ঢাকা, সোমবার, ২১ অক্টোবর ২০১৯, ০৫ কার্তিক ১৪২৬, ২১ সফর ১৪৪১ হিজরী

মহানগর

জবিতে ছাত্রদলের ওপর ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১২

জবি সংবাদদাতা | প্রকাশের সময় : ৩ অক্টোবর, ২০১৯, ১২:১১ পিএম | আপডেট : ১:২৭ পিএম, ৩ অক্টোবর, ২০১৯

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালিয়েছে ছাত্রলীগ। এতে অন্তত ১২ আহত হয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার (৩ অক্টোবর) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকের সামনে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি, নামফলক পুনঃস্থাপন ও ক্যাম্পাসে সহবস্থান নিশ্চিতের দাবিতে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কাঁঠালতলা চত্বর থেকে মিছিল বের করে শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। এসময় তারা ‘খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি চাই’, স্লোগান দেয়। মিছিলের শেষদিকে ছাত্রলীগ কর্মী আল সাদিক হৃদয়, তাওহীদ হাসান পিয়াস ও সৌরভ দাসের নেতৃত্বে ছাত্রলীগ কর্মীরা পিছন থেকে ধাওয়া করলে দুপক্ষের মাঝে ধাওয়া পালটা ধাওয়া ঘটে। এসময় ছাত্রদলের ৪ কর্মী বেধড়ক মারধরের শিকার হন। এতে গুরুতর আহত হন ছাত্রদল নেতা আব্দুর রশিদ, রোকনুজ্জামান জিতু, আবিদ কামাল রুবেল ও ইমরান হোসেন পলাশ।
অন্যান্য আহতরা হলেন জামাল হোসাইন, জাহিদুর রহমান জামাল,সাইফ সবুজ, মিজানুর রহমান শরীফ,সুশীল ত্রিপুরা,রবিউল আউয়াল,ফয়েজ আহমেদ।
এদের মধ্যে ছাত্রদল কর্মী আব্দুর রশিদকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরের সহযোগিতায় পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। এবং পরবর্তীতে মিটফোর্ড হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।
ঘটনার পর জবি ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক সাদিকুর রহমান সাদিক বলেন, ক্যাম্পাসে সহাবস্থানের দাবিতে আমরা শান্তিপূর্ণ মিছিল শুরু করি। হঠাৎ পেছন থেকে শাখা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা আমাদের ওপর হামলা চালায়। এতে আমাদের বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। হামলার তীব্র প্রতিবাদ জানাই। একইসঙ্গে ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।

জবি ছাত্রলীগের সম্মেলন প্রস্তুত কমিটির আহ্বায়ক আশরাফুল আলম টিটন বলেন, ক্যাম্পাসে বুড়ো ও অছাত্রদের কোন স্থান হবে না। দলীয় কার্যক্রমের নাম দিয়ে কেউ অশান্ত পরিবেশ তৈরির চেষ্টা করলে আমরা বসে থাকবো না। তবে যাদের ছাত্রত্ব আছে তারা ক্যাম্পাসে আসুক, এতে আমাদের কোন বাধা থাকবে না।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর ড. মোস্তফা কামাল বলেন, সকালে ছাত্রদল কর্মীরা মিছিল করলে ছাত্রলীগের হামলায় একজন গুরুতর আহত হয়। তার নিরাপত্তার কথা ভেবে আমরা প্রথমে তাকে প্রক্টর অফিসে নিয়ে আসি এবং পরবর্তীতে তাকে পুলিশের সহযোগিতায় মিটফোর্ড হাসাপাতালে পাঠানো হয়।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন