ঢাকা, সোমবার, ২১ অক্টোবর ২০১৯, ০৫ কার্তিক ১৪২৬, ২১ সফর ১৪৪১ হিজরী

খেলাধুলা

তামিমের ফেরার ম্যাচে উজ্জ্বল মাহমুদউল্লাহ

স্পোর্টস রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ১১ অক্টোবর, ২০১৯, ১২:১৬ এএম

বিশ্বকাপে ছন্দহীন থাকার পর শ্রীলঙ্কা সফরেও রান পাননি তামিম ইকবাল। এরপর চলে যান লম্বা বিশ্রামে। খেলেননি আফগানিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট আর ত্রিদেশীয় টি-টোয়েন্টি। ক্রিকেট থেকে নিজেকে পুরোপুরি দূরে সরিয়ে চাঙা হয়েই ফেরার লড়াইয়ে ছিলেন তিনি। কিন্তু জাতীয় লিগে নেমে শুরুটাও ভুলে যাওয়ার মতোই হয়েছে তার।

মিরপুর শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে প্রথম রাউন্ডের ম্যাচে নেমে চট্টগ্রামের তামিম ধুঁকে ধুঁকে ১০৫ বলে ৩০ রান করে উইকেট ছুঁড়ে দিয়েছেন। চার মেরেছেন ৩টি। লাঞ্চের পর বৃষ্টিতে খেলা বন্ধ হওয়ার আগে ঢাকা মেট্রোর বিপক্ষে ৪০.৪ ওভারে ১১৪ রান তুলতে ৩ উইকেট হারিয়েছে চট্টগ্রাম বিভাগ। অফ স্পিনে সবকটি উইকেট নিয়েছেন মাহমুদউল্লাহ।

গতকাল সকালে টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন চট্টগ্রাম বিভাগের অধিনায়ক মুমিনুল হক। মেঘলা আকাশে তরুণ সাদিকুর রহমানকে নিয়ে ব্যাট করতে নামেন তামিম। পরিবেশ ছিল পেস বান্ধব। পেসার শহিদুল ইসলাম বাউন্স আদায় করছিলেন, দুই দিকেই পাচ্ছিলেন মুভমেন্ট। তাকে খেলতে শুরু থেকেই বেশ ধুঁকতে দেখা গেল তামিমকে। তবে আরেক প্রান্তে অভিষিক্ত পেসার মেহরাব হোসেন জোশি ছিলেন সাদামাটা। আলগা বল করেছেন প্রচুর। তবে তার ফায়দাও তুলতে পারেননি তামিমরা। থিতু হতে বেশ কিছুটা সময় নেন তামিম। সঙ্গী সাদিকুর অবশ্য তার আগেই নিজেকে মানিয়ে নিচ্ছিলেন, পাচ্ছিলেন স্বচ্ছন্দ। ৬৯ বলে ফিফটি করেই অবশ্য দৌঁড় থামান তিনি। মাহমুদউল্লাহকে বেরিয়ে এসে মারতে গিয়ে স্টাম্পিং হয়ে ফেরত যান ৫১ রান করে।

৮৩ বলে ২৩ রান নিয়ে লাঞ্চ থেকে ফিরে তামিমও টেকেননি বেশিক্ষণ। ১৩২ মিনিট ক্রিজে থাক তামিমের সংগ্রামও শেষ হয় মাহমুদউল্লাহর বলে। মাহমুদউল্লাহর শট বলে পুল করতে গিয়েছিলেন। টাইমিং গড়বড় করে বল তুলে দেন আকাশে। মাহমুদউল্লাহ নিজেই নিয়েছেন সহজ ক্যাচ। চারে নেমে মুমিনুল দুই চারে শুরুটা পেয়েছিলেন ভালো। কিন্তু ভালো শুরু শেষ হয়েছে বাজে শটে। টপ এজ হয়ে তার ক্যাচ যায় গালিতে।

এরপর আর কোনো উইকেট পড়েনি। তবে খেলাও হয়নি খুব একটা। তিনে নামা পিনাক ঘোষ তাসামুল হককে নিয়ে জুটি জমিয়ে তুলেছিলেন। তাদের থামায় বৃষ্টি। চতুর্থ উইকেটে ৩৪ রানের জুটি গড়ে অবিচ্ছিন্ন আছেন তারা। ৭৮ বলে পাঁচ চারে ৩০ রানে অপরাজিত আছেন পিনাক। ৪২ বলে ১৭ রানে ব্যাট করছেন তাসামুল। সবচেয়ে বেশি ১৮ ওভার বল করে ৪০ রানে ৩ উইকেট নেন মাহমুদউল্লাহ।

এদিকে, ফতুল্লায়ও ছিল বৃষ্টির দাপট। ভোর থেকে নামা বৃষ্টিতে ভেজা ছিল মাঠ। মাঠ শুকাতেই তাই পেরিয়ে যায় প্রথম সেশন। বাকি দুই সেশনে দাপট দেখিয়েছেন রাজশাহীর তাইজুল ইসলাম ও শফিউল ইসলাম। তাদের তোপে প্রথম দিনেই বিপর্যস্ত ঢাকা বিভাগ।

খান সাহেব ওসমান আলি স্টেডিয়ামে প্রথম স্তরের খেলা শুরু হয় পৌনে একটায়। পুরো দিনে খেলা হয়েছে ৫১.৫ ওভার। তাতে ১৪৩ রান তুলতেই ৭ উইকেট খুইয়ে বসেছে ঢাকা। শেষ বিকেলেও ফের বৃষ্টি নামলে আগেভাগেই শেষ হয় দিনের খেলা। পেসার শফিউল ৪০ রানে নিয়েছেন ৩ উইকেট। বাঁহাতি স্পিনে ৫৫ রানে ৪ উইকেট পেয়েছেন তাইজুল।

এছাড়া রাজশাহীর শহীদ কামরুজ্জামান স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় স্তরের ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল সিলেট ও বরিশাল বিভাগ। কিন্তু বৃষ্টির কারণে মাঠ ভেজা থাকায় ওই ভেন্যুতে টসই হতে পারেনি। একই অবস্থায় খুলনায়। সেখানে প্রথম স্তরের ম্যাচে স্বাগতিক খুলনার প্রতিপক্ষ ছিল রংপুর বিভাগ। কিন্তু বৃষ্টি টস হতে দেয়নি সে ম্যাচেও।

 

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন