ঢাকা, বুধবার , ১৩ নভেম্বর ২০১৯, ২৮ কার্তিক ১৪২৬, ১৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪১ হিজরী

অভ্যন্তরীণ

ঈশ্বরগঞ্জে শিক্ষককে হত্যার হুমকি

অভিযোগে উপজেলা শিক্ষা অফিসের তদন্ত কমিটি

ঈশ্বরগঞ্জ (ময়মনসিংহ) উপজেলা সংবাদদাতা | প্রকাশের সময় : ১৫ অক্টোবর, ২০১৯, ১২:০৩ এএম

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে বানাশ্রম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির নির্বাচন স্থগিত হওয়াকে কেন্দ্র করে এক শিক্ষককে গলা কেটে হত্যার হুমকি দিয়েছেন আরেক শিক্ষক। বিষয়টি নিয়ে গত রোববার উপজেলা শিক্ষা অফিসের তদন্ত কমিটির সদস্যরা সরেজমিন তদন্ত করতে ঘটনাস্থলে যান।

জানা যায়, উপজেলা মগটুলা ইউনিয়নের বানাশ্রম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটি গঠনের জন্য গত ৯ সেপ্টেম্বর তফসিল ঘোষণা করা হয়। কিন্তু এলাকাবাসীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে তফসিল ঘোষণার পর নির্বাচন স্থগিত করা হয়।

লিখিত অভিযোগ থেকে জানা যায়, বিদ্যালয়টিতে গত বছরের ৩০ অক্টোবর প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগযান করেন শামছুন্নাহার। তার স্বামী সিরাজুল ইসলাম ভাইদগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। বিদ্যালয়টির পরিচালনা কমিটির সভাপতি হিসেবে প্রধান শিক্ষক তার দেবরের ছেলে নজরুল ইসলামকে বিদ্যুৎসাহি (সভাপতি) করার জন্য প্রস্তাব করেন। প্রস্তাব পাঠানোর সময় স্থানীয়রা জেনে যাওয়ায় লিখিত অভিযোগ দিলে নির্বাচন স্থগিত হয়। এর পেছেনে বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের হাত রয়েছে এমন সন্দেহে প্রধান শিক্ষকের স্বামী সিরাজুল ইসলাম বিদ্যালয়ে গিয়ে সহকারী শিক্ষকদের দোষারোপ করে ক্ষিপ্ত হয়ে ভাই-ভাতিজাদের নিয়ে গলাটিপে হত্যার হুমকি দেয়।

বিষয়টি তাৎক্ষনিক সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তাকে জানানো হয়। ঘটনাটি নিয়ে গত ১৯ সেপ্টেম্বর বানাশ্রম প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক এ.কে.এম এখলাছ উদ্দিনকে রাস্তায় পেয়ে ভাইদগাঁও বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সিরাজুল ইসলাম গালাগাল দিয়ে গলা চেপে ধরে নানা হুমকি দেয়। পরে সহকারী শিক্ষক এ.কে.এম এখলাছ উদ্দিন, শরিফাহ বেগম ও জিন্নাত মহল বাদি হয়ে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে এটিও মো. সাজ্জাদ হোসেন তালুকদার, মো. আবু সিদ্দিক ও মোহাম্মদ রেজাউল করিমের সমন্বয়ে তিন সদস্যের কমিটি ঘঠন করেন। তারা রোববার বিদ্যালয়ে গিয়ে ঘটনার তদন্ত কাজ শুরু করেন।

শিক্ষক এ.কে.এম এখলাছ উদ্দিন বলেন, তাদের বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের স্বামী অন্য বিদ্যালয় থেকে এসে তাদেরকে বিদ্যালয়ে হত্যার হুমকি দেয়। রাস্তায় পেয়ে তার গলায় চেপে ধরে।’ তবে ভাইদগাঁও বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. সিরাজুল ইসলাম হুমকি দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, বাজারে তার স্ত্রীকে নিয়ে আপত্তিকর কথাবার্তা বলতে থাকায় শিক্ষক এ. কে. এম এখলাছ উদ্দিনকে তিনি কারণ জানতে চাইলে তর্কাতর্কি হয়।

তদন্ত কমিটির সদস্য এটিও সাজ্জাদ হোসেন তালুকদার বলেন, তদন্ত কাজ শেষ হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদনটি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট পেশ করা হবে।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

গত ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন