান হাবিব, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, সহ-তথ্যবিষয়ক সম্পাদক কাদের গনি চৌধুরী, কৃষকদলের সদস্য কে এম রকিবুল ইসলাদ রিপন প্রমুখ বক্তব্য দেন।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (1)
দীনমজুর কহে ২ অক্টোবর, ২০১৯, ২:৪২ পিএম says : 0
দেশ ও জনগনের স্বার্থবিরোধী কোন প্রস্তাবে আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী রাজি হবেননা ।বলে বিশ্বাস করি।
Total Reply(0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

গত ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন